শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৪

কুরানে বিগ্যান (পর্ব-৩৪): বদর যুদ্ধ-৫: মুহাম্মদের বিজয় ও কুরাইশদের পরাজয়ের কারণ ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – সাত


লিখেছেন গোলাপ

বদর যুদ্ধে কুরাইশরা ছিলেন সংখ্যায় ও শক্তিতে স্বঘোষিত আখেরি নবী হয়রত মুহাম্মদ (সাঃ) ও তাঁর অনুসারীদের তুলনায় অনেক বেশি। কুরাইশদের সংখ্যা ছিল প্রায় ৯৫০ জন আর মুহাম্মদ অনুসারীদের সংখ্যা ছিল তাঁদের সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশেরও কম (প্রায় ৩১৩ জন)। এতদস্বত্বেও তাঁরা মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের কাছে অত্যন্ত করুণভাবে পরাজিত হয়েছিলেন! কী কারণে তা সম্ভব হয়েছিল?

বিজয়ী মুহাম্মদের দাবী:

মুহাম্মদ তাঁর এই সফলতার পেছনের কারণ হিসাবে তাঁর কল্পিত আল্লাহর পরম করুণা ও অলৌকিকত্বের দাবি করেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, এই অলৌকিক সফলতার দৃষ্টান্তই হলো তাঁর সত্যবাদিতা আর কুরাইশদের মিথ্যাচারের প্রমাণ। তাঁর দাবি, "এই সত্য" প্রতিষ্ঠার জন্য মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ কুরাইশ কাফেরদের খুন করার জন্য বদর প্রান্তে আসমান থেকে জিবরাইল সহ প্রায় এক হাজার দুর্ধর্ষ সশস্ত্র বীর ফেরেশতার আগমন ঘটান! [1][2][3][4]

মুহাম্মদের ভাষায়,

৮:৭-৯ - "আর যখন আল্লাহ দু’টি দলের একটির ব্যাপারে তোমাদের সাথে ওয়াদা করেছিলেন যে, সেটি তোমাদের হস্তগত হবে, আর তোমরা কামনা করছিলে যাতে কোন রকম কণ্টক নেই, তাই তোমাদের ভাগে আসুক; অথচ আল্লাহ চাইতেন সত্যকে স্বীয় কালামের মাধ্যমে সত্যে পরিণত করতে এবং কাফেরদের মূল কর্তন করে দিতে, যাতে করে সত্যকে সত্য এবং মিথ্যাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে দেন, যদিও পাপীরা অসন্তুষ্ট হয়। তোমরা যখন ফরিয়াদ করতে আরম্ভ করেছিলে স্বীয় পরওয়ারদেগারের নিকট, তখন তিনি তোমাদের ফরিয়াদের মঞ্জুরি দান করলেন যে, আমি তোমাদিগকে সাহায্য করব ধারাবাহিকভাবে আগত হাজার ফেরেশতার মাধ্যমে।"            

>>> পাঠক, আসুন আমরা মুহাম্মদের এই দাবিটিকে একটু মনোযোগের সাথে পর্যালোচনা করি। মুহাম্মদের স্ব-রচিত ব্যক্তি-মানসজীবনী গ্রন্থে (কুরান) তাঁর এই জবানবন্দিটি ভালভাবে বুঝতে হলে তাঁর এই দু'টি বাক্যের আগের দুটি বাক্য (৮:৫-৬) থেকে শুরু করতে হবে। আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে যে, আবু সুফিয়ায়ের বাণিজ্য কাফেলার খবর পেয়ে মুহাম্মদ তাঁর অনুসারীদের ডেকে ঘোষণা দিয়েছিলেন,

"'এই সেই কুরাইশদের ধন-সম্পদ সমৃদ্ধ বাণিজ্য-বহর। যাও তাদের আক্রমণ কর, সম্ভবত: আল্লাহ এটি তোমাদের শিকার রূপে দান করবেন।' তাঁরা তাঁর ডাকে সাড়া দেয়; কিছু লোক আগ্রহের সাথে, কিছু লোক অনিচ্ছায়। কারণ আল্লাহর নবী যে যুদ্ধে যেতে পারেন তা তাঁরা চিন্তা করেন নাই।" [পর্ব ৩০]"

মুহাম্মদ সেই ঘটনারই বর্ণনা দিয়েছেন এভাবে:

৮:৫-৬ – “যেমন করে তোমাকে তোমার পরওয়ারদেগার ঘর থেকে বের করেছেন ন্যায় ও সৎকাজের জন্য, অথচ ঈমানদারদের একটি দল (তাতে) সম্মত ছিল না। তারা তোমার সাথে বিবাদ করছিল সত্য ও ন্যায় বিষয়ে, তা প্রকাশিত হবার পর; তারা যেন মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে দেখতে দেখতে।"      

>>> অর্থাৎ মুহাম্মদের কিছু অনুসারী [আনসার] তাঁদের ইচ্ছার বিরুদ্ধেই মুহাম্মদের নির্দেশ ও পীড়াপীড়ির কারণে (‘তারা তোমার সাথে বিবাদ করছিল’) এই আগ্রাসী অনৈতিক লুণ্ঠনকর্মে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁদের ধারণা ছিল যে, এই লুণ্ঠনকর্মটি হবে ঝুঁকিহীন ('যাতে কোন কণ্টক নেই')।  ঝুঁকিহীন এই কারণে যে, তাঁরা ছিলেন সংখ্যায় ৩১৩ জন, আর আবু-সুফিয়ানের সাথে ছিল মাত্র ৭০ জন। কিন্তু তাঁরা বদর প্রান্তে এসে অপ্রত্যাশিতভাবে কুরাইশ দলের সম্মুখীন হন। বদর প্রান্তে পৌঁছার আগে তাঁরা এই কুরাইশ দলের ব্যাপারে কিছুই জানতেন না। কুরাইশ দলটিকে দেখে মুহাম্মদ অনুসারীরা স্বভাবতঃই অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ [তাঁদের দলে ৩১৩ জন আর কুরাইশ দলে ৯৫০ জন] সংঘর্ষে জড়িত হতে চাননি। কিন্তু মুহাম্মদ চান কুরাইশদের সাথে যুদ্ধ করতে।

মুহাম্মদ তাঁর এই জবানবন্দির পরের দু'টি বাক্যে (৮:৭-৯) ঐ ঘটনারই বর্ণনা দিচ্ছেন, এবং দাবী করছেন:

ক) - "আর যখন আল্লাহ দু’টি দলের একটির ব্যাপারে তোমাদের সাথে ওয়াদা করেছিলেন যে, সেটি তোমাদের হস্তগত হবে, আর তোমরা কামনা করছিলে যাতে কোন রকম কণ্টক নেই, তাই তোমাদের ভাগে আসুক;"

>>> এখানে দু'টি দল বলতে মুহাম্মদ বুঝাতে চাচ্ছেন:
১) আবু সুফিয়ানের বাণিজ্য কাফেলা, ও
২) বদর অভিযানে সমবেত কুরাইশ দল

সুরা আনফাল ((৮ নম্বর সুরা) নাজিল হয় বদর যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর। যুদ্ধ শেষে ফলাফল মুসলমানদের অনুকূলে আসার পর বিজয়ী মুহাম্মদ দাবি করছেন যে, তাঁর আল্লাহ আগে থেকেই এই বিজয়ের “ওয়াদা’ করেছিলেন। সাক্ষী কে? বক্তা নিজেই! দাবিকারী নিজেই তাঁর দাবির "একমাত্র সাক্ষী"! 

খ) - "অথচ আল্লাহ চাইতেন সত্যকে স্বীয় কালামের মাধ্যমে সত্যে পরিণত করতে এবং কাফেরদের মূল কর্তন করে দিতে, যাতে করে সত্যকে সত্য এবং মিথ্যাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে দেন, যদিও পাপীরা অসন্তুষ্ট হয়"

>>> মুহাম্মদ দাবি করছেন যে, তাঁর অনুসারীরা যদিও ঝুঁকিহীন লুটতরাজ [ডাকাতি] জনিত উপার্জন কামনা করেছিলেন, কিন্তু তাঁর আল্লাহ চাইতেন কাফেরদের 'মূল কর্তন' করে দিতে। আর তার জন্য মুহাম্মদের আল্লাহ সাহায্য পাঠিয়েছিলেন। কীভাবে?  

গ) - “তোমরা যখন ফরিয়াদ করতে আরম্ভ করেছিলে স্বীয় পরওয়ারদেগারের নিকট, তখন তিনি তোমাদের ফরিয়াদের মঞ্জুরি দান করলেন যে, আমি তোমাদিগকে সাহায্য করব ধারাবাহিকভাবে আগত হাজার ফেরেশতার মাধ্যমে।"        

>>> এই অনন্ত চমকপ্রদ মহাবিশ্বের কোনো স্রষ্টা আছে, এমন কোনো প্রমাণ নেই। আলোচনার খাতিরে ধরে নেয়া যাক যে, এই অনন্ত বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের একজন স্রষ্টা আছেন, যিনি মহাক্ষমতাধর এক সত্তা। অন্যত্র মুহাম্মদ দাবি করেছেন যে, তাঁর ‘আল্লাহ যখন কোনো কিছু করতে ইচ্ছা করেন, তখন তাকে কেবল বলে দেন, ‘হও’ তখনই তা হয়ে যায় ["কুন ফা ইয়া কুন” (৩৬:৮২)]'। আর এই খানে মুহাম্মদ দাবি করছেন যে, সেই মহাক্ষমতাধর “আল্লাহ চাইতেন কাফেরদের মূল কর্তন করে দিতে"।  কোনো সত্তার "ইচ্ছা করার" সঙ্গে সঙ্গেই যদি তা কার্যে পরিণত হয়, তাহলে সঙ্গত কারণেই সে সত্তাটির পক্ষে একজন অতি সাধারণ মানুষের মত খুনি ক্যাডার বাহিনী পাঠানো অসম্ভব, অবাস্তব ও অপ্রয়োজনীয়। কারণ ইচ্ছা করার সঙ্গে সঙ্গেই তার সেই ইচ্ছার বাস্তবায়ন হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে তার ইচ্ছা = তার কর্ম। কর্ম সম্পাদনের জন্য তার কোনো কিছুরই সাহায্যের কোনোই প্রয়োজন নেই। [পর্ব-১১]

এর পরেও ধরে নেয়া যাক, যে কোনো কারণেই হোক, মুহাম্মদের দাবিকৃত মহা-মতাধর আল্লাহ আকাঙ্ক্ষা করেছেন যে, তিনি কাফেরদেরকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে কুপিয়ে খুন করবেন[৮:১২] আর সেই অভিপ্রায়ে আল্লাহ তাঁর প্রিয়পাত্র স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদকে সাহায্য করার জন্য আসমান থেকে ঢাল-তলোয়ার সজ্জিত দুর্ধর্ষ ফেরেশতাকে বদর প্রান্তরে পাঠিয়েছিলেন। এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে যে-প্রশ্নটি অত্যন্ত জরুরি, তা হলো,

“৯৫০ জন কুরাইশ কে শায়েস্তা করার জন্য ঠিক কত জন অতিরিক্ত সৈন্য প্রয়োজন?”

উচ্চ কর্তৃপক্ষ (Superior authority) যদি "নিশ্চিতরূপে জানেন" যে, তাঁর একজন ফেরেশতা একাই ৯৫০ জন কাফেরকে পরাস্ত করতে সক্ষম, তবে তিনি কেন দশ জন ফেরেশতা পাঠাবেন? যদি তিনি নিশ্চিতরূপে জানেন যে, ৯৫০ জন কাফেরকে পরাস্ত করার জন্য ৫০০ জন ফেরেশতার প্রয়োজন, তবে ১০০০ জন ফেরেশতাকে তিনি মাঠে নামাবেন কোন অজুহাতে?

অপরপক্ষে, উচ্চ কর্তৃপক্ষ যদি এই একান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি সম্পর্কে "সম্পূর্ণ অজ্ঞ" হন, তবে তিনি সফলকাম হওয়ার জন্য অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই যথাসম্ভব অধিক পরিমাণ সাহায্যকারী সৈন্য পাঠাবেন। যা হতে পারে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক অধিক। আর তা তিনি নির্ধারণ করবেন "তাঁর ধারণায়" শত্রু পক্ষের সৈন্যদলের এক একটি  সৈন্যের গড় শক্তির বিরুদ্ধে তাঁর সৈন্যদলের এক একটি সৈন্যের গড় শক্তির আনুমানিক তারতম্যের ওপর ভিত্তি করে। তবে যে কোনো মনুষ্য সন্তান [যেমন, মুহাম্মদ] এরূপ অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে বিজয় নিশ্চিত করার জন্য একজন কুরাইশের শক্তির পরিমাণ একজন ফেরেশতার শক্তির সমতুল্য জ্ঞানে ৯৫০ জন কুরাইশকে পরাস্ত করার জন্য কমপক্ষে সমপরিমাণ অথবা তার অধিক সংখ্যক অস্ত্রসজ্জিত সাহায্যকারী সৈন্য মাঠে নামাবেন।

মুহাম্মদ দাবী করেছেন যে, তাঁর আল্লাহ ৯৫০ জন কাফেরকে পরাস্ত করার জন্য ১০০০ জন ফেরেশতাকে মাঠে নামিয়েছিলেন!

অর্থাৎ, স্বঘোষিত আখেরি নবী মুহাম্মদের বর্ণিত এই দাবীটি “হুবহু” একজন মনুষ্য সন্তান অনিশ্চিত বিষয়ে ঠিক যেমনটি "ধারণা" করেন ঠিক তেমনই।

সেই ১০০০ জন বহিরাগত দুর্ধর্ষ স্পেশাল ফেরেশতা বাহিনীকে সাহায্য করার জন্য মুহাম্মদের নেতৃত্বে ছিল আরও ৩১৩ জন মানবসন্তান। অর্থাৎ, আল্লাহ ও মুহাম্মদের সম্মিলিত সৈন্যের পরিমাণ ১৩১৩ জন। যা কুরাইশদের সৈন্য সংখ্যার প্রায় দেড় গুণ! এই দেড় গুণ বেশী সৈন্য নিয়ে আল্লাহ ও মুহাম্মদের সম্মিলিত সৈন্যরা সারাদিন যুদ্ধ করে “মাত্র” ৭০ জন নরাধম কাফের কুরাইশকে খুন এবং ৭০ জনকে বন্দী করতে সফলকাম হয়েছিলেন। বাকি ৮১০ জন (৮৫ শতাংশ) কুরাইশ সফলভাবে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন।

নিত্য নবীরে স্মরি – ১২৯



পাঠিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা

বৃহষ্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৪

লুক্স লিখিত সুসমাচার - ৪৩


লিখেছেন লুক্স

৩৮৬.
৩০ বছর ধরে জার্মানী থাকেন, এমন একজন বাংলাদেশীর সঙ্গে পরিচয় হলো। ভদ্রলোক একা থাকেন; কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন না, আমাকেও এড়িয়ে চলেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলে যার পর নাই অবাক হয়েছি। তিনি বিদেশে চলে আসার পর থেকে বাংলাদেশের কোনো খবরই রাখেন না। বাংলাদেশে এখন কোন দল ক্ষমতায় আছে, বিরোধীদলে কারা, চলমান যুদ্ধাপরাধীদর বিচার প্রক্রিয়া, হেফাজতের উত্থান, ইত্যাদি রাজনীতি, খেলাধুলা, সংস্কৃতির কোনো কিছুর খবরই তিনি জানেন না। বুঝতে পারছিলাম না, শিক্ষিত একজন বাংলাদেশী বিদেশে এসে কীভাবে তার জন্মভূমি সম্পর্কে এতটা উদাসীন হতে পারে, কীভাবে ভুলে যেতে পারে তার প্রিয় মাতৃভূমিকে?

এই ভদ্রলোক সম্পর্কে জানতে আমার হয়ত আরো অনেক সময় লাগবে, আড্ডা লাগবে আরো কয়েক সন্ধ্যা। আপাতত আমাকে করা তার প্রথম প্রশ্নটির উত্তর খুঁজছি:
শুধুমাত্র হিন্দু হবার কারণে প্রিয় জন্মভূমির মানুষরা যদি আপনার ঘর বাড়িতে আগুন দিয়ে আপনার পরিবারের সবাইকে পিটিয়ে দেশ থেকে বের করে দেয়, তাহলেও কি আপনি আপনার জন্মভূমিকে ভালোবাসবেন? রাখবেন জন্মভূমির কোনো খবর? 
এ প্রশ্নের উত্তর আমার পক্ষে দেয়া অসম্ভব, কারণ আমার বেলাতে এমনটি ঘটেনি। আপনি পারবেন এ প্রশ্নের উত্তর দিতে, কী করে সম্ভব যদি আপনার জীবনেও এমন ঘটনা না ঘটে?

৩৮৭.
মুহাম্মদের থিওরি দিয়ে মুসলমানরা আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণে ব্যর্থ।

৩৮৮.
আমরা জ্ঞানী লোকের উদাহরণ দেবার সময় সেই সব মনীষীদের নাম বলি, যাঁরা আজ থেকে শত বছর আগেই আজকের তুলনায় আরও অন্ধকার যুগে কুৎসিত ও বিষাক্ত ধর্মীয় দর্শনের মূলে আঘাত করার সাহস দেখিয়েছিলেন। আর আমরা একবিংশ শতাব্দীতে পৌঁছেও সেই মহান মনীষীদের অনুসরণ না করে অনুসরণ করছি সেই সব কুৎসিত ও বিষাক্ত মধ্যযুগীয় ধর্মীয় দর্শনের প্রবক্তা নবী-রসুলদের। শুধু কথায় পরিবর্তন আসে না, পরিবর্তন আসে কাজে।

গরুপূজারি গাধাগুলো - ৫৯




ছহীহ মুছলিমের খোঁজে


লিখেছেন তাসনিম জুবেরিয়া

নারী নেত্রী - ইসলামে হারাম 
যে গানে আল্লাহ্‌পাকের ইবাদত করা হয় না, সেই গান শোনা কিংবা গাওয়া - ইসলামে হারাম
বিধর্মীদের সাথে বন্ধুত্ব করা - ইসলামে হারাম
বিধর্মীদের কাছ থেকে জিজিয়া কর না নেয়া - ইসলাম মতে সঠিক নহে

কুকুর পোষা - ইসলামে হারাম
দাবা খেলা - ইসলামে হারাম
কবিতা পাঠ - ইসলামে হারাম

মহিলাদের হিজাব না পরা - ইসলামে হারাম
জাকাত না দেয়া - ইসলামে হারাম
পুরুষ মানুষের সোনা কিংবা রুপার গহনা পরা - ইসলামে হারাম 

সুদ খাওয়া - ইসলামে হারাম
মূর্তিপূজা, তৈরি এবং চিত্রকর্ম অঙ্কন - ইসলামে হারাম

বাংলাদেশে এইবার একটা সহি মুসলিম খুঁজে বের করুন।

চিত্রপঞ্চক - ৫৯


সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ রাশিয়ায় এখন অর্থোডক্স খ্রিষ্টধর্ম একটি অত্যন্ত শক্তিধর প্রতিষ্ঠান। কাগজে-কলমে রাশিয়া ধর্মনিরপেক্ষ দেশ হলেও রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রনায়ক পুতিনের প্রত্যক্ষ সমর্থনপুষ্ট এই ধর্মের দাপট সমাজ-জীবনের প্রায় সর্বত্র এখন প্রবল। 

রাশিয়াপ্রবাসী মোকাম্মেল ধর্মকবলিত রাশিয়ার বেশকিছু ছবি পাঠিয়েছেন। আজ প্রকাশিত হচ্ছে দ্বিতীয় পর্ব। প্রথম পর্ব দেখুন এখানে

পূর্ণাকারে দেখতে ছবিগুলোর ওপরে ক্লিক করতে হবে।

পুতিন, মেদভেদেভ, যিশু এক কাতারে

শিশুদের মগজধোলাই চলছে পুরোদমে

ধর্মীয় রিচ্যুয়ালের নামে বরফগলা পানিতে শিশুকে চোবানো

পাতাল রেলে

ধর্মকে গার্ড অভ অনার?

দাঁড়িপাল্লার ঝাড়ি - ০৯


লিখেছেন দাঁড়িপাল্লা

২৫.
বাংলাদেশে মুসলমান ছাড়া অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মানুনুভোদা নাই; তাগো খালি "পূর্ণিমা" আছে।

২৬.
হাদিসে (মুসলিম ৪১৪৩) আছে - সূলায়মান এক রাইতে ৯০ জন বিবির লগে সেক্স করেন এই আশায় যে, প্রতিটা বিবি এমন অশ্বারোহী সৈনিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন পুত্রসন্তান জন্ম দেবে, যারা কিনা ভবিষ্যতে আল্যার পথে জিহাদ করবে। একজন সূলায়মানরে উপদেশ দিল সেক্সের আগে ইনশাল্যা কইয়া তারপর লাগাইতে। সূলায়মান ইনশাল্যা কয় নাই। ফলে তার একটা মাত্র বিবি একটা মাত্র সন্তান প্রসব করে, তাও কিনা অপূর্ণাঙ্গ। বাকি বিবিদের কোনো সন্তান হয় নাই। হাদিসে আল্যার নামে কসম খাইয়া পর্যন্ত বলা হইতেছে যে, ইনশাল্যা কইলে নাকি পুত্র সন্তান হইত, এবং পরে তারা অশ্বারোহী সৈনিক হয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করতো।

সামবেদীয় দশসংস্কারের গর্ভধারণ পর্বে বলা আছে - পুত্রসন্তান লাভের জন্য ওঁ দীর্ঘায়ুষং বংশধরং পুত্রং জনয় সুব্রতে অর্থাৎ হে সুব্রত, তুমি দীর্ঘায়ু ও বংশধর পুত্র প্রসব কর, এই মন্ত্র পাঠ কইরা সেক্স করতে হয়।

বিয়ার সাথে (বিশেষ কইরা পুত্রসন্তান) বিয়ানোর এমন গভীর সম্পর্ক দেইখা বিয়া নামক জিনিসটার প্রতি ঘৃণা ধইরা গেছে।

২৭.
প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়া মাত্রই পরীক্ষার্থীরা যেমন দেখে প্রশ্ন কমন পড়ছে কি না, ঠিক তেমনি দুই বা ততোধিক আস্তিক এক হলেই দেখে তাদের মধ্যে ধর্ম কমন পড়ছে কি না। ধর্ম কমন পড়লেও পড়তে পারে, তবে তাদের মধ্যে কোনোদিনও কমনসেন্স কমন পড়ে না।

সবাক সাপ ও আরও একটি পোস্টার




বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৪

নাস্তিকদের কটূক্তির দাঁতভাঙা জবাব - ১১


লিখেছেন অ বিষ শ্বাসী

আসুন, নাস্তিকদের কটূক্তির বিরুদ্ধে দাঁতভাঙা জবাব দেই...


কটূক্তি ২১:
ইসলামকে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ও পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা বলা হয়। তারমানে দাসপ্রথা চিরকালের জন্য প্রযোজ্য?

দাঁত ভাঙা জবাব:
দেখুন, ইসলাম একটা মানবিক ধর্ম। দাসপ্রথা নিষিদ্ধ করা হয়নি তৎকালীন সময়ের প্রেক্ষাপটে। কিন্তু ইসলামে ইজমা-কিয়াসের বিধান রাখা হয়েছে অর্থাৎ যে কোনো প্রথা রহিত করা সম্ভব...


কটূক্তি ২২:
তাহলে ইজমা কিয়াসের মাধ্যমে উত্তরাধিকার সম্পত্তিতে কন্যা শিশুদের সমান অধিকার প্রশ্নে মুসলিমরা সম্মত হচ্ছে না কেন?

দাঁত ভাঙা জবাব:
দেখুন, ইসলাম একটি নিখুঁত ও পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। মানবজাতির সার্বিক কল্যাণে এই জীবনবিধান তৈরি করা হয়েছে। মূলত ইসলাম নারীদের দিয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান। কিন্তু আপনারা ক্ষুদ্র জাগতিক স্বার্থে আপনি আল্লাহর আইন ভঙ্গ করতে চান, এটা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়...

[বি.দ্র. কটূক্তির বদলে দাঁত ভাঙা জবাব গুলো আমার নয়। বিভিন্ন সময়ে ভার্চুয়াল মুমিনগণ যে জবাব দিয়েছেন তা কপি করে ছড়িয়ে দিচ্ছি শুধু। আপনারাও সবাই শেয়ার করে নাস্তিকদের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে জবাব দিন, ঈমান পোক্ত করুন...]

ধর্মযুদ্ধের কারণ



পাঁচ ফোড়ন - ০৮


লিখেছেন সাদিয়া সুমি

৩৬.
নিজ কন্যাকে মোহাম্মদ বিয়ে দিয়েছিলেন আপন চাচাত ভাই আলীর সাথে। এটা কোনো সুস্থ মানুষের কাজ? বলুন।

৩৭.
ইসলামধর্মে পীর, মুরিদ, আল্লামা, মাওলানা বলে কিছু নেই। এগুলো সব ভুয়া ও জাল। ইসলামধর্মে কেবল আল্লাহ ও তার নবী ছাড়া অন্য কোনোকিছুকে মানা যাবে না, এ জন্য শুধু কুরআন ও হাদিস অনুসরণ করতে হবে।

যারা পীর ও মাওলানা মানে, তারা সবাই ইসলামের সংজ্ঞানুযায়ী অমুসলিম। কেউ মুসলিম থেকে অমুসলিম হয়ে গেলে তাকে হত্যা করা উচিত, সহিহ বুখারিতে লেখা।

তাহলে আহমদ শফি ওরফে তেতুল হুজুর ও তার মুরিদরা কী? তাদের কী করা উচিত?

৩৮.
আমাদের নবীজীকে যদি একটা ল্যাপটপ গিফট করা হতো, তবে তিনি সেটা ভয়ে আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলে দিতেন। তারপর বলতেন 'ওটা শয়তানের আছর'।

৩৯.
আল্লাহ কোরানে বলেছেন, কিয়ামতের পর মৃত ব্যক্তিদের তিনি কবর থেকে উত্থিত করে তাদের পুনর্জীবিত করবেন। তারপর তাদের বিচার করবেন। যারা চিতায় পুড়েছেন, সমুদ্রে ডুবে মরেছেন, বাঘ কুমিরের পেটে গিয়ে মরেছেন, আগুনে বা পারমানবিক বোমায় পুড়ে মরেছেন - তাদের তো আর কোনো কবর হয়নি। তাই এরা ঐ নিষ্ঠুর বিচারের হাত থেকে বেঁচে যাবেন। সুতরাং হিন্দু ও বৌদ্ধ ভাইয়েরা আপনারা নিশ্চিন্তে জীবনকে উপভোগ করতে থাকুন। কারণ আপনাদের শেষ বিচার হবে না এবং দোজখে যাবার কোনো প্রকার সম্ভাবনা নেই।

৪০.
ঈশ্বর যদি সত্যি সত্যি থাকতেন তাকে অবিশ্বাস করার ধৃষ্টতা কখনোই দেখাতাম না আমি। তিনি আছেন অথচ তাঁকে নিয়ে তামাশা করছি, নিশ্চয় অতটা গর্দভ এখনো হইনি।

টুপি-পরা loopy যতো - ০৩



ইসলামী ইতরামি


১. 
কোরানে (সুরা ৫, আয়াত ৩৮) স্পষ্টভাবে লেখা আছে চুরির অপরাধে চোরের হাত কেটে নেয়ার বিধান। এই আইনের সাম্প্রতিক একটি প্রয়োগ চৌদি আজবে।

২.
সমকামী ইমামের সংখ্যা পৃথিবীতে অগণ্য। তবে তাদের ক'জন সেটা মুখে স্বীকার করে? আমেরিকার এক ইমাম করেছে

৩.
চৌদি আজবের ঘটনা। এক ছিলো ছহীহ মুছলিম। তার ছিলো চার বিবি। একদিন আরেকটা বিবাহের খায়েশ হলো তার। কিন্তু খাছ মুছলিমের অধিকার তো নেই পাঁচ বিবি ঘরে রাখার! কী করবে সে? তাই সে স্থির করলো, এক বিবিকে তালাক দেবে । কিন্তু চারের ভেতর এক স্থির করা কি সহজ কথা? সে তো সব বিবিকেই সমান মহব্বত করে। তাই সে লটারি করার সিদ্ধান্ত নিলো।

৪.
ভারতের হায়দারাবাদে এক পুলিশ ইন্সপেক্টর স্থানীয় পাবলিক পার্কে প্রেমরত জুটিদের ধরে ওঠ-বস করিয়েছে। সমর্থনের অযোগ্য এই ঘটনাটি অবশ্য ভিন্ন একটি কারণে তাৎপর্যপূর্ণ। খবরে এমবেড করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শাস্তিপ্রাপ্তদের বেশ কয়েকজন বোরখা ও হিজাব পরিহিতা।

৫.
মাত্র ছয় বছর বয়সী এক মেয়ে এক জামে মসজিদের ইমামের যৌন হয়রানীর (বা বলা চলে - ইমামদোবাজীর) শিকার হয়েছে। স্বীকার করতেই হয়, নবীজির খাছ উম্মত সে! তবে আদালত তাকে কারাদণ্ড দিয়েছে তার খাড়াদণ্ডের কারণে।

৬.
ইছলামের বীর যোদ্ধারা ইয়েমেনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাধা সৃষ্টিকারী ৫২ জন ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। বলুন, আলহামদুলিল্যা।

৭.
৭০ বছর বয়সী চৌদি ইমাম ৮ বছর বয়সী শিশুবালিকাকে ধর্ষণ করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছে। 

৮.
ইছলামী স্কুলের হেডমাস্টার-মোল্লা আল্যার ওয়াস্তে তার ছাত্রীদের ধর্ষণ করে আসছিল দীর্ঘ দিন ধরে। ঘটনা ঘানায়।

৯.

১০.
ইছলামময় কুয়ালালামপুর শহরে যতো ম্যাসাজ পার্লার ও দেহব্যবসায়ী আছে, ততো নেই ইহুদি-নাছারাময় সিডনি, মেলবোর্ন ও লন্ডন নামের তিনটি শহর মিলেও।

১১.
ইছলামে জোর-জবরদস্তি বলে কিছু নেই, আর তাই নামাজ না পড়ার অভিযোগে সন্তানদের প্রহার করাটা নিশ্চয়ই জোর-জবরদস্তির মধ্যে পড়ে না। অথচ এক মুছলিম দম্পতি শরিয়াসম্মত এই কর্মটি করে এখন আইনের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে নাস্তেকপ্রধান দেশ সুইডেনে। নাস্তেকরা নিপাত যাক!

১২.
মেয়েদেরকে বোরখা পরিয়েও মোমিনেরা নিজেদের কাম দমনে কামিয়াব হতে পারছে না পুরোপুরি। কারণ মেয়েরা দোলনায় দুললে আন্দোলিত হয়ে উঠছে মোমিনীয় ঈমানদণ্ড। ঘটনা চৌদি আজবে।

১৩.
ইছলামী নীতি অনুযায়ী, চাহিবামাত্র স্ত্রী তার স্বামীকে দিতে বাধ্য থাকিবে। যেহেতু স্ত্রীর নিজস্ব মতামত, ইচ্ছে ও শারীরিক প্রস্তুতির বিষয়গুলো ধর্তব্যের মধ্যেই পড়ে না, ফলে সংজ্ঞানুসারেই স্বামীর পক্ষে স্ত্রী-ধর্ষণ কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তাই দাম্পত্য-ধর্ষণ বিষয়ক বিলে ভেটো দিয়ে ছহীহ কর্মটিই করেছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট।

১৪.
ব্রিটেনের জনসংখ্যার শতকরা ৪.৬ ভাগ মুছলিম। তবে শিশুধর্ষণ ও শিশু-নির্যাতনের দায়ে অভিযুক্তদের ৯৫ শতাংশই মুছলিম!

(ওপরের সংবাদগুলো টাটকা নয়, আগে ফেসবুকে প্রকাশিত। তবে আর্কাইভজাত করে রাখতে এখানে আবার প্রকাশ করা হলো।)

আমাদের আত্মীয়েরা – ৬৩




মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৪

পিপীলিকারও কি ধর্মানুভূতি আছে?


গুগল, বিং ও ইয়াহু তো বটেই, এমনকি Lycos, Gigablast-এর মতো বিজাতীয় সার্চ এঞ্জিনে বাংলা বা ইংরেজিতে 'ধর্মকারী' ভুল বানানে (ধর্মকারি, dhormokari, dharmokery ইত্যাদি) লিখে খোঁজ লাগালেও একেবারে শুরুতেই ধর্মকারীর লিংক দেখায়। অথচ বাংলাদেশের প্রথম এবং পূর্ণাঙ্গ সার্চ এঞ্জিন হিসেবে কথিত পিপীলিকার চোখে বাংলা ব্লগ ধর্মকারী ধরা পড়ে না। 

পিপীলিকা চালু হবার পরপরই কৌতূহলবশে 'ধর্মকারী' লিখে খোঁজ লাগিয়ে হতাশ হয়েছিলাম। বিভিন্ন ব্লগে-পত্রিকায় ধর্মকারীর নাম উল্লেখের লিংক তাতে পেছিলাম বটে, তবে ধর্মকারীর কোনও লিংক ছিলো না। 'সবে চালু করেছে এঞ্জিনটি, এখনও হয়তো সব সাইট ইনডেক্সভুক্ত করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি' ভেবে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করলাম একটা বছর। না, ধর্মকারীর নাম ওখানে ঢোকেনি এখনও। খুঁজলাম 'চুতরাপাতা' ও 'ধর্মলিকস' নামের আরও দু'টি ধর্মবিরোধী ব্লগ। না, সেগুলোও নেই। 

তবে 'সবুজ বাংলা' আর 'সদালাপ'-এর মতো ছাগুবান্ধব ব্লগগুলোর লিংক পিপীলিকা পিলপিল করে সরবরাহ করছে। মনে হচ্ছে, পিপীলিকা একটি ছাগুবান্ধব ছহীহ ছার্চ এঞ্জিন।

পিপীলিকা নিজেকে পূর্ণাঙ্গ বলে দাবি করলেও সার্চ এঞ্জিনের জন্য সবচেয়ে জরুরি অঙ্গ চোখেই তার সমস্যা। সে স্পষ্টতই একচোখা। তবে তার ঈমানদণ্ড মমিনদেরটার মতোই স্পর্শকাতর বলেই বোধ হয়।

এ থেকে আমরা কী বুঝবো? পিপীলিকারও কি ধর্মানুভূতি আছে?

এক জোড়া পোস্টার


পাঠিয়েছেন ডিউক আকিতা



কাসুন্দিমন্থন - ১৩


(ধর্মকারীর নতুন পাঠকদের কথা ভেবে নির্বাচিত কিছু পুরনো পোস্ট পুনঃপ্রকাশ করা হবে এই সিরিজে)


১. ঈশ্বর হচ্ছে বিশাল এক... (আহেম!)

জীবনের উৎস অনুসন্ধান করতে গিয়ে পাওয়া গেল ঈশ্বরের আসল পরিচয়। মাত্র দেড় মিনিটের হাহাপগে ভিডিও। 

ভিডিও লিংক: http://youtu.be/YwBTo0LjIs0

প্রথম প্রকাশ: ১২.০১.১০

২. ধর্মাতুল কৌতুকিম – ০৫

১৩.
– উটকে মরুভূমির জাহাজ বলা হয় কেন?
– কারণ উটের ভেতরে আছে আরবীয় সি-মেন (semen)।

১৪.
মোল্লা বক্তৃতা দিচ্ছে:
– সেক্সের মতো বাজে ব্যাপার আর নেই। আনন্দ এক ঘণ্টার, তবে কলঙ্ক সারাটা জীবনের।
দর্শকদের ভেতর থেকে এক যুবকের প্রশ্ন:
– আনন্দ এক ঘণ্টা দীর্ঘ করার উপায় কী?

১৫.
– ইলেকট্রিক বাল্ব বদলাতে ক'জন নাস্তিক প্রয়োজন?
– দু'জন। একজন বাল্ব বদলাবে, আর অন্যজন সেই দৃশ্যটি ভিডিও করবে, যাতে ধর্মবিশ্বাসীরা এসে পুরো কৃতিত্ব আল্লাহকে দিতে না পারে।

প্রথম প্রকাশ: ০৬.০১.১০

ধর্ম কাহাকে বলে



বড়ো হরফে লেখা: ধর্ম; পেছনে - থিয়েটার, ক্লাব, পাইওনিয়ার হাউস, প্ল্যানেটোরিয়াম
(প্রেরক ও অনুবাদক: মোকাম্মেল)

বৌদ্ধশাস্ত্রে পুরুষতন্ত্র: নারীরা হল উন্মুক্ত মলের মতো দুর্গন্ধযুক্ত - ১১


লিখেছেন নিলয় নীল 

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬ > পর্ব ৭ > পর্ব ৮ > পর্ব ৯ > পর্ব ১০

ওপরের বিভিন্ন জায়গায় বৌদ্ধশাস্ত্র পাঠ করার সময় বোধিসত্ত্ব কথাটা চলে এসেছে। বোধিসত্ত্ব কথাটা বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন মনে করছি। বোধিসত্ত্ব শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে, বুদ্ধত্ব (শাশ্বত জ্ঞান) প্রাপ্তিই যাঁর ভবিতব্য অর্থাৎ যিনি বোধিলাভ করার জন্যই জগতে আবির্ভূত হয়েছেন। বৌদ্ধধর্মের বিভিন্ন শাখায় বোধিসত্ত্বের বহুবিধ ব্যাখ্যা থাকলেও মহাযান বৌদ্ধধর্ম মতে বোধিসত্ত্ব হলেন তিনিই, যিনি জগতের কল্যাণের জন্য স্বয়ং নির্বাণলাভ থেকে বিরত থাকেন এবং বিশ্বের সকল জীবের মুক্তিলাভের উপায় করেন।

বোধিসত্ত্বের চিত্র - ০১ (ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত)

ত্রিপিটকে পালি ভাষায় বোধিসত্ত্ব শব্দটির প্রথম ব্যবহার করেছিলেন শাক্যমুনি বুদ্ধ। বোধিসত্ত্ব শব্দটি দ্বারা তিনি তাঁর পূর্বজন্মের অবস্থা থেকে বোধিলাভ করার পূর্ববর্তী সময় পর্যন্ত জীবনকে বুঝিয়েছিলেন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে তাঁর পূর্বজন্মের কাহিনী ব্যক্ত করতে গিয়ে গৌতম বুদ্ধ বোধিসত্ত্ব শব্দটির প্রয়োগ করেছেন। অর্থাৎ এখান থেকে অনুধাবন করা যায় যে, বোধিসত্ত্ব হলেন তিনিই, যাঁর জীবনের একমাত্র ব্রতই হল বোধিলাভ।

বোধিসত্ত্বের চিত্র - ০২ (ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত)

বুদ্ধের বোধিসত্ত্বাবস্থার এই সকল কাহিনী বর্ণিত হয়েছে জাতকে। মহাযান বৌদ্ধধর্মানুসারে একজন বোধিসত্ত্ব হলেন তিনিই, যিনি বুদ্ধত্বলাভের প্রায় প্রতিটি স্তরই উত্তীর্ণ হয়েছেন। তিনি স্বয়ং পরম জ্ঞান লাভ করেছেন এবং সেই শাশ্বত বোধের আলোকে প্রতিটি জীবকে আলোকিত করছেন ও তাদের রক্ষার্থ জীবন উৎসর্গ করেছেন।

বোধিসত্ত্বের চিত্র – ০৩ (ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত)

আবার আসি নারী প্রসঙ্গে - কোনো বিশেষ নারী নয়, নির্বিশেষে সকল নারীই ব্যভিচারিণী, নাহ্, এটা আমার কথা নয়, বলেছেন স্বয়ং বোধিসত্ত্ব যার সম্পর্কে এতো সময় বর্ণনা করলাম। সকল নারীই যে ব্যভিচারিণী এই বিষয়ে আলোচনা করবো ১৪৫ নম্বর জাতক, যার নাম রাধ জাতক। এই জাতকের অতীতবস্তুতে ব্যভিচারিণী ব্রাহ্মণীকে ব্রাহ্মণ বাধা দিতে গেলে বোধিসত্ত্ব বলেন, “ভাই তুমি নিতান্তই অবোধ, কিছুই বুঝো না, তাই এইরূপ বলিতেছো। রমণীদের সঙ্গে সঙ্গে বহন করিয়া লইয়া বেড়াইলেও রক্ষা করিতে পারা যায় না।” এরপর বোধিসত্ত্ব নিম্নোক্ত গাথাটি বলেন:
তুমি নাহি জান আরও কতো জন
না হইতে অর্ধ রাত্রী দিবে দর্শন!
নিতান্ত অবোধ তুমি, তাহারই কারণ
বলিলে করিতে মোরে অসাধ্য সাধন।
কামিনীর কুপ্রবৃত্তি, পতিভক্তি বিনা
দমিতে যে পারে কেহ, আমি তো দেখিনা।
কিন্তু সেই পতিভক্তি, হায় হায় হায়
নারীর হৃদয়ে কিছু নাহি দেখা যায়। 
(চলবে)

নির্ধার্মিক মনীষীরা – ৯০


পাঠিয়েছেন অহম


সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৪

হরর হাদিস - ১০


কথায় কথায় জ্বালাও-পোড়াও-হত্যা করো জাতীয় মুসলিম ঐতিহ্যকে অনেকেই 'ইহা ছহীহ ইছলাম নহে' বলে এড়িয়ে চলতে ব্যগ্র। তাহলে দেখা যাক, ইছলামের নবীর জঙ্গিত্ব কতোটা, কতোটা সে উগ্রবাদী। 

আমরা সকলেই জানি, ইছলামে জোরাজুরির স্থান নেই। আর তাই শান্তির ধর্মের শান্তিকামী নবী শান্তির বাণী বর্ষণ করে বলেছে, যারা নামাজে আসেনি, তাদের পুড়িয়ে মারো, আগুন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দাও তাদের বাড়িঘর। 
Narated By Abu Huraira: 
The Prophet said, "No prayer is harder for the hypocrites than the Fajr and the 'Isha' prayers and if they knew the reward for these prayers at their respective times, they would certainly present themselves (in the mosques) even if they had to crawl." The Prophet added, "Certainly I decided to order the Mu'adh-dhin (call-maker) to pronounce Iqama and order a man to lead the prayer and then take a fire flame to burn all those who had not left their houses so far for the prayer along with their houses."
Sahih Bukhari Volume 001, Book 011, Hadith Number 626.

আবার আরেকটি হাদিসে নবীজি বলছে, "আগুন দ্বারা শাস্তি দেওয়া আল্লাহ তাআলা ব্যতীত অন্য কারো জন্য সমীচিন নয়।" ক্যামনে কী!
কুতাইবা ইবনু সাঈদ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে কোন এক অভিযানে প্রেরণ করেন এবং বলেন, ‘তোমরা যদি অমুক ও অমুক ব্যাক্তিকে পাও, তবে তাদের উভয়কে আগুনে জ্বালিয়ে দিবে। ’ তারপর আমরা যখন বের হতে চাইলাম, তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘কিন্তু আগুন দ্বারা শাস্তি দেওয়া আল্লাহ তাআলা ব্যতীত অন্য কারো জন্য সমীচিন নয়। কাজেই তোমরা যদি তাদের উভয়কে পেয়ে যাও, তবে তাদেরকে হত্যা কর। ’
গ্রন্থ: সহীহ বুখারি, অধ্যায়: জিহাদ, হাদিস নাম্বার: ২৮০৭

দুষ্টু যাজিকারা - ০৮




ডারউইনের আত্মজীবনী, বাংলায়


ভগবানেশ্বরাল্লাহ সবচেয়ে বড়ো ভুলটি করেছিল ডারউইনকে সৃষ্টি করে। এই ডারউইনই যে তাঁর স্রষ্টার অস্তিত্বহীনতার সপক্ষে সবচেয়ে বড়ো যুক্তিটি দাঁড় করাবে, সে ব্যাপারে সর্বক্ষমতাবান ও সর্বজ্ঞ ভগবানেশ্বরাল্লাহ অজ্ঞ ছিলো নিশ্চয়ই। নইলে এভাবে নিজের আরশে কেউ নিজ হাতে কুড়াল মারে!

তো বিশ্বের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্মবিধ্বংসী তত্ত্ব-প্রমাণের দাখিলদার সেই ডারউইনের লেখা আত্মজীবনীর বাংলা অনুবাদ (নেটে কুড়িয়ে পাওয়া) পড়তে উৎসাহীরা দলে দলে ক্লিক করে অশেষ বিবর্তনী ছওয়াব হাছিল করুন।

ফরম্যাট: পিডিএফ
সাইজ: ৩.৪ মেগাবাইট

প্রক্সি ব্যবহারকারীদের জন্য: http://goo.gl/z81sQa

ফাল দিয়া ওঠা কথা - ০৬


লিখেছেন ধর্মবিদ দেশী

১৫.
একসময় সবাই মানুষ ছিল।
তারপর ঈশ্বরের আবির্ভাব হল; মানুষ হয়ে গেল হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, ইহুদি, শিখ...

১৬.
সক্রেটিসকে বিষ দেওয়া হয়েছিল,
ব্রুনোকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল,
হাইপেশিয়ার দেহকে নৃশংসভাবে টুকরো টুকরো করা হয়েছিল,
গ্যালিলিওকে নির্বাসন দেওয়া হয়েছিল,
আরজ আলী মাতুব্বরের নামে মামলা করা হয়েছিল,
হুমায়ুন আজাদকে কোপানো হয়েছিল,
তসলিমা নাসরিনকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে;

এত হত্যা, নির্যাতন, নিষ্ঠুরতা দিয়েও মুক্তচিন্তার মানুষদের নাম মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি, তাদের চিন্তা-চেতনা ধ্বংস করা সম্ভব হয়নি। বরং মৌলবাদী, নিপীড়নকারীরাই মুছে গেছে ইতিহাসের পাতা থেকে।

সত্য কথা বলার জন্য কাউকে হত্যা করতে হয় না, হুমকি দিতে হয় না, স্বীকার করার জন্য কাউকে বাধ্য করতে হয় না।

কিন্তু ধর্ম টিকিয়ে রাখার জন্য হত্যা করতে হয়, নিপীড়ন করতে হয়, মানুষের কণ্ঠরোধ করতে হয়। কারণ, ধর্ম মিথ্যার ওপর প্রতিষ্ঠিত।

১৭.
- এই মহাবিশ্ব সৃষ্টির সমস্ত উত্তর না জেনেই আপনি কিভাবে ঈশ্বরকে অস্বীকার করেন?
- যেভাবে ক্যান্সারের প্রতিষেধক সম্পর্ক কিছু না জেনেও কবিরাজদের কথিত ক্যান্সারের মহৌষধগুলো ভুয়া বলে উড়িয়ে দিতে পারি।

আমার বোরখা-ফেটিশ – ৯২


ইছলামী প্লেবয়

নিনজা ট্রেনিং স্কুল