মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০১৪

চিত্রপঞ্চক - ৮০







সুন্নতক্ষুণ্ণ গিন্নি


লিখেছেন Densa Eagle

আব্বা মসজিদ থেকে আসার পর তাকে বললাম:
- আব্বা, দাড়ি কাট না কেন? তোমার কাঁচাপাকা দাড়ি দেখে আম্মা তোমাকে কিছু বলে না?

পাশে বসা আম্মা বলল:
- দাড়ি রাখা সুন্নত। তোর আব্বুকে বিয়ের পর থেকে বলছি দাড়ি রাখতে, কিন্তু রাখে নাই। এবার রমজান মাসে কী মনে করে দাড়ি রেখে দিল। সবই আল্লার ইচ্ছা।

আমি বললাম:
- আব্বা, তোমার বিয়ের দাওয়াত কবে খাচ্ছি?

আব্বা এই কথা শুনে মিটিমিটি হাসছে, কিছু বলছে না। 

ইতিমধ্যে আম্মা রণমূর্তি ধারণ করে বলে:
- দেখছ, তোমার মাইয়ার কথা বার্তার স্যাম্পল? 

আব্বা বলে:
- এত দেখাদেখির কী আছে? মাইয়া আমার ভুল কিছু বলে নাই। সুন্নত পালন করলে সবই করব। চারটা বিয়েও করব। এর মাঝে আবার কচি বালিকাও রাখব। হুম।

আব্বা বলে আর আমি হেসে ফ্লোরে গড়াগড়ি দিই।
হো...হো...হো...হো...

আম্মা কপাল চাপড়াতে চাপড়াতে বলে:
- তোমার সুন্নতের খেতা পুড়ি। এখন গিয়ে শেইভ করে আস। সুন্নত তোমার পালন করা লাগবে না। খাওয়ার টেবিলে যদি ক্লিন শেইভড না দেখি, তাহলে বাপ-বেটি দুইজনেরই ভাত বন্ধ, মনে রাইখ।

আমি ভাবি: আমি আবার কী করলাম!

আল্যার আদেশ ও মুছলিমেরা


আল্যাফাক এরশাদ করিয়াছেন (বাম থেকে ডানে পড়ুন):

আর তাই:

কুরানে বিগ্যান (পর্ব-৪৪): ‘সিরাত রাসুল আল্লাহ’ ও মুহাম্মদ ইবনে ইশাক: ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – সতের


লিখেছেন গোলাপ

পর্ব ০১ > পর্ব ০২ > পর্ব ০৩ > পর্ব ০৪ > পর্ব ০৫ > পর্ব ০৬ > পর্ব ০৭ > পর্ব ০৮ > পর্ব ০৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০ > পর্ব ২১ > পর্ব ২২ > পর্ব ২৩ > পর্ব ২৪ > পর্ব ২৫ > পর্ব ২৬ > পর্ব ২৭ > পর্ব ২৮ > পর্ব ২৯ > পর্ব ৩০ > পর্ব ৩১ > পর্ব ৩২ > পর্ব ৩৩ > পর্ব ৩৪ > পর্ব ৩৫ > পর্ব ৩৬ > পর্ব ৩৭ > পর্ব ৩৮ > পর্ব ৩৯ > পর্ব ৪০ > পর্ব ৪১ > পর্ব ৪২ > পর্ব ৪৩

পৃথিবীর প্রায় সকল তথাকথিত মডারেট মুসলমান (ইসলামে কোন কোমল, মডারেট বা মৌলবাদী শ্রেণীবিভাগ নেই) গভীরভাবে বিশ্বাস করেন যে, স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁর জীবনে অবিশ্বাসী কাফেরদের বিরুদ্ধে যতগুলো যুদ্ধ-বিগ্রহ করেছেন তাঁর সমস্তই ছিল আত্মরক্ষামূলক। আক্রান্ত না হয়ে তিনি কাউকেই আক্রমণ করেননি। বিশেষ করে অতি-বৃদ্ধ, নারী ও দুর্বলদের বিরুদ্ধে তো নয়ই!

আদি ও বিশিষ্ট মুসলমানদেরই লিখিত ইতিহাসের পর্যালোচনায় আমরা জানতে পারি যে, ইসলামের হাজারও অতিকথার মতো তাঁদের এই বিশ্বাসেরও কোনো সত্যতা নেই। তাঁদের এই বিশ্বাস যে নিবেদিতপ্রাণ ইসলাম-বিশ্বাসীদের শত শত বছরের "ইসলামী মিথ্যাচার, চাতুরী ও প্রচারণার বাস্তব ফসল” তা বোঝা যায় মুহাম্মদের মৃত্যুপরবর্তী সময়ের সবচেয়ে আদি ও বিশিষ্ট ইসলাম-বিশ্বাসী ও অনুসারীদের লিখিত ইতিহাসের পর্যালোচনায়। আমরা জানতে পারি, তাঁদের ঐ দাবি ও বিশ্বাসের সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র।

আদি উৎসের এ সকল বর্ণনা মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের শৌর্যবীর্য ও ক্ষমতার উপাখ্যানের হিসাবে বর্ণিত হয়েছে। তাঁদের পক্ষে ধারণা করাও সম্ভব ছিল না যে, তাঁদের লিখিত এই ঘটনাগুলো শত শত বছর পরে মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের নৃশংস সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের “উল্লেখযোগ্য দলিল" হিসাবে বিশ্ববাসীর কাছে প্রতিপাদ্য হবে।

মুহাম্মদের জীবনের “সর্বপ্রথম পুর্ণাঙ্গ জীবনীগ্রন্থ”:

বইটি লিখেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইশাক ইবনে ইয়াসার (৭০৪-৭৬৮ খৃষ্টাব্দ), আর তা লেখা হয়েছে মুহাম্মদের মৃত্যুর পর নিরবিচ্ছিন্ন (Continuous) মুহাম্মদ-অনুসারী মুসলিম শাসন আমলের প্রায় ১১০ বছর পর। আর হাদিস সংকলন ও লিপিবদ্ধ করা শুরু হয়েছে এরও ৯০ বছরের অধিক পর; মুহাম্মদের মৃত্যুর পর নিরবিচ্ছিন্ন মুসলিম শাসন আমলের ২০০ বছেরেরও অধিক পরে।

মুহাম্মদ ইবনে ইশাক ইবনে ইয়াসারের জন্ম হিজরি ৮৫ সালে, মদিনায়। তিনি মৃত্যুবরণ করেন হিজরি ১৫১ সালে, বাগদাদে। তিনি ছিলেন তৃতীয় প্রজন্মের ইসলামে নিবেদিতপ্রাণ বিশিষ্ট মুসলিম স্কলার।

তাঁর দাদা ইয়াসার বিন খেয়ার-কে খালিদ বিন ওয়ালিদ হিজরি ১২ সালে [৬৩৩ সাল] 'আয়েনুল তামীর [Aynu'l Tamir]' দখল করার পর ইরাক থেকে বন্দী করে অন্যান্য বন্দীদের সাথে মদিনায় খলিফা আবু বকরের কাছে পাঠিয়ে দেন। মদিনায় তাঁকে দাস হিসাবে কেয়াস বিন মাখরামা বিন আল-মুত্তালিব বিন আবদ-মানাফ নামক এক ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাঁর মুক্তি মেলে ইসলাম গ্রহণের মাধ্যমে। [1]

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের বাবা ইশাক বিন ইয়াসার এর জন্ম হয় হিজরি ৫০ সালে। তাঁর বাবা এবং চাচা মুসা বিন ইয়াসার ছিলেন তৎকালীন সুপরিচিত মুহাদ্দিস। পারিবারিক শিক্ষা ও পরিবেশে মুহাম্মদ ইবনে ইশাক অল্প বয়সেই নিজেকে ইসলামিক স্কলার হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি দ্বিতীয় প্রজন্মের বিশিষ্ট মুহাদ্দিসগণদের সাথে সংযুক্ত ছিলেন, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন মুহাম্মদ ইবনে শিহাব আল-জুহরী [মৃত্যু ৭৪২ সাল], আসিম বিন উমর বিন কাতাদা এবং আবদুল্লাহ বিন আবু বকর।

৭৩৭ খৃষ্টাব্দে ইয়াজিদ বিন হাবিবের কাছে শিক্ষাগ্রহণের জন্য মুহাম্মদ ইবনে ইশাক মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায় গমন করেন। পরবর্তীতে এই ইয়াজিদ বিন হাবিবই ইবনে ইশাক-কে বিশেষজ্ঞ জ্ঞানে তাঁর উদ্ধৃতি ব্যবহার করতেন।

এক কিংবা দুই বছর পর তিনি মদিনায় ফেরত আসেন। কিন্তু তিনি আবার মদিনা ছাড়তে বাধ্য হন, সম্ভবত, মালিক বিন আনাসের শত্রুতার কারণে (যদিও এই কারণটির ব্যাপারে মতভেদ আছে); তারপর তিনি বেশ কিছু বছর যাবত কুফা, বসরা, রেয় (Ray) সহ বিভিন্ন স্থানে শিক্ষাদান করেন। তিনি, সম্ভবত, ৭৬৩ সালে বাগদাদে স্থায়ী হন। সেখানেই তিনি আনুমানিক ৭৬৮ সালে মৃত্যু বরণ করেন।

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের রচিত মুহাম্মদের জীবনের “সর্বপ্রথম পুর্ণাঙ্গ জীবনীগ্রন্থ” বইটির আগে মুহাম্মদের জীবনের ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা সংক্রান্ত লেখার’, যার অধিকাংশই লুণ্ঠন ও আক্রমণ (Raid/Maghazi) বিষয়ক, যে ইতিহাস পাওয়া যায়, তা কালের গর্ভে হারিয়ে গিয়েছে

তাই এই বইটিই মুহাম্মদ ইবনে ইশাক পরবর্তী ইসলাম ইতিহাসবিদদের লিখিত মুহাম্মদের জীবনীগ্রন্থের “মূল রেফারেন্স”। [2][3]

"মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের মূল পাণ্ডুলিপিটি হারিয়ে গিয়েছে।"

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের মূল পাণ্ডুলিপিটি হারিয়ে গিয়েছে, যা তিনি লিপিবদ্ধ করেছিলেন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের বিভিন্ন ঘটনার মৌখিক বর্ণনা [Oral tradition] বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে সংগ্রহের মাধ্যমে।

“মূল পাণ্ডুলিপিটি হারিয়ে গিয়েছে”, এই তথ্যটিকে পুঁজি করে ডিজিটাল যুগের তথাকথিত ইসলাম পণ্ডিত ও সুবিধাবাদীরা ঘোষণা দেন যে, মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের এই বিপুলায়তন গবেষণালব্ধ বইটি গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁরা বিভ্রান্ত করেন সাধারণ মুসলমানদের।

সত্য হচ্ছে, যে-কারণে এই সুবিধাবাদীরা মুহাম্মদের জীবনের নেতিবাচক হাদিস অথবা "সম্পূর্ণ হাদিস-গ্রন্থকেই" অস্বীকার করেন (Quran only Muslim), সেই একই কারণে তাঁরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের ‘সিরাত’-কেও অস্বীকার করেন। মুহাম্মদের জীবনের কোনো নেতিবাচক ইতিহাসকেই তাঁরা সঙ্গত কারণেই গ্রহণ করতে অসমর্থ। ইসলামের একান্ত প্রাথমিক ও আবশ্যিক শর্ত অনুযায়ী তাঁরা একেবারেই অসহায় (বিস্তারিত দশম পর্বে)! ইসলামী পরিভাষায় যার নাম আল ওয়ালা ওয়াল বারা (Al wala wal Bara)। [4]

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের বিপুলায়তন গবেষণালব্ধ লেখাগুলো বর্তমান যুগের বইয়ের মত গ্রন্থ আকারে প্রকাশিত হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায় না। লিখাগুলোর অনুলিপি (Copy) ও তাঁর দেয়া শ্রুতলিপি (Dictation) সংরক্ষণ করেছিলেন তাঁর কিছু ছাত্র। পরবর্তীতে তাঁদের কাছ থেকে সংকলন করে ইসলামে নিবেদিত অন্যান্য বিশিষ্ট মুসলিম স্কলাররা তা বই আকারে প্রকাশ করেছেন।

কম পক্ষে ১৫ ব্যক্তি (Riwayas) মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের মূল লিখার (lost original) অনুলিপি ও শ্রুতলিপি সংরক্ষণ করেছিলেন। তাঁরা হলেন:

এক জোড়া পোস্টার


বানিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা



সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০১৪

আমার 'আমার অবিশ্বাস' পাঠ - ০৯


হুমায়ুন আজদের 'আমার অবিশ্বাস' নামের বইটা পড়তে শুরু করেছিলাম বেশ আগে। ধর্মকারী তখন স্থগিতাবস্থায়। কিন্তু কিছুদূর পড়ার পরে লক্ষ্য করলাম, বইটিতে উদ্ধৃতিযোগ্য ছত্রের ছড়াছড়ি। পড়া তখনই থামিয়ে দিয়ে স্থির করলাম, ধর্মকারী আবার সচল হলে ধর্মকারীর পাঠকদের (অনেকেরই বইটা পড়া আছে, জানি, তবুও...) সঙ্গে টাটকা পাঠমুগ্ধতা ভাগাভাগি করবো। তাই পড়তে শুরু করলাম আবার। বিসমিল্যা।

৩৯. 
পৃথিবী ঘোরে, মহাজগত অনন্ত; তবে আজো অনেকের বিশ্বাস পৃথিবী ঘোরে না। এর মূলে আছে পৃথিবীর ধর্মের বইগুলো; এগুলোতেই বেশি বিশ্বাস করে অন্ধরা। 

৪০.
বিশ্ব বা মহাজগত কখন সৃষ্টি হয়েছিলো? ইহুদি, খ্রিষ্টান ও ইসলাম ধর্মে বিশ্বসৃষ্টির যে-বিবরণ পাওয়া যায়, তাতে বোঝা যায় তাদের বিশ্বাসে মহাজগত সৃষ্টি হয়েছিলো অতীতের এক নির্দিষ্ট সময়ে; আর সে-অতীত বেশি অতীত নয়।

৪১.
আদিম মানুষদের অন্ধ আদিম কল্পনা, আর পরবর্তী অনেকের সুপরিকল্পিত মিথ্যাচার, কখনো কখনো মত্ততা, নানাভাবে বিধিবদ্ধ হয়ে নিয়েছে যে-বিচিত্র রূপ, তাই পরিচিত ধর্ম নামে। 

৪২.
মানুষের স্বভাব হওয়া উচিত অবিশ্বাস, অবিশ্বাস হচ্ছে আলো; আর বিশ্বাস মানুষকে পরিণত করে জড়বস্তুতে। 

৪৩.
ধর্ম লৌকিক - মানুষের প্রণীত, এবং বেশ সন্ত্রাসবাদী, ব্যাপার। মানুষ উদ্ভাবনশীল; মানুষের অজস্র উদ্ভাবনের একটি, ও সম্ভবত নিকৃষ্টটি, ধর্ম।

আমাদের আত্মীয়েরা – ৭১


পাঠিয়েছেন কৌস্তুভ 


ইসলামে যৌনতা সর্ম্পকিত কিছু প্রশ্নোত্তর


(ইছলাম যেহেতু একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, তাই যৌনাঙ্গ জীবনব্যবস্থাও তাতে আছে। যৌনতা বিষয়ে মোমিন ও মোমিনাদের অনেকের মনেই নিশ্চয়ই নানাবিধ প্রশ্ন জাগে; সেসবের কোনও কোনওটার উত্তর হয়তো পাওয়া যাবে নিচের প্রশ্নোত্তরে। উত্তরগুলো দিয়েছেন, আমার ধারণা, মডারেট নামের সুবিধাবাদী কোনও মুছলিম। কারণ তাঁর দেয়া কিছু উত্তর স্পষ্টতই ইছলামসম্মত নয়। 

সম্পূর্ণ অবিকলভাবে প্রকাশিত।

বি.দ্র. ৮ নম্বর প্রশ্নোত্তর মিস কইরেন না!)

নিম্নে ইসলামে যৌনতা সর্ম্পকিত কিছু প্রশ্নোত্তর তুলে ধরা হলোঃ 

১. আমি স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করতে গেলে কী সামনের দিক থেকেই করতে পারবো? পিছন দিক থেকে করা যাবে?
- আপনি সামনে এবং পিছনে উভয় দিক থেকেই সঙ্গম করতে পারবেন। তবে সঙ্গম অবশ্যই যোনীপথ দিয়ে করতে হবে।

২. আমি শুনেছি পায়ূপথে সঙ্গম করা হারাম। কথাটা কি সত্যি?
- হ্যাঁ, এটি সত্যি। মহানবী (সঃ) পায়ূপথে সঙ্গম করা হারাম করেছেন।

৩. আমার স্বামী প্রায়ই আমার সাথে জোর করে সঙ্গম করে। কিন্তু তখন আমার সঙ্গম করার ইচ্ছা থাকে না। এক্ষেত্রে কী করণীয়?
- এক্ষেত্রে করণীয় যে, আপনি আপনার স্বামীকে বোঝান যে, আপনার ইচ্ছা না থাকলে তখন তার বিরত থাকাই উত্তম। কারণ, এতে দুজনই সঙ্গমের পূর্ণ আনন্দ লাভে ব্যর্থ হয়। তখন সেই সঙ্গমটা একপক্ষীয় হয়ে যায়।

৪. আমার স্বামী প্রায়ই আমাকে তার পুরুষাঙ্গ চুষতে বলে এবং আমার যোনী চুষতে চায়। কিন্তু আমার চুষতে ইচ্ছা করে না এবং আমারটাও চুষতে দেই না। খুব ঘৃণা লাগে। যদি গোপনাঙ্গ চোষা হয় তাহলে এতে কোন পাপ হবে কী?
- ইসলামে গোপনাঙ্গ চোষণ সম্পর্কে হাদিসে কোন সঠিক ব্যাখ্যা না থাকার ফলে এ আচরণকে হারামও বলা যাবে না, আবার হালাল ও বলা যাবে না। সুতরাং গোপনাঙ্গ চোষণের ব্যাপারটি সম্পূর্ণ আপনাদের ওপর।

৫. আমার হস্তমৈথুন করার অভ্যাস আছে। এটা কী পাপ?
- ইসলামে হস্তমৈথুন সম্পর্কে হাদিসে কোন সঠিক ব্যাখ্যা নেই যে এটি হারাম নাকি হালাল। তবে যদি আপনি এটাকে পাপ মনে করে থাকেন তাহলে ধীরে ধীরে হস্তমৈথুনের অভ্যাসটি ত্যাগ করতে পারেন।

৬. ইসলামে একজন পুরুষ দুজন নারীকে একসাথে নিয়ে সঙ্গম করতে পারবে কিনা?
- যেহেতু ইসলামে একই লিঙ্গের দুজন ব্যক্তি একে অপরের গোপনাঙ্গ দেখতে পারবে না, সেক্ষেত্রে এ ধরণের সঙ্গমকে না বলাই ভালো।

৭. আমি এবং আমার স্ত্রী কী একসাথে গোসল করতে পারবো? এটা কি জায়েজ?
- হ্যাঁ, অবশ্যই পারবেন এবং এটি জায়েজ।

৮. আমি শুনেছি যে ইসলামে একে অপরের গোপনাঙ্গ দেখা নিষেধ। কিন্তু আমার স্বামী আমার গোপনাঙ্গের দিকে তাকিয়ে সঙ্গম করে। এতে কী কোন সমস্যা হবে?
- স্বামী-স্ত্রী একে অপরের গোপনাঙ্গ দেখতে পারবে। এতে কোন বাঁধা নেই, অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কোন পর্দা নেই। তবে স্ত্রীর গোপনাঙ্গের দিকে তাকিয়ে সঙ্গম করলে পুরুষের চোখের জ্যোতি কমে যায়।

৯. নিজেদের দাম্পত্য জীবন নিয়ে অন্যদের সাথে খোলামেলা আচরণ করা কি ঠিক?
- না। এটি মোটেই ঠিক নয়। নিজেদের দাম্পত্য জীবনের কথা অন্যজনদের না বলাই ভালো। তবে চিকিৎসার প্রয়োজনে ডাক্তারের কাছে নিজেদের দাম্পত্য জীবনের কথা বলতে পারেন।

১০. সঙ্গম করার পূর্বে কী শৃঙ্গার (ফোরপ্লে) করা জরুরী?
- হ্যাঁ। কারণ পুরুষদের যৌনইচ্ছা হঠাৎ করে আসে আবার হঠাৎ করে চলে যায় কিন্তু নারীদের যৌনইচ্ছা আস্তে আস্তে করে আসে আবার আস্তে আস্তে করে যায়। তাই সঙ্গমের পূর্বে শৃঙ্গার করা জরুরী।

১১. সঙ্গম শেষে কী নারীদের গোসল করা জরুরী?
- হ্যাঁ। শুধু নারীদেরই নয়, পুরুষদেরও গোসল করে পবিত্র হয়ে নেয়া জরুরী।

১২. কনডম ব্যবহার করে কী জন্মনিয়ন্ত্রণ করা যাবে?
- যেহেতু মহানবীর যুগে কনডম আবিষ্কার হয়নি, তাই সেসময়ের আরবের লোকরা আল-আযল পদ্বতি ব্যবহার করতো, অর্থাৎ বীর্যপাত হওয়ার আগে যোনীপথ থেকে পুরুষাঙ্গ বের করে বীর্যপাত করতো। তবে যে আত্না আসার, সেটা আসবেই। তা যতই জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্বতি অবলম্বন করা হোক না কেন। তাই কনডম ব্যবহার করে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা আর না করা সেটা সম্পূর্ণ আপনাদের ব্যাপার।

১৩. আমার মাসিকের সময় আমার স্বামী প্রায়ই পায়ূপথে সঙ্গম করতে চায়। কিন্তু আমি বাঁধা দেই। আমি জানি যে, মাসিকের সময় এবং পায়ূপথে সঙ্গম করা হারাম। তবে স্বামী-স্ত্রীর জন্য এ আইন শিথিল কিনা?
- না। সঙ্গমের ক্ষেত্রে এ দুটো বিষয় কখনোই শিথিল নয়। এ দুটি বিষয় সম্পর্কে ইসলামে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে।

১৪. স্বামী-স্ত্রী কি একে অপরের শরীরের বিভিন্ন অংশ স্পর্শ করতে পারবে?
- হ্যাঁ। এতে কোন সমস্যা নেই।

১৫. ইসলামে সঙ্গমের জন্য কি কোন নির্দিষ্ট আসন রয়েছে?
- না। আপনি যেভাবে ইচ্ছা বা যে আসনে সঙ্গম করলে আপনাদের সুবিধা হয় সেসব আসন অবলম্বন করতে পারেন।

১৬. যেহেতু মাসিকের সময় সঙ্গম নিষেধ, সেক্ষেত্রে কী শৃঙ্গার করা যাবে?
- চাইলে শৃঙ্গার করতে পারেন, তবে তা চুম্বন, স্তন চোষা এবং টিপ দেয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ব রাখবেন।

১৭. আমার স্বামী আমার স্তনের বোঁটা চুষে এবং স্তন টিপে। এটা কী জায়েজ?
- হ্যাঁ। এটি অবশ্যই জায়েজ। তাছাড়া স্তন টিপলে প্রাকৃতিকভাবেই আপনার স্তন বড় হবে।

১৮. আমি কী আমার স্ত্রীর স্তনের দুধ খেতে পারবো? এটি কী জায়েজ?
- না। এটি জায়েজ নয়। যদি আপনি ইচ্ছা করে খান, তাহলে আপনার স্ত্রী আপনার জন্য হারাম হয়ে যাবে। তাছাড়া স্তনের দুধ শুধুমাত্র সন্তানের জন্য, স্বামীর জন্য নয়।

১৯. সঙ্গমের সময় শরীরে কী একটু হলেও কাপড় রাখা উচিত?
- এটি রাখলে ভালো। তবে চাইলে পুরোপুরি উলঙ্গ হয়েও সঙ্গম করতে পারেন। সেটা আপনাদের ব্যাপার।

২০. স্বামী-স্ত্রী কী উলঙ্গ হয়ে বিছানায় শয়ন করতে পারবে?
- হ্যাঁ। এতে কোন সমস্যা নেই।


(লিংক পাঠিয়েছেন টোস্টার)

রোজা ও বিবিধ প্রলোভন




ধর্মপচানি পংক্তিমালা - ০৮


লিখেছেন জুপিটার জয়প্রকাশ 

২২. 
বিধর্মীদের দ্বারা মুসলিম আক্রান্ত হলে দুনিয়াজোড়া সকল মুসলিমের জন্য যুদ্ধ করা ফরজ বলে আল্লা হুকুম দিয়ে রেখেছে। এই নিয়ম অনুসরণ করেই আমরা ভার্চুয়াল যুদ্ধ, মানে গালাগালি আর মানবতা দেখি।

মুসলিমের দ্বারা মুসলিম আক্রান্ত হলে কী করতে হবে, তা জানা না থাকায় ভার্চুয়াল যোদ্ধারা চোখ বুঁজে আল্লার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে। এরপর কোনো নির্দেশ না পেয়ে এক সময়ে ঘুমিয়ে পড়ে।

২৩.
মুসলিমজাতি নানা ভাগে বিভক্ত। কারো সাথে কারো মত মেলে না। কিন্তু মতে না মিললে কল্লা কাটিতে হইবে, এই ব্যাপারে সকলেই একমত।

২৪.
ইহুদীর ধর্মে প্রভুর অনুসারীদের বলা হয়েছে ঈশ্বরের সৈনিক। ইসলামে প্রত্যেক মুসলিমের জন্য যুদ্ধ ফরজ করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রত্যেক মুসলিমই সৈনিক। ধর্মীয় দিক থেকে দেখলে ইহুদী এবং মুসলিমের মধ্যে সিভিলিয়ান বলে কোনো কিছুর অস্তিত্বই স্বীকার করা হয় না। 

ইহুদী বা মুসলিমের মধ্যে যারা সিভিলিয়ান দেখতে পায়, তারা ধর্মত্যাগী মূর্খ। ধর্মমতে তাদের শান্তিপূর্ণ উপায়ে কতল করা উচিত।

গড ইজ...




রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৪

নবীর আদর্শ


লিখেছেন আবু জাহেল (version 2)

অনেক দিন আগে একবার কোন একটা অনলাইন পত্রিকায় দেখতে পেয়েছিলাম, একটা হিন্দু ছেলে তার দুঃসম্পর্কের ভাতিজীকে (কাজিনের মেয়ে) বিয়ে করেছে, এ নিয়ে তাকে প্রচুর অপমানের স্বীকার হতে হয়েছে। খুব সম্ভবত, তাদের জুতার মালা পরিয়েও ঘোরানো হয়েছিল!

কতিপয় মুমিন সেই খবরের নিচে কমেন্ট করেছিল, "মালুর বাচ্চাগো ধর্ম নাই, লাইট নিভাইলে মা, পিসি, বউ সব তাদের কাছে সমান" ইত্যাদি, ইত্যাদি। 

আহা, তারা যদি জানতো, আসলে তারা পবিত্র রাসূলুল্লাহর আদর্শকে অনুসরণ করেছিল। রাসুল তার নিজ কন্যা ফাতিমাকে তার নিজ চাচাতো ভাই আলীর কাছে বিয়ে দিয়েছিলেন। নবীর এই আদর্শকে মানার পরেও কেন ৯০ ভাগ মুসলমানদের এই দেশে তাদের এই করুণ পরিণতি?

নবীর আদর্শ মানতে পারছে না দেখেই মুসলমানদের আজ এই করুণ অবস্থা! আল্লাহ আমাদের নবীর আদর্শ মেনে চলার তৌফিক দান করুক!

চলুন, সকলেই বলি, "আমিন।"

রোজার ভণ্ডামি গুগলও বোঝে


সংযম লিখে খোঁজ লাগিয়েছিলাম গুগল ইমেজে। সংযম পালনের বেশকিছু কৌতূহলোদ্দীপক ছবি পাওয়া গেল তাতে:






নিঃসীম নূরানী অন্ধকারে - ৯৬


লিখেছেন তামান্না ঝুমু

৪৭৬.
রোজাদারেরা মরার পরে হুরী ও মদ সম্ভোগের লোভে রোজার মাসে দিনের বেলায় মাত্র কয়েক ঘণ্টা না খেয়ে থাকার ঢং করে। তাই অনেক খৎনাকৃত মুছলিম দেশ আইন করেছে, কোনো স্বাভাবিক মানুষ উপোসের ভেক ধারণকারীদের সামনে খেতে পারবে না; খিদায়-তৃষ্ণায় কারুর প্রাণ গেলেও। সব রেস্তোঁরা দিনের বেলায় বন্ধ। কারণ সংযমকারী রোজাদারদের সামনে কেউ খেলে নাকি তাদের জিভ দিয়ে লালা পড়তে শুরু করে অঝোরে। কারুর খাওয়া দেখলেই তাদের সংযম টুটে মুটে যায়। 

মুছলিম দেশগুলিতে অনেক গৃহহীন খাদ্যহীন বস্ত্রহীন চাকরিহীন মানুষও রয়েছে। তাদের সামনে যদি অন্য কেউ গৃহে বাস করে, খাবার খায়, কাপড় পরে, চাকরি করে, তাদের কি খারাপ লাগে না? খৎনাকৃত দেশগুলি এই আইন কেন করে না যে, খাদ্যহীনের সামনে কেউ খেতে পারবে না, গৃহহীনের সামনে কেউ গৃহে বাস করতে পারবে না, গাড়িহীনের সামনে কেউ গাড়ি চালাতে পারবে না, দাড়িহীনের সামনে কেউ দাড়ি রাখতে পারবে না ইত্যাদি। যাদের মৃতদেহও লোভমুক্ত নয়, যারা খাদ্যের অভাবে নয়, লোভে পড়ে না-খাওয়ার ভড়ং করে, ইছলামি দেশগুলির দরদের লালা শুধু তাদের জন্য ঝরে পড়ে। আর যারা খাদ্যের অভাবে চিরদিন অনাহারে থাকে, তাদের সামনে খাদ্যবান ও বিত্তবানদের না-খাওয়ার বা রেস্তোঁরা বন্ধ করে রাখার কোনো আইন কেন নেই?

৪৭৭.
মাটি দিয়ে আদমের মূর্তি বানিয়েছিল য়াল্যা। ইছলামে কিন্তু মূর্তি বানানো হারাম। য়াল্যা হারাম দিয়েই ইছলামের শুরু করেছিল।

৪৭৮.
আমার পরিচিত এক আলহাজ্জ ব্যক্তি আছে, যে রোজা রাখে না। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি ঈমানদার মানুষ, পবিত্র হজ্জব্রত পালন করে পবিত্র হয়ে এসেছেন। কিন্তু আল্যার নেয়ামত উপোস থাকা থেকে নিজেকে বিরত রাখছেন কেন? তিনি উত্তর দিলেন, হাই ডায়াবেটিস আছে। দিনে তিনবার ইনস্যুলিন নিতে হয়। নইলে অসুস্থ হয়ে যাই ভীষণভাবে। সেদিন রোজা রেখে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলাম। আমি তাজ্জব হয়ে বললাম, হায় য়াল্ল্যা, য়াল্যার রহমতের মাসে য়াল্যার বিশেষ রহমতের এবাদত করলে তো মানুষের সব রোগ মসিবত দূর হয়ে যাবার কথা। তা না হয়ে য়াল্যার খাস হজ্জ করা বান্দা য়াল্যার এবাদত করতে গিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়! এই বুঝি য়াল্ল্যার রহমতের নমুনা ও তার এবাদত করার নগদ ফলাফল লাভ?

৪৭৯.
গাভী হিন্দুদের আম্মু। ষাড় তাদের আব্বু। এঁড়ে বাছুর তাদের ভাইয়া। বকনা বাছুর তাদের আপু।

৪৮০.
সর্বশক্তিমান আল্যাপাক পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ ভণ্ড পয়গম্বর পাঠিয়েও বিবেকবান মানুষদেরকে তার চাটুকার বানাতে পারলো না। দিনদিন অবিশ্বাসীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। হায় রে! সর্বশক্তিমানের লজ্জাজনক পরাজয় তার সৃষ্টির বিবেকের কাছে! তার অসহায়ত্ব দেখে আফসোস লাগে।

আমার বোরখা-ফেটিশ – ১০৮




এবং দু'টি বোনাস ছবি: হিজাববাজ জেনানাদের হালাল চুম্বন। হালকা ইয়ে টাইপের ছবি বলে ইমোটা খিয়াল কৈরা!

দাঁড়িপাল্লার ঝাড়ি - ২৩


লিখেছেন দাঁড়িপাল্লা

৬৭.
রোজার মাসে মিথ্যা বলা, ঘুষ খাওয়া, চুরি-দুর্নীতি করা, আকাম-কুকাম করা নিষেধ। আর এগুলা যদি না-ই করা যায়, তাইলে হুদাই স্কুল-কলেজ অফিস-আদালত খোলা রাইখা লাভ কী!

৬৮.
মুসলমানরা মারলে হালাল; মরলে হারাম।

৬৯.
ইহুদিদের হত্যা করা মুসলমানদের "ধর্মীয় অধিকার"; মুসলমানদের হত্যা করা ইহুদিদের "ধর্মীয় অধিকার"। 
এর পর আর কোনো কথা হতে পারে না।

হাই অন জিসাস





শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০১৪

কোরান কুইজ – ৩২


নিশ্চয়ই মোমিন মুসলমানগণ কোরান সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। বেয়াড়া নাস্তিকগনও নিজেদেরকে কোরান-অজ্ঞ বলেন না কখনও। তাই মুসলিম-নাস্তিক নির্বিশেষে সকলেই অংশ নিতে পারেন কোরানের আয়াতভিত্তিক এই ধাঁধা প্রতিযোগিতায়। এই সিরিজের মাধ্যমেই তাঁরা নিজেদের কোরান-জ্ঞান যাচাই করে নিতে পারবেন। 

প্রশ্ন ৪০. আল্লাহ কি একমাত্র রক্ষাকর্তা?

ক) হ্যাঁ
খ) না

প্রশ্ন ৪১. মুসলিমদের কি উচিত কাফেরদেরকে হত্যা করা?

১) হ্যাঁ। 
২) না।

উত্তর বেছে নিয়েছেন? এবারে মিলিয়ে দেখুন।

নিত্য নবীরে স্মরি – ১৫০




মমিনদের ধর্মহীন এক সপ্তাহ


লিখেছেন বাংলার উসমান মুয়াজ্জিন মোহাম্মদ ইসলাম

ভাবতে ডর লাগে, আমরা মুমিনরা যারা কেবল ধর্মকেই জীবন যাফনের নীতি নির্ধারক মুনে করি, তাহাদিগকে আল্লাহ যুদি মুক্ত কোইরা আদেশ করেন, যা এক সপ্তাহ চরে বেরাই খা, ধর্ম ছাড়া গুরাফেরা কর, তবে এই এক সফতাহে কি কি করি ফেলতাম আমরা মুমিনরা, তার একটা লিস্ট কারাসি:

হিজাব আইন না থাইকলে বরো বরো মেয়েসেলেরা সোটো সোটো সেলেমেয়েদের ড্রেস ফরি গারমেন্স, স্কুলে যাইত?মুমিনারা মাদ্রাসায় যাইত? ধান ক্ষেতে কাম কোইত্তে যাইত খাটি খাওয়া নারীরা? যার ফলে আমরা যারা সদ্য এক সপ্তাহের জন্য ইসলাম ধর্ম হইতে ছাড়াপ্রাপ্ত হয়েসি, তারা দেশের সমস্ত নারিদিগকে ধরি ধরি ধর্শন করি দিতাম? কারন আমরা মুমিনরা ত বিশ্বাস করি, পুরুশ নারী দিখা মাত্রই লালা ছাড়ি দিবে, নয়ত সে নিকি ফুরুষই না! আর আমরাই ত বলি বুকের ওলনা গলায় দেলে ত ধর্ষন ঘটবেই!

সুতরাং যাকে দিখা যাবে বুকে ওলনা গলায় ফরিহিত অবস্তায়, তাকে ৭১ এর পাকিস্তানি কায়দায় নির্মমভাবে বলতকার করা হবে।

এক সপ্তাহের জন্য ইসলাম ধর্ম ছাড়ি দেলে আমরা মুয়াজ্জিনরা ইন্দু বারির মেয়েদের মশজিদে ঢুকাই ভিতর থিকা খিল মারি দিব! কারন,ঐ এক সপ্তাহ ত আল্লাহ আমাগের গুনা লিখবেন না। কেননা আমরাই ত বলি থাকি ইসলাম না থাইকলে মানুশেরা শুদু পাপ আর পাপ করি যাইত।

বাংলাদেশের মানুষ এক সপ্তাহ ইসলাম থেকে মুক্তি ফাইলে সারা দেশে দুরনতিবাজি করবে,তাই না? জিনিস ফত্রের দাম বাড়াই দিবে,খাবারে ফরমালিন দিবে,ঘুষ খাইবে। এখন ত এইগুলা এদেশে ঘটে না,নাকি? হিহিহি

দেশে এখন খুন না হইলেও, ধর্ম-মুক্তির ঐ ১ সপ্তাহ জুড়িয়া দেশে খুন হইত, গুম হইত, মন্ত্রি সাহেব ৭৫ লক্ষ মারি দেয়ার ধান্দায় থাকত।

ইসলামবিহিন দেশে ফহেলা বৈশাখে আমরা রমনায় বুম ফুটাইতাম নিতান্তই দুষ্টামি করিয়া, মরুক কিসু সাদারন নিরিহ মানশ। এমনকি,দেশের কোনো বড় নেত্রির জনসভায় গ্রেনেড মারিতাম।

এখন ত আমরা আস্তিক, তাই বুম ফুটাই না,মানশ হত্যা করি না!

বার এ ডুকি সব মদ খাই ফেলতাম কারন এই ধর্মহীন সপ্তাহে আল্লাহ আমাদিগকে মনের খায়েশ মিটানির সুযুগ দিসেন।

সারাদিন রাস্তায় রাস্তায় হাঁইটতাম আর মিছা কতা কৈতাম খালি। এখন ধর্ম ফালন করিয়া আমরা সাধু। প্রতিদিনের লেনদেনে শঠতামি করি না।

আসলে ভারতীয় উফমহাদেশের আমরা সকলেই ত মুমিন হই বা হিন্দু হই এক একটা পিশাচ। মন ও মননশীলতার চামড়া নিকষ কালো আন্ধার। তাই ধর্মের খোলস দ্বারা নিজেদের আসল রুপ ঢাকি রাখার ধান্দায় থাকি। তাই আমাগের ধর্মের প্রয়োজন।

গরুপূজারি গাধাগুলো - ৭৮




ফাল দিয়া ওঠা কথা - ২২


লিখেছেন ধর্মবিদ দেশী

৬৪.
কোনো ধর্মই নারীকে কথিত সম্মানটুকুও দেয়নি। তারা সম্মান দিয়েছে মাকে, বোনকে, স্ত্রীকে, কন্যাকে। অর্থাৎ নিজের মানবজীবনের সকল সম্ভাবনাকে বিনষ্ট করে যারা নিজেদেরকে এইসব পরিচয়ে সীমিত রেখেছে, তারাই পেয়েছে সতী নারীর সম্মান! আর যারা মানুষ হতে চেয়েছে, তাদেরকে বেশ্যা উপাধি দিয়েছে ধর্মীয় সমাজ।

৬৫.
নারী ব্যভিচার করলে হয় অসতী।
আর নীরবে সামাজিক ধর্ষণ মেনে নিলে হয় সতী।

৬৬.
ধর্মানুভূতি দিয়ে চাষাবাদ হয় না, উৎপাদন হয় না, শিক্ষা হয় না, গবেষণা হয় না, শিল্প-সাহিত্য হয় না।
তবে ধর্মানুভূতি দিয়ে সাম্প্রদায়িকতা হয়, দাঙ্গা হয়, লুটপাট হয়, ধর্ষণ হয়, নোংরা রাজনীতি হয়।

হয় ধর্মানুভূতি ধ্বংস করুন, মানুষ বাঁচান;
নয় ধর্মানুভূতি জিইয়ে রাখুন, মৌলবাদ বাঁচান।

দ্বীনবানের দীন বাণী - ০১


ভেবে দেখলাম, ধর্মকারীতে শুধু ধর্মবিরোধী বেদ্বীন ও ধর্মপোন্দকদের বাণী ছাপানো হয়। দ্বীনবানদের বাণীর একটা সিরিজও চালু করা হলো তাই  


শুক্রবার, ২৫ জুলাই, ২০১৪

আজানের ডাকে fool ফোটে


সৌজন্য: বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সংগঠন

ইউটিউবে একটি ভিডিও দেখা যাচ্ছে আজান ফ্লাওয়ার নিয়ে। এই ভিডিওটি নিয়ে দেশের একাধিক অনলাইন নিউজ পেপার খবর ও করেছে।

ভিডিও লিংক: http://youtu.be/owtU6uD6toc

সিএনএন-এ আজারবাইজান-এর লোকাল টিভি "লিডার টিভি"-র একটি রিপোর্ট টেলিকাস্ট করা হয়েছিল। ইউটিউবে সেই রিপোর্টটাই দেখানো হয়েছে। লিডার টিভির রিপোর্টারের নাম ফুয়াদ তাগাজাদি। সিএনএন-এর কোন সাংবাদিক আজারবাইজানে যায়নি।

নেটে সরাসরি লিডার টিভি আপনি দেখতে পারেন। আমি আজ বিকাল ৫ টায় দেখলাম, এরা হ্যারি পটারের সিনেমা ওদের ভাষায় ডাবিং করে দেখাচ্ছে । লিডার টিভির লিঙ্ক

খবরে আমাদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে আজারবাইজান এর শাকিরেট (সম্ভবত) নামে এক গ্রামে মোহাম্মদ রহিম এলদোরাদ-এর ফুলের খামারে। রহিম সাহেবের কাছে অনেক ফুল আছে। সাংবাদিক সাহেবকে তিনি আজান ফ্লাওয়ার নামে বিস্ময়কর একটি ফুল দেখালেন। যেটি আজানের সাথে সাথেই ফোটে। ভিডিওতে দেখানো হল, মসজিদের মাইকে আজান দিচ্ছে আর ফুল ফুটচ্ছে। লক্ষ্য করার ব্যাপার হল, ক্যামেরা ফোকাস করা হয়েছিল কেবল একটি ফুলের ওপরেই। পুরো ফুলবাগান বা গাছের সব ফুলের ওপরে না। সম্ভবত গাছের সব ফুল একসাথে আজানের সময় ফোটে না। যদি ফুটত, তাহলে নিশ্চয়ই দেখাত।

রিপোর্টটিতে ফুলের নাম বলা হয় নি। ফুলের ছবি দেখে যা বুঝলাম, এটি evening primerose ফুল হতে পারে। সায়েন্টিফিক নাম Oenothera (জেনাস এর নাম অন্থেরো। স্পেসিস এর নাম ক্লিয়ার বুঝলাম না); এই ফুল বিকালে/সন্ধ্যায় ফোটে। এই জন্য এর নাম ইভিনিং প্রাইমরোজ।

এই ফুলের বৈশিষ্ট্য হল - ফুলটি সম্পূর্ণ ফুটতে সময় নেয় খুব কম। প্রায় ১ মিনিটের মধ্যেই ফুলের সবগুলো পাপড়ি ফুটে যায়।

ছবিতে ফুলসহ একটি ইভিনিং প্রাইম রোজ এর গাছ দেখা যাচ্ছে

ফুলটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে উইকিপিডিয়া দেখুন।

আজান দিতেও কিন্তু সময় লাগে এক মিনিটের মতই। আসর/মাগরিব/ইশার আজানের সময়েই ফুলটিকে কেউ ফুটতে দেখে সম্ভবত এই ফুলের ওপরে অলৌকিকত্ব আরোপ করেছে।

আর আজারবাইজান দেশের লোকাল ফুল না এটি। এটি মূলত মেক্সিকো এবং মধ্য আমেরিকার ফুল। তবে ইউরোপের কয়েক জায়গাতেও দেখা যায়। কোনো একভাবে আজারবাইজানে মোহাম্মদ রহিমের কাছে ফুলটি এসেছে এবং স্থানীয় লোক অচেনা এই ফুলের অদ্ভূত এই বৈশিষ্ট্যকে অলৌকিক কাহিনী বানাতে বেশি সময় নেয়নি।

আজানের প্রচলন শুরু হয়েছে ৬০০ সালের পরে। শিয়া মুসলমান এবং সুন্নি মুসলমানদের আজানের বাক্য আলাদা।মাইক্রোফোনের বিকাশ ঘটেছে ১৯০০ সালের পরে। আর ইভিনিং প্রাইম রোজ এর অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায় প্লাইস্টোসিন যুগেও (আজ থেকে ২৫ লাখ বছর আগে)।

এই দীর্ঘ সময়ে ইভিংনি প্রাইম রোজ প্রাকৃতিক নিয়মেই ফুল ফুটিয়েছে ,পরাগায়ন ঘটিয়েছে, ফল এবং বীজ হয়েছে এবং মারা গিয়েছে। আজান এর ধ্বনির জন্য সে অপেক্ষা করেনি বা বর্তমানের আজানের শব্দে তার কোনো লাভ-ক্ষতি হয় না। মেক্সিকোর যে সব অমুসলিম এলাকায় ইভিনিং প্রাইম রোজ জন্মায়, সেখানে কখনো কেউ আজান দেয় না, কিন্তু প্রাইম রোজ সেখানে ও সন্ধ্যায় ১ মিনিটের ভেতরে ফুল ফুটিয়ে যাচ্ছে।

হা-হা-হাদিস – ৯৪


অনুবাদ ও ফটোমাস্তানি: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক


মন্দিল-খুশি-করা ইলাস্ট্রেশনসহ বাংলায় অনূদিত আরও অসংখ্য মজাদার হাদিসের সংকলনটি যাঁরা এখনও দেখেননি, তাঁরা কতোটা মিস করেছেন, তা ডাউনলোড করে নিয়ে নির্ধারণ করুন।

ডাউনলোড লিংক
https://docs.google.com/file/d/0B1lqaonhgir4N3ZCcWk1WTdQdkk/edit?usp=sharing
(লিংকের পাতায় গিয়ে ওপরে বামদিকে নিম্নমুখী তীরচিহ্নে ক্লিক করে ফাইলটি ডাউনলোড করুন)
ফরম্যাট: পিডিএফ
সাইজ: ১০.৭৪ মেগাবাইট