শনিবার, ২৪ মার্চ, ২০১২

'প্রক্সি' শেখার লগ্ন এলো


অতীতকালে আল্যাফাক তাহার অপছন্দের কর্ম রোধ করিতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করিতেন। তবে বর্তমানে, হয়তো বার্ধক্যজনিত কারণে, তাঁহার কর্মক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে লোপ পাইয়াছে। তিনি কার্যত নির্বীর্য ও অক্ষম। ফলে তাঁহার মহিমা সুরক্ষার দায়িত্ব অর্পিত হইয়াছে তাঁহার অনুসারীদের উপর। এখনও নিশ্চিত করা যায় নাই, উক্ত সংবাদে উল্লেখিত সাইটটি "ধর্মকারী" কি না, তবে সম্ভাবনা রহিয়াছে যথেষ্ট পরিমাণেই।

অতএব হে বাংলাদেশবাসী বেঈমান্দার, বেদ্বীন বান্দাসকল, তোমাদিগের ভিতরে যাহারা অদ্যাবধি ইন্টারনেটে প্রক্সি ব্যবহারবিধি বিষয়ে অবহিত নহো, তাহারা অচিরকালে উহা রপ্ত করিয়া রাখো। ভবিষ্যতে কাজে লাগিতে পারে।

* প্রক্সি-সাইট, তার কার্যকারিতা ও ব্যবহার-নির্দেশিকা সম্পর্কে বিজ্ঞ পাঠকদের কেউ সহজ ভাষায় দু'কলম লিখে দিলে খুব খুশি হতাম। 

বুধবার, ২১ মার্চ, ২০১২

শরিয়ারে করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা


বোরখাবদ্ধ নারী যখন বোরখামুক্তির বিপক্ষে উচ্চকণ্ঠ হয়, সোচ্চার হয় শরিয়া আইনে নারীর অধিকারহীনতার 'মাহাত্য' বর্ণনায়, জানায় - শরিয়া আইন বস্তুত সম্মান ও মর্যাদা দেয় নারীকে, তখন আমার মতো ঘোর আশাবাদীও হতোদ্যম হয়ে পড়ে। 

'শরিয়া কি নারীদমন আইন নয়' - এ বিষয়ক একটি প্রশ্নে এক প্রাক্তন মুসলিম মহিলা ও দুই মুসলিমা অংশ নিয়েছিলেন খ্রিষ্টানদের আয়োজিত টিভি-অনুষ্ঠানে। দেড় ঘণ্টার বিতর্ক। উৎসাহীরা দেখতে পারেন। 

কার্ল সেগান কহেন


কার্ল সেগানের একটি বাণীর চিত্ররূপ। 


নবী মোর বেজায় ভীতু


ইসলামের ইতিহাসে নবীজিকে প্রবল দুঃসাহসী হিসেবে দেখানো হয়। কিছু ইসলামী তথ্যসূত্র থেকে পাওয়া বর্ণনা অবশ্য প্রমাণ করে তার উল্টোটা। সে নিজে যুদ্ধবাজ ছিলো, তাতে কোনওই সন্দেহ নেই। তবে তার ব্যক্তিগত সাহসিকতার গালগল্প প্রশ্নবিদ্ধ। 

কোনও ব্যক্তি ভীতু হলেই তা দুর্নামযোগ্য, তা মনে করি না। তবে ভীতুকে বীরপুরুষ হিসেবে দেখানোর প্রয়াস পরিহাসযোগ্য। 

স্লাইড শো দেখুন অথবা পিডিএফ ডাউনলোড (১০ মেগাবাইট) করে নিন। 

যৌনইঙ্গিতবাহী চার্চ সাইন - ০৬


না, উদ্দেশ্যমূলকভাবে যৌনইঙ্গিত এসবে দেয়া হয়নি। তবে তা খুঁজে পাওয়া দুঃসাধ্য নয় একেবারেই। সর্বমোট চারখানা ছবি।

১.

২.

কুফরী কমিক: কামুক


এক টিকেটে তিন ছবি! থুক্কু... এক বইয়ে তিনটি কমিক! 

'কামুক' নামের কমিক সিরিজটি সম্পূর্ণভাবেই কোরান ও হাদিসনির্ভর। কাল্পনিক বা মনগড়া তথ্য তাতে নেই। ফলে কমিকগুলোকে অবলীলায় ছহীহ বলা যেতে পারতো। কিন্তু যেহেতু এসবে ইসলামের নবীর বদন মোবারক (যদিও তার বদনা মোবারক আমরা আগেই দেখেছি) দেখানো হয়েছে, তাই কমিকগুলো স্পষ্টতই কুফরী। 



এই সিরিজের তিনটি পর্ব অনূবাদ ও ফটোমাস্তানি করেছেন মুহম্মদ জোঁক, অহমশয়তানের চ্যালা। ধর্মকারীতে প্রকাশিত হবার পর তিনটি পর্বই বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। সেগুলো সংকলন করে ই-বুক বানিয়ে দিয়েছেন কৌস্তুভSuirauqa

এই ই-বুক দলে দলে ডাউনলোড ও বিতরণ করিয়া অশেষ কুফরী ছওয়াব হাছিল করুন। 

ফরম্যাট: পিডিএফ।
সাইজ: ৭ মেগাবাইট। 

উত্তর দেয়া উচিত এভাবে!


বায়োনিকড্যান্স খুব স্পষ্ট ও দৃঢ়ভাবে নিজের ভাব ও যুক্তি প্রকাশ করতে পারেন। তাঁর এই গুণের আমি ভক্ত, সেটা আগেও বলেছি। তাঁর আরও একটি ভিডিও, এতে তাঁকে করা টিপিক্যাল কিছু আস্তিকীয় প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন তিনি। খুবই সরল ও প্রচলিত যুক্তি, কিন্তু ওই যে বললাম, কী বলিষ্ঠ প্রকাশ! 

সুবাসে সৌরভে



মঙ্গলবার, ২০ মার্চ, ২০১২

হা-হা-হাদিস – ৩৩

হে ঈমান্দার বান্দাসকল, তোমাদের জন্য অজস্র রসময় কথা গুপ্ত রহিয়াছে হাদিস শরিফে।
- সহীহ আল-ধর্মকারী
দিগম্বর পয়গম্বর পাঠিয়েছেন নিচের হাদিস, যেটাতে পয়গম্বরের দিগম্বর হবার কাহিনী বর্ণিত আছে।


ছহীহ ইছলামী বিজ্ঞাপন - ০৫


আইডিয়া, নির্মাণ ও ভূমিকা: Mohammad Mockerof Islam 

বর্তমান যুগে ইছলাম জ্ঞানে-বিজ্ঞানে অনেক পিছিয়ে আছে। ইহুদি ভাইদের দেখুন, তারা সাবাথ-এর দিনে কোনো প্রকার যন্ত্র চালানো নিষেধ বলে মুখে নির্দেশ দিয়ে গাড়ি চালানোর মেশিন বের করেছে, সুইচবিহীন লিফট, টেলিফোন, টিভি রিমোট কন্ট্রোল ইত্যাদি আবিষ্কার করে ধর্মের কঠিন নিয়ম কানুনকে সুকৌশলে পাশ কাটিয়ে দিব্যি জিহোভার নেক নজরে আছে, আবার আধুনিক জীবনের সাথেও তাল মিলিয়ে চলছে! ইদানীং ফেসবুকে, নেটে নাস্তিকেরা যেভাবে ইসলামের গোঁজামিল গুলো ফাঁস করে দিচ্ছে এবং মুমিনেরা ভুল বুঝতে পেরে দলে দলে গোপনে ইসলাম ত্যাগ করছে, তাতে করে অচিরেই মডারেট মুমিনদের 'গাছেরও খাব তলেরও খাব' নীতির সাথে তাল মিলিয়ে ইসলামকে 'আধুনিক' করা না গেলে এর বিলুপ্তি অনিবার্য। আসন্ন বিপদ সম্পর্কে জ্বীনের মাধ্যমে ইশারা পেয়ে আমাদের ডিজিটাল নবী জোকার নায়েক গত ২ বছর ধরে কোরান রিসার্চ করে ইসলাম আধুনিকায়নের লক্ষ্যে একগুচ্ছ নতুন বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি ও বিজনেস মডেল আবিষ্কার করেছেন যা ইসলামিক রিসার্চ ফাঊন্ডেশন খুব শিগগিরই বাস্তবে রূপ দিতে যাচ্ছে! এই গোপন প্রজেক্টের মার্কেটিং-এর অংশ হিসাবে কিছু বিজ্ঞাপন তৈরি করা হয়েছিল, যা ঊইকিলিক্‌সের জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ সম্প্রতি ইন্টারনেটে লিক করে দেন। আমরা সেই ছহীহ ইসলামী বিজ্ঞাপন গুলোকে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি মডারেট মুমিনদের মনোবল চাঙ্গা করার জন্যে।

পূর্ণাকারে দেখতে ছবির ওপরে ক্লিক করুন

আমরা নীরব থাকবো না


মুক্তচিন্তা চর্চা ও বাকস্বাধীনতার সবচেয়ে বড়ো প্রতিবন্ধক - ধর্মগুলো। আর জগৎ জুড়িয়া বিশেষ একটি শান্তির ধর্ম আছে, যে-ধর্মের ঐশী কিতাব বা রসুলের সমালোচনা মানেই শান্তিকামী তৌহিদী জনতার মৃত্যুহুমকির সম্মুখীন হওয়া বা সরকারীভাবে ব্ল্যাসফেমি আইনে অভিযুক্ত হয়ে নিদেনপক্ষে জেলবাস নিশ্চিত করা...

"আমরা নীরব থাকবো না" নামের একটি আবেগছোঁয়া ভিডিও দেখুন। 

আত্মতুষ্টি বিষ্ঠাত্যাগে



কার্টুনটা দুর্বোধ্য মনে হচ্ছে? নিচের লেখাটির ওপরে এক নজর চোখ বুলিয়ে নিন, পরিষ্কার হয়ে উঠবে।

বাইবেলের শুরুটা পড়েই বোঝা যায়, নিজের সৃষ্ট কর্মে পরম তৃপ্ত ও তুষ্ট ঈশ্বর। প্রথম একত্রিশটি শ্লোকে (শ্লোকই তো বলে, নাকি?) সে কথা উল্লেখ করা আছে সাতবার।

সহজ বাংলা বাইবেল: আদিপুস্তক 1

(আদি 1:1) সৃষ্টির শুরুতেই ঈশ্বর মহাকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করলেন।"

(আদি 1:2) পৃথিবীর উপরটা তখনও কোন বিশেষ আকার পায় নি, আর তার মধ্যে জীবন্ত কিছুই ছিল না; তার উপরে ছিল অন্ধকারে ঢাকা গভীর জল। ঈশ্বরের আত্মা সেই জলের উপরে চলাফেরা করছিলেন।

(আদি 1:3) ঈশ্বর বললেন, “আলো হোক।” আর তাতে আলো হল।

(আদি 1:4) তিনি দেখলেন তা চমৎকার হয়েছে। তিনি অন্ধকার থেকে আলোকে আলাদা করে আলোর নাম দিলেন দিন আর অন্ধকারের নাম দিলেন রাত।
...

(আদি 1:10) ঈশ্বর সেই শুকনা জায়গার নাম দিলেন ভূমি, আর সেই জমা হওয়া জলের নাম দিলেন সমুদ্র। ঈশ্বর দেখলেন তা চমৎকার হয়েছে।
...

(আদি 1:12) ভূমির মধ্যে ঘাস, নিজের বীজ আছে এমন সব বিভিনড়ব জাতের শস্য ও শাকসব্‌ জীর গাছ এবং বিভিনড়ব জাতের ফলের গাছের জন্ম হল; আর সেই সব ফলের মধ্যে তাদের নিজের নিজের বীজ ছিল। ঈশ্বর দেখলেন তা চমৎকার হয়েছে।
....

(আদি 1:18) দিন ও রাতের উপর রাজত্ব করে আর অন্ধকার থেকে আলোকে আলাদা করে রাখে। ঈশ্বর দেখলেন তা চমৎকার হয়েছে।
...

(আদি 1:21) এইভাবে ঈশ্বর সমুদ্রের বড় বড় প্রাণী এবং জলের মধ্যে ঝাঁক বেঁধে ঘুরে বেড়ানো বিভিনড়ব জাতের জীবন্ত প্রাণী সৃষ্টি করলেন। এছাড়া তিনি বিভিনড়ব জাতের পাখীও সৃষ্টি করলেন। তাদের প্রত্যেকের নিজের নিজের জাতি অনুসারে বংশ বৃদ্ধি করবার ক্ষমতা রইল। ঈশ্বর দেখলেন তা চমৎকার হয়েছে।
...

(আদি 1:25) ঈশ্বর পৃথিবীর সব রকমের বন্য, গৃহপালিত এবং বুকে-হাঁটা প্রাণী সৃষ্টি করলেন। এদের সকলেরই নিজের নিজের জাতকে বাড়িয়ে তুলবার ক্ষমতা রইল। ঈশ্বর দেখলেন তা চমৎকার হয়েছে। সৃষ্টির প্রথম মানুষ
...

(আদি 1:31) ঈশ্বর তাঁর নিজের তৈরী সব কিছু দেখলেন। সেগুলো সত্যিই খুব চমৎকার হয়েছিল। এইভাবে সন্ধ্যাও গেল সকালও গেল, আর সেটাই হল ষষ্ঠ দিন।


ধৃষ্টতা


লিখেছেন রাশান ফুলকি

অমিত শক্তির বিষ্ফোরণে
সৃষ্ট, তুমিই যদি হও ঈশ্বর;
তবে বলতে দ্বিধা নাই -
আমিই তুমি এবং তুমিই আমি
আমাতে তুমি এবং
তোমাতে আমি বিলীন।

কিংবা অজ্ঞাত, দূ্র্জ্ঞেয় কোনো জ্ঞানে
অথবা অন্তরের নিগূঢ় কোনো ধ্যানে
সৃষ্ট, তুমিই যদি হও ঈশ্বর;
তবেও বলতে দ্বিধা নাই -
আমি ছাড়া তুমি অর্থহীন।

দুই ধর্মের দু'টি প্রতীক


হিন্দুধর্মের শিবলিঙ্গ ও ইসলাম ধর্মের কালো পাথর। পাঠিয়েছেন দিগম্বর পয়গম্বর


সোমবার, ১৯ মার্চ, ২০১২

আল্লাহ খুব একটা আকবর না


সর্বমোট এক মিনিটের ছোট্ট দু'টি হাহাপগে ভিডিও।

দেখা দাও, দাও দেখা



চরমবক, পরম-উটবেচারার পর্নোনীড়


লিখেছেন তামান্না ঝুমু

ওই যে দেখ, ধূসরে মাখা
তপ্তবালুতে ঘেরা নূরানি হেরা
যাচ্ছে দেখা।

ওই যে দেখ হেরার মহান-গুহা।
গুহার ভিতরে রাতের আঁধারে
গৃহ ও পরিবার-পরিজন ছেড়ে
উদ্ভ্রান্ত বিচলিত কে শুইয়া আছে উহা?

ওই যে দেখ মরুর বুকে
ভেড়া-ছাগল-দুম্বার ঝাঁক।
সেই ঝাঁকের রাখাল বালক, রাসুলে পাক
একজন মহাপয়গম্বর, চরমবক।
তাঁর ঘনিষ্টবন্ধু স্বয়ং আল্লাপাক।
সেই রাখালের গবাদি পশুর সাথে সাথে
আছে সঙ্গিনীর ঝাঁক।

ওই যে দেখ পৃথিবীর বুকে
বেহেস্তী ডিজাইনে গড়া কুটির।
সেথা মহানুভবতা আর মহাদর্শের ভীড়।
সেই কুটিরে বাস করে
এক প্রেরিত অশেষ মহা মহাপুরুষ।
তাঁর সংঘটিত শান্তিময় কুকর্মের জন্য
তাঁর নিজের নাই কোনো দোষ।
সবই মহান আল্লার পবিত্র নির্দেশ।

ওই যে দেখ নূরের কুটির।
অসংখ্য সতীন, হালাল দাসী
ও হালাল-গনিমতে পূর্ণ
প্রেম-সুনিবিড় ঝগড়াঝাটির পর্নোনীড়।
পাতালভেদী কুকর্মের পরেও
আসমানসম উন্নত শির
সেই কু-কুটিরবাসীর।

সেই নীড়ে লুণ্ঠিত মালামালের ঠাসাঠাসি,
সতীনে-দাসীতে নিত্য ঘেঁষাঘেঁষি।
দিনেরাতে একজন ভোগীকে লয়ে
ভোগ্যদের কাড়াকাড়ি রেষারেষি।
ভোগীটি কার ভাগে পড়ে কম
কার ভাগে প’ড়ে যায় বেশি!

সেই নীড়ে খেজুর পাতার বেড়া।
সে ভাগ্যবান কুটিরে বাস করেন
আল্লার বিশিষ্ট হাবিব, সর্বকালের সেরা
পরম-লুটেরা-নবী-রাসুল-উটবেচারা।

কুটিরবাসী মহামানবের (দানবের)
কোনো বিলাসিতা নাই।
শুধু হত্যা, ধর্ষণ ও লুণ্ঠন ছাড়া।
বড়োই সাদাসিধে জীবন তাহার।
খেজুর, সুধা ও শুষ্ক রুটিই
তিনি করেন আহার।
এতগুলো মুখে এর চেয়ে ভাল কিছুর জোগাড় দেয়া ভার।

তাঁর বসনে-ভূষণে নেই কোনো
জাঁকজমকের আড়ম্বর কিংবা বাহার।
এতগুলো সঙ্গিনী প্রতিপালনের পর
বিলাসের দুঃসাধ্য থাকে কাহার?
তাই বসন থাকে তাহার
সদা তালি দেওয়া ছেঁড়া-ফাড়া।
চুল মোবারক থাকে
তেলবিহীন শুষ্ক ছন্নছাড়া।

এত অনটন ও খরার পরেও
তাহার হৃদয়খানি ভালবাসায় ভরা।
এত নারীভারেও নাই কো সেথায় জরা।
ঝরঝরিয়ে বইতে থাকে সেথা
সদা প্রেমের ফল্গুধারা।
তাহার চক্ষুদুটি শুধু
একটুখানি নূরানি-টেরা।

নারীর সুগন্ধ পেলেই আড়চোখে
তিনি দেখেন আগাগোড়া।
তিনি সর্বকালের সেরা
আপাদমস্তক-মোবারক নূরে মোড়া।
পরম-লুটেরা-নবী-রাসুল-উটবেচারা।

নির্ধার্মিক মনীষীরা – ৫৮



ইছলামে অচ্ছুৎ সঙ্গীত


হে মিউজিকমত্ত মমিন মুসলমানগণ, তোমরা কি অবগত আছো যে, পেয়ারে নবী সঙ্গীত ও বাদ্যযন্ত্রের ঘোর বিরোধী ছিলো? কোরানে সরাসরিভাবে নিষেধ করা হয় নাই বটে, তবে ইঙ্গিত রহিয়াছে; এবং কোরানের পরে সবচেয়ে অথেনটিক কিতাব হিসাবে বিবেচিত বুখারী শরীফে নিষেধাজ্ঞা উল্লেখ করা আছে স্পষ্টভাবেই।

অতএব হে ঈমান্দার বান্দাগণ, তোমরা কি নবীজির নির্দেশ অবমাননা করিয়া সঙ্গীতশ্রবণ, গায়ন ও যন্ত্রবাদন অব্যাহত রাখিবে?

ছোট্ট দু'খানা ভিডিও দেখে নিশ্চিত হোন - ইসলামে গান ও বাদ্যযন্ত্র হারাম। একটি আবার ইসলামের ডিজিটাল নবী জোকার নায়েকের।

হালায় বুঝে না!



রবিবার, ১৮ মার্চ, ২০১২

দে মা আমায় তবিলদারি


লিখেছেন অশোভন 

ধর্ম যে লাভজনক ব্যবসা তাতো জানাই আছে। কিন্তু সেই লাভের পরিমাণ সম্পর্কে আপনাদের ধারণা আছে কি? ভাবলাম, কার তবিলে কত জমলো একবার দেখাই যাক। এই লেখাটার যখন পরিকল্পনা করি, তখন ধারণাই ছিল না যে, এই “বাবা”-দের সম্মত্তির পরিমাণ কত হতে পারে। আবছা একটা ধারণা ছিল। কিন্তু একটু তথ্য যোগাড় করতেই মাথা ঘুরে যাওয়ার মতো অবস্থা। একটা কথা শুরুতেই বলে রাখা ভালো যে, এইসব তথ্যের অনেকটাই কিছুটা পুরনো এবং অনুমাননির্ভর। বাবারা তো আর যেচে এসে এসব বলে যান না। কাজেই কিছুটা অনুমান ছাড়া গত্যন্তর নেই। তবে এদের আসল সম্পত্তির পরিমাণ যে এর থেকে অনেক বেশি তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আজ দেখা যাক “বাবা” রামদেব এর তবিলে কত জমা আছে। অন্যদের খবরও ক্রমশ প্রকাশ্য। 

স্কটল্যান্ডে নিজের দ্বীপে রামদেব 
সরকারিভাবে রামদেবের ঘোষিত সম্পত্তির পরিমাণ ১১৭৭ কোটি (ভারতীয়) টাকা। এটা শুধু সেই সম্পত্তির পরিমাণ, যেটা ভারতীয় আইনে আয়করমুক্ত। এছাড়াও বাবার আরও ৩০ টিরও বেশি কোম্পানি আছে, যেগুলোর কোনো হিসেব পাওয়া যায়না। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,  অমিতাভ বচ্চনের সম্পত্তির পরিমাণ ৪০০ কোটি টাকার মতো। অর্থাৎ রামদেবের ঘোষিত সম্পত্তির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মাত্র। 

হরিদ্বারে ৬০০ একর জমির ওপর বাবার আশ্রম ও বিশ্ববিদ্যালয়। শুধু বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য খরচ হয়েছে ১০০ কোটি টাকা। এছাড়াও আছে ৫০০ একর জমির ওপর ৫০০ কোটি টাকার ফুড পার্ক। এছাড়াও আছে বিভিন্ন জায়গায় জমি ও আশ্রম। 

এবার দেখা যাক, বাবার রোজগার কেমন হয়। বাবা যেসব যোগ শিবির করেন তাতে প্রতিবছর আনুমানিক ৫০০০০ লোক যোগ দেয়। এইসব শিবিরে যোগ দেওয়ার দক্ষিণা মোটামুটিভাবে ৫০০০ টাকা। এছাড়া স্পেশাল ক্যাম্পও আছে। যেমন ক্রুজশিপে ভাসমান যোগ শিবির, যার ফী লাখ টাকার ওপর। এইসব শিবির থেকে বাবার বছরে রোজগার ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা। বিভিন্ন আয়ুর্বেদিক ওষুধের বিক্রি থেকে বাবার বছরে রোজগার ৫০ কোটি টাকার ওপর। বাবা বই ও সিডি বিক্রি থেকে বার্ষিক ২ থেকে ৩ কোটি টাকা পান। 

বাবার আশ্রমের সদস্যপদের জন্য ফী এর পরিমাণ এরকম: সাধারণ সদস্য ১১০০০ টাকা, সম্মানিত সদস্য ২১০০০ টাকা, বিশেষ সদস্য ৫১০০০ টাকা, আজীবন সদস্য ১ লাখ টাকা, সংরক্ষিত সদস্য ২.৫১ লাখ টাকা ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ৫ লাখ টাকা। বাবার আশ্রমের সদস্য সংখ্যা কত, তা সঠিক জানা না গেলেও সেখান থেকেও যে বিরাট অঙ্কের রোজগার আসে, তা সহজেই অনুমেয়। প্রণামী বা দান থেকে বাবার রোজগার কত, তা জানা যায়নি। কিন্তু সেটা নিশ্চিতভাবেই কোটির অংকে। “আস্থা” নামের টিভি চ্যানেলেও বাবার প্রচুর শেয়ার আছে এবং সে বাবদেও আয় কম হওয়ার কথা না। 

ভারতের বাইরেও বাবার সম্পত্তির পরিমাণ কম না। আমেরিকার হিউস্টনের অদূরে ৯৫ একর জমির মালিক বাবা রামদেব। সম্প্রতি বাবার সংস্থা “হার্বোভেদ” নামে একটা আমেরিকান কোম্পানি কিনে নিয়েছে। 

সাধারণত হলিউড তারকা বা রকস্টাররাই ব্যক্তিগত দ্বীপ-টিপের মালিক হন বলে শুনেছি। রামদেবও কম যান না। তিনি স্কটল্যান্ডের উপকূলে একটি দুই মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের দ্বীপের মালিক। সেখানে তার একটি আয়ুর্বেদিক রিসর্ট গড়ে তোলার পরিকল্পনা আছে।

বাবা আজকাল একটি চাটার্ড বিমানে যাতায়াত করেন। তবে তিনি সেটির মালিক কি না, তা জানা যায়নি। তবে যা জানা গেছে তাই আপাতত যথেষ্ট।

পাঠকদের ভালো লাগলে সিরিজ হতে পারে।

আমার বোরখা-ফেটিশ – ৩৫



স্পর্শবাতিকগ্রস্ত হিন্দুধর্ম


প্রত্যেক ধর্মই অমানবিক। মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টিতে ধর্মগুলো সব সময়ই নিরঙ্কুশ অপ্রতিদ্বন্দ্বী। আর একই ধর্মের অনুসারীদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি ও লালনপালনে হিন্দুধর্ম অতুলনীয়।

হিন্দুধর্মের বর্বর বর্ণপ্রথা বিষয়ে মর্মবিদারী একটি ডকুমেন্টারির সন্ধান পেলাম। দেখতে পারিনি শেষ পর্যন্ত। বর্তমানে হিন্দুধর্মে 'অস্পৃশ্য' ধারণাটির অস্তিত্ব নেই বলে যারা দাবি করে, তাদের জন্য বানানো হয়েছে এই ডকুমেন্টারি।

বাস্তবতা হচ্ছে এই: বর্ণপ্রথার মতো অসভ্য, অমানবিক রীতি থেকে হিন্দুধর্ম মুক্ত হতে পারেনি আজও। এবং আমি মনে করি, যারা বিশেষ কোনও সম্প্রদায় বা গোত্রের মানুষদের অস্পৃশ্য মনে করে, তারা নিশ্চিতভাবেই মানসিক বিকারগ্রস্ত। 

সে যুগে রসুল, এ যুগে পাগল



কণ্ঠ কালের > ভাব আবালের


অনেকেই হয়তো পড়েছেন বা জেনে গেছেন, বালের কালের কণ্ঠ পত্রিকা ছাগু-স্টাইলে ইসলামের 'মহিমা' প্রচার শুরু করেছে।

মমিন মুসলিমেরা বিশ্বাসোন্মুখ। ইসলামের যে কোনও মহিমাগাথায় তৎক্ষণাৎ বিশ্বাস স্থাপন করে আল্লাহপাককে ধন্যবাদ জানাতে তৎপর। এরা তথ্য-প্রমাণের ধার ধারে না, পরীক্ষা বা যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তাও বোধ করে না। কোনও সেলেব্রিটিকে ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম হয়েছে, এমন একটি উড়ো খবর মহাসমারোহে প্রচার করলেই মমিনমহল মোনাজাতমুখর হয়ে ওঠে। সাম্প্রতিককালে যেমন উঠেছিল প্যারিস হিলটন, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, ফুটবলার কাকার ইসলাম গ্রহণের অপ্রমাণিত সংবাদে। 

ছাগুবাহিনী এক সময় ব্যাপকভাবে প্রচার করেছিল একটি সংবাদ: নিল আর্মস্ট্রং চাঁদে গিয়ে আজান শোনার পরে দ্বীনের পথে এসেছেন। বহু আগেই প্রমাণিত হয়েছে, সংবাদটি সম্পূর্ণভাবেই বানোয়াট ও ভুয়া। যদিও এখন অজস্র মমিন বিশ্বাস করে: মুসলিম হয়েছে আর্মস্ট্রং, আরও স্ট্রং হয়েছে ইসলাম।

আরেকটি ছাগু-প্রপাগান্ডা: নাসার নভোচারী সুনিতা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। এটাও একেবারেই ভিত্তিহীন ও মুসলিমমস্তিষ্কপ্রসূত আবর্জনা এবং অনেক আগেই তা প্রমাণিত। অথচ "নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রাপ্ত" এই সংবাদই প্রকাশ করেছে কালের কণ্ঠ!

এই সংবাদের ভুয়াত্বের প্রমাণ: এক, দুই এবং প্রাসঙ্গিক কিছু আলোচনা। 

(লিংকগুলো পাঠিয়েছেন N.c. Neel)