শুক্রবার, ২৫ জুলাই, ২০১৪

মুহাম্মদ সুরত - ০৫


মূল: আলী সিনা-র Understanding Muhammad নামের বই থেকে একটি অধ্যায়
অনুবাদ: Elijah Neo

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪

কতিপয় অন্যান্য হাদিসে উল্লেখিত হইয়াছে যে, মুহাম্মদের শ্বাসকষ্ট (ছোট শ্বাস) ছিল, ফলে তিনি ধীরে ধীরে কথা বলিতেন, যাহাতে কথা বলিবার ফাঁকে শ্বাস লইতে পারেন। ইবন শা’দ আয়েশার নামে বলিয়াছেন:
আল্লাহর পয়গম্বার আপনার মতো ক্রমাগত ও দ্রুত কথা বলতেন না। তার কথা বলার ধরণ ভাঙ্গা ভাঙ্গা এবং ধীর লয়ের ছিল যাতে শ্রোতারা তার কথা বুঝতে পারে [তাবাকাত, খন্ড ১, পৃষ্ঠা ৩৬১]; নবীজির কথা (ধীর লয়ে) ঠিক গান গাওয়ার মতো ছিল না, তিনি কেবল তার শব্দাবলীকে দীর্ঘায়িত করতেন, আর জোর দিয়ে উচ্চারণ করতেন।
এক্রোমিগেলি রোগ শরীরের পাচন হার (metabolic rate) বাড়াইয়া দিতে পারে, যাহার ফলে অধিক ঘাম (hyperhidrosis) ঝরিয়া থাকে। ইহা একটা অস্বাভাবিক অবস্হা যথায় অধিক তাপের প্রতি অসহ্যতা পরিলক্ষিত হয় বা, ত্বকে তৈলাধিক্য ঘটে। 

হাদিস মতে, মুহাম্মদ শরীরের অত্যধিক তৈল হইতে নিষ্কৃতি পাইতে বা শরীরের দুর্গন্ধ হইতে পরিত্রাণ পাইতে বারংবার নিজেকে ধৌত করিতেন। তাঁহার মৃত্যুর পাঁচদিন পূর্বে তাহার শরীরের তাপমাত্রা এতই বাড়িয়া যায় যে, তিনি মুর্ছা যান এবং ব্যথায় কষ্ট পাইতে থাকেন। “আমার গায়ে বিভিন্ন কুপের সাত বালতি পানি ঢালো, যাতে আমি বাইরে যেয়ে মানুষের সাথে কথা বলতে পারি,” তিনি তাহার এক স্ত্রীকে বলিয়াছিলেন।

মুহাম্মদ যে তাঁহার ছবি আঁকিতে নিষেধ করিয়াছেন, তাহা, সম্ভবত, এই কারণে যে, তিনি তাহার শরীর ও বিকৃত মুখাবয়বের ব্যাপারে সচেতন ছিলেন। তিনি চাইতেন যেন মানুষ তাহার দিকে নজর না দিয়া বরং তিনি কী বলেন, তাহাতেই যেন ধ্যান দেন। অবশ্য বিশ্লেষণ করিলে দেখা যায়, তিনি দেখিতে যত না কদাকার ছিলেন, তাহার বাণী ততোধিক কদাকার।

(শেষ)

আফিম-আবিষ্ট আবালেরা




বৃহষ্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০১৪

কুরানে বিগ্যান (পর্ব-৪৩): বদর যুদ্ধ-১৪ (শেষ পর্ব): ইসলামী প্রোপাগান্ডার স্বরূপ, ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – ষোল


লিখেছেন গোলাপ

পর্ব ০১ > পর্ব ০২ > পর্ব ০৩ > পর্ব ০৪ > পর্ব ০৫ > পর্ব ০৬ > পর্ব ০৭ > পর্ব ০৮ > পর্ব ০৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০ > পর্ব ২১ > পর্ব ২২ > পর্ব ২৩ > পর্ব ২৪ > পর্ব ২৫ > পর্ব ২৬ > পর্ব ২৭ > পর্ব ২৮ > পর্ব ২৯ > পর্ব ৩০ > পর্ব ৩১ > পর্ব ৩২ > পর্ব ৩৩ > পর্ব ৩৪ > পর্ব ৩৫ > পর্ব ৩৬ > পর্ব ৩৭ > পর্ব ৩৮ > পর্ব ৩৯ > পর্ব ৪০ > পর্ব ৪১ > পর্ব ৪২

স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) মদিনায় এসে কুরাইশদের ওপর যে সকল আক্রমণাত্মক অনৈতিক সহিংস বর্বর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু করেছিলেন, তার বৈধতার প্রয়োজনে তিনি তাঁর রচিত ব্যক্তিমানস জীবনীগ্রন্থ কুরানের মদিনা পর্বে বারংবার ঘোষণা দিয়েছেন যে, মক্কায় অবস্থানকালে “কুরাইশরা তাঁদের প্রতি অকথ্য অত্যাচার চালিয়েছে, তাঁকে ও তাঁর অনুসারীদের অন্যায়ভাবে তাঁদের ভিটেমাটি থেকে বিতাড়িত করেছে এবং তাঁকে বন্দী অথবা হত্যার পরিকল্পনা করেছে”।

গত ১৪০০ বছর যাবত পৃথিবীর প্রায় সকল মুহাম্মদ বিশ্বাসী পণ্ডিত ও অপণ্ডিতরা মুহাম্মদের সাথে সুর মিলিয়ে বিভিন্ন কল্পকাহিনীর মাধ্যমে মুহাম্মদের এই দাবীর প্রচার ও প্রসার ঘটিয়েছেন। ইসলামের প্রাথমিক সংজ্ঞা অনুযায়ী - এটা তাঁদের একান্ত বাধ্যতামূলক দায়িত্ব (বিস্তারিত দশম পর্বে); এই প্রচারণায় তাঁরা এতটাই সফল যে, শুধু ইসলাম-বিশ্বাসীরাই নয়, তাঁদের সাথে একাত্ম হয়ে জগতের বহু অমুসলিম পণ্ডিত ও জনসাধারণ তাঁদের মতই একই ধারণা পোষণ করেন।

কিন্তু ইসলামে নিবেদিতপ্রাণ আদি উৎসের মুসলিম ঐতিহাসিকেদেরই বর্ণনার পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনায় আমরা জানতে পারি যে, মুহাম্মদের এই দাবির কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। এ বিষয়ের প্রাসঙ্গিক আলোচনা গত দু'টি পর্বে করা হয়েছে; বিস্তারিত আলোচনা 'আইয়্যামে জাহিলিয়াত ও হিজরত তত্ত্বে' করা হবে।

স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) আরও দাবী করেছেন যে, "কুরাইশরা তাঁদেরকে মসজিদে হারামে যেতে বাধা প্রদান করেছে।" কুরান, সিরাত ও হাদিসের পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনায় যে সত্যটি স্পষ্ট, তা হলো: মুসলমানদের প্রতি অকথ্য অত্যাচার ও তাড়িয়ে দেয়ার কিচ্ছার মতই মুহাম্মদের এই দাবিরও কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই।

“কুরাইশরা তাঁদের কে মসজিদে হারামে যেতে বাধা প্রদান করেছে!”

মুহাম্মদ বিন ইশাক ও আল-তাবারীর বিশালায়তন গবেষণালব্ধ মুহাম্মদের জীবনীগ্রন্থের পর্যালোচনায় আমরা জানতে পারি যে, মদিনায় এসে কুরাইশদের ওপর মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের যাবতীয় অনৈতিক আগ্রাসী সন্ত্রাসী আক্রমণ, লুণ্ঠন, হত্যা ইত্যাদি কর্মকাণ্ড সত্ত্বেও  "দুটি মাত্র ব্যতিক্রম" ছাড়া কোনো কুরাইশই কোনো মুহাম্মদ অনুসারীকে মসজিদে হারামে যেতে বাধা প্রদান করেননি। এই দু'টি ঘটনার "মাত্র একটি” ছিল সমষ্টিগত, যেখানে সকল কুরাইশ গোত্র জড়িত ছিলেন। অন্যটি ছিল একান্ত ব্যক্তিগত।

এই দু'টি ঘটনা ছাড়া মুহাম্মদ অনুসারীরা সকল সময়ই কোনোরূপ বিধিনিষেধ ছাড়াই নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে মদিনা থেকে মক্কায় তীর্থ যাত্রা করেছেন এবং মসজিদে হারাম পরিদর্শন ও আনুষঙ্গিক সকল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন শেষে নিরাপদে আবার মদিনায় প্রত্যাবর্তন করেছেন।

আর, এই দুটি ঘটনাই ঘটেছিল মুহাম্মদের “মদিনায় হিজরতের পর”! মক্কায় অবস্থানকালে নয়। আর তা সংঘটিত হয়েছিল মুহাম্মদের আগ্রাসী আক্রমণাত্মক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে কুরাইশদের পাল্টা প্রতিরোধের অংশ হিসাবে।

ঘটনা দুটি হলো:

১) বদর যুদ্ধের পর আবু সুফিয়ান কর্তৃক সা'দ বিন আল নুমান কে মক্কায় ধরে রাখা

মুহাম্মদ যখন আবু সুফিয়ানের এক ছেলে হানজালা বিন আবু সুফিয়ানকে খুন ও আরেক ছেলে আমর বিন আবু সুফিয়ানকে বন্দী করে মদিনায় আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা করেন, তখন স্বজনহারা বিক্ষুব্ধ পিতা আবু সুফিয়ান মুহাম্মদ অনুসারী সা'দ বিন আল নুমানকে মক্কায় বন্দী করে তাঁর ছেলে আমরকে ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এই ঘটনাটি "ব্যক্তি আবু সুফিয়ানের" প্রতিরক্ষা চেষ্টা; নিজ ছেলেকে মুহাম্মদের কবল থেকে মুক্ত করার চেষ্টা। [বিস্তারিত পর্ব - ৩৭]।

২) হুদাইবিয়া সন্ধি চুক্তির (মার্চ, ৬২৮ সাল) প্রাক্কালে মসজিদে হারামে যেতে বাধা প্রদান

শুধু ঐ সময়টিতেই কুরাইশরা সংঘবদ্ধভাবে মুসলমানদের মসজিদে হারামে যেতে বাধা প্রদান করেন। আর এই ঘটনাটি ঘটেছিল মুহাম্মদের মদিনা হিজরতের ৬ বছর পরে, মক্কায় অবস্থানকালে নয় [বিস্তারিত হুদাইবিয়া সন্ধি পর্বে]। এই একটি মাত্র ঘটনা ছাড়া কুরাইশরা সংঘবদ্ধভাবে কখনোই মুহাম্মদ কিংবা তাঁর কোনো অনুসারীকে মসজিদে হারামে যেতে বাধা প্রদান করেননি। [1] 

>>> পৃথিবীর অন্য কোনো ধর্মের সাধারণ ধর্মাম্বলীরা ইসলামের মত এত বেশি সময়সাপেক্ষ অত্যাবশ্যকীয় ধর্মীয় অনুশাসনের যাঁতাকলে পিষ্ট নয়। একজন মানুষের দেহ-মন সুস্থির রাখার জন্য প্রতিদিন গড়ে কমপক্ষে ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুম আবশ্যক। আরও কমপক্ষে দুই ঘণ্টা দরকার জীবনের অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় কাজ [Activities of Daily Living (ADL)] যেমন: প্রাতঃক্রিয়াদি, রান্না, খাওয়া, গোসল, শরীর-স্বাস্থ্য ও বাসস্থানের পরিচর্যা, সামাজিকতা - ইত্যাদি দৈনন্দিন কাজে। অর্থাৎ প্রতিটি মানুষ প্রতিদিন গড়ে সর্বোচ্চ ১৬ ঘণ্টা সময় ব্যবহার করার সুযোগ পান জীবনের অন্যান্য ব্যবহারিক কাজে। [2]

একজন নিবেদিত প্রাণ সাধারণ মুসলমান প্রতিদিন তাঁর অত্যাবশ্যকীয় কাজের (ADL) পর জীবনের অন্যান্য ব্যবহারিক কাজে ব্যবহৃত ১৬ ঘণ্টা লভ্য সময়ের ২-৩ ঘণ্টা সময় ব্যয় করেন “শুধুমাত্র পাঁচ ওয়াক্ত নামাজেই”; এ ছাড়াও আছে অত্যাবশ্যকীয় ধর্মীয় আরও অন্যান্য অনুশাসন।

জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিদিন প্রত্যুষে ঘুম থেকে ওঠার সময় থেকে (ফজর নামাজ) শুরু করে রাতে ঘুমোতে যাবার পূর্ব পর্যন্ত (এশার নামাজ) এই ১৬-১৮ ঘণ্টা সচেতন সময়ে কমপক্ষে পাঁচ বার (গড়ে প্রতি সাড়ে তিন ঘণ্টায় একবার) পৃথিবীর প্রত্যেকটি ইসলাম বিশ্বাসীর মস্তিষ্কে মুহাম্মদের গুণকীর্তন ও আদেশ-নিষেধের বাণী স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় উচ্চকণ্ঠ আজানের মাধ্যমে, পরিবার সদস্যদের মাধ্যমে ও পরিপার্শ্বের অন্যান্য মুসলমানদের মাধ্যমে।

ইসলাম ধর্মের এক বিশেষ বিশেষত্ব এই যে, এই ধর্মের অনুশাসন পালনকারী সকল অনুসারীই প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে ‘ইসলাম প্রচারকের ভূমিকা’ পালন করেন।

ইসলামের অনুশাসন পালনকারী একান্ত পরিবার সদস্য, আত্মীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, পাড়া-প্রতিবেশী থেকে শুরু করে গ্রামের নিরক্ষর কৃষক- শ্রমিক-মজুর ও বাসার গৃহ পরিচারিকা পর্যন্ত সকলেই প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে "ইসলাম প্রচারকের ভূমিকা" পালন করেন। ইসলামের অনুশাসন পালনে গাফেল কোন ব্যক্তিকে দ্বীনের রাস্তায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টাকে এই ইসলাম অনুশাসন পালনকারীরা (Practicing Muslims) মহৎ কর্ম, বিশেষ সওয়াবের অংশ ও ইমানী দায়িত্ব বলে বিশ্বাস করেন।

এ সকল সাধারণ ইসলাম বিশ্বাসীর কাছ থেকে কালেমা, নামাজ, রোজা, হজ, যাকাত এর আহ্বান বিশ্বের প্রতিটি ইসলাম বিশ্বাসী অত্যন্ত শিশুকাল থেকেই নিত্যই শুনে থাকেন। চারিপাশের এ সকল লোকের কাছ থেকে নামাজ-রোজার আহ্বান শোনেননি, এমন একটিও বে-নামাজি ও বে-রোজদার মুসলমান জগতে আছেন বলে কল্পনাও করা যায় না।

“এক ওয়াক্ত নামাজ ক্বাযা হলে কত গুনাহ হয়; দোজখের আগুন ও বেহেশতের আরাম আয়েশের বর্ণনা; দ্বীনের পথে 'আমাদের নবী' কত কষ্ট করছেন; কাফেরেরা আমাদের পাক নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর উপর কত নির্যাতন করেছেন কিন্তু আমাদের দয়াল নবী তাঁদের প্রতি কখনো কোন অন্যায় তো করেনইনি, উল্টো সেই নির্যাতনকারীর অসুস্থতার সময় নবী তার সেবা যত্ন করে সুস্থ করে তুলেছেন (তারপর বয়ান): ‘এক বুড়ি নবীর চলার পথে কাঁটা দিতো, একদিন পথে কাঁটা না দেখে দয়াল নবী বুড়ির খোঁজ করতে গিয়ে যখন জানলেন যে বুড়িটি অসুস্থ তখন তিনি বুড়িটির সেবাযত্ন করে সুস্থ করে তুললেন, নবীর মহানুভবতায় মুগ্ধ হয়ে বুড়ি নিজের ভুল বুঝতে পেরে মুসলমান হলেন’”— ইত্যাদি উপাখ্যান যেখানে যেমন প্রয়োজন, সেখানে সেইভাবে প্রচার করে এই ইসলাম বিশ্বাসীরা ইসলামের অনুশাসন বিচ্যুত মুসলমানদের ইসলামের পথে আনার চেষ্টা করেন।

এ ছাড়াও আছে প্রতিদিন পাঁচবার মুয়াজ্জিনের উচ্চকণ্ঠ আজান ও মসজিদের ইমাম সাহেবের বক্তৃতা; ওয়াজ-মাহফিলের বয়ান; প্রতিটি টিভি চ্যানেলে প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য সময় নিয়ে ইসলামী অনুষ্ঠান-বক্তৃতা-বিবৃতি; দৈনিক খবরের কাগজে ধর্মীয় কলাম; ইন্টারনেটের বিভিন্ন ইসলামী ব্লগ - ইত্যাদি বিভিন্ন মাধ্যমে মুহাম্মদের গুণকীর্তন ও ইসলামের আদর্শের জয়গান।

তার ওপর আছে প্রতি ছয় দিন পর পর এক বিশেষ দিন! প্রতি শুক্রবারে জুমার বিশেষ নামাজ-বক্তৃতা-বিবৃতির মাধ্যমে পৃথিবীর প্রত্যেকটি ইসলাম বিশ্বাসীর মস্তিষ্কে মুহাম্মদ ও তাঁর প্রচারিত মতবাদের গুণকীর্তন।

আরও আছে প্রতি এগার মাস পর পর একাধারে দীর্ঘ এক মাস ব্যাপী 'রমজান'-এর বিশেষ ইসলামী অনুশীলন। যে মাসে দিবারাত্র বিভিন্ন উপায়ে ইসলামের পথে আহ্বানের মাধ্যমে পৃথিবীর প্রত্যেকটি ইসলাম বিশ্বাসীর মস্তিষ্কে মুহাম্মদের গুণকীর্তন ও আদেশ নিষেধের বাণী স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়।

ফলশ্রুতিতে, পৃথিবীর প্রায় সকল ইসলাম বিশ্বাসীর চেতন-অবচেতন মস্তিষ্কের সবটা জুড়েই বাসা বাঁধে বেহেস্তের প্রলোভন ও দোযখের অসীম শাস্তির ভয় এবং কবর আযাবের বিভীষিকাময় চিত্র! তাঁদের ধ্যান-মন-প্রাণের সবটা জুড়েই থাকে মুহাম্মদের বাণী (কুরান-হাদিসের) ও অনুশাসন চিন্তা। ফলাফল, তাঁদের মগজধোলাই অন্যান্য ধর্মের মানুষের তুলনায় হয় অধিকতর নিশ্চিত, তীব্রতর ও সুদূরপ্রসারী! তিনি মুক্ত মানুষ থেকে পরিণত হন দাসে! পরম তৃপ্তিতে! একান্ত আজ্ঞাবহ মুহাম্মদের দাস! আবদ-মুহাম্মদ (পর্ব-১৫)!

এমত পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে একজন ইসলাম বিশ্বাসীর পক্ষে প্রচলিত ধারনার বিপরীত কোনো তথ্য-উপাত্ত ও ইতিহাস নিয়ে চিন্তা ভাবনা করার অবকাশ কোথায়?

এই একান্ত আজ্ঞাবহ মুহাম্মদের দাস আবদ-মুহাম্মদদের “সম্মিলিত প্রোপাগান্ডা” যে কত শক্তিশালী ও সফল, তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ হলো ইসলামের হাজারো অতিকথাকে (Myth) সত্য বলে প্রতিষ্ঠা করা। যার সাক্ষ্য, আজকের পৃথিবীর প্রায় সমস্ত ইসলাম বিশ্বাসী ও বহু অমুসলিম সাধারণ জনগণ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, মক্কায় কুরাইশরা মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারী নব্য ধর্মান্তরিত মুসলমানদের ওপর যথেচ্ছ অমানুষিক নিপীড়ন ও নির্যাতন করতেন। তাঁরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন যে, কুরাইশদের এই অমানুষিক অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে মুহাম্মদের নির্দেশে মুসলমানেরা প্রথমে আবিসিনিয়ায় ও পরে মদিনায় হিজরত করেছিলেন। তাঁরা আরও বিশ্বাস করেন যে, স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) মৃত্যুহুমকির বশবর্তী হয়েই রাতের অন্ধকারে চুপি চুপি মদিনায় পালিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁদের এই বিশ্বাসের আদি উৎস হলো "মুহাম্মদ"!

গত পনেরটি পর্বের পর্যালোচনায় সংক্ষিপ্তসার:

সুশীলদের চোখে নাস্তিকেরা



র‍্যাশনাল ইসলাম


লিখেছেন অর্ণব খান

পশ্চিমে ইসলাম বিস্তারের পেছনে কারণ আছে, তা হচ্ছে "র‍্যাশনাল ইসলাম।" "র‍্যাশনাল ইসলামের" ইতিহাস বলার আগে মূল ব্যাপারটা একটু বলে নেই। আস্তিকতা থেকে নাস্তিকতায় আসা বেশ কঠিন ব্যাপার হলেও "র‍্যাশনাল ইসলাম"-এর সাংগঠনিক প্রচেষ্টায় অন্য ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরকরণ ততটা কঠিন নয়। বেলজিয়ামের ৬৫% জনগণ জন্মসূত্রে বিশ্বাসী খ্রিষ্টান। ধর্ম সম্পর্কে এরা গভীর জ্ঞানী নয়। এরা এমনিতেই আস্তিক, তাই যদি একটু র‍্যাশনাল ওয়ে-তে মানে কিছু যুক্তি প্রয়োগ করে এদেরকে খ্রিষ্টান ধর্মের অসারতা আর ইসলামের সারতা বোঝানো হয়, তাহলেই এরা মুসলিম হয়ে যাবে। এর একটি তাজা উদাহরণ হচ্ছে সঙ্গীতশিল্পী "ক্যাট স্টিভেন্স" তথা "ইয়ুসুফ ইসলাম", যিনি মুসলিম হয়ে ইসলামিক গান গেয়ে মুসলিমদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়। 

হালের র‍্যাশনাল ইসলাম তথা কোরানে বিজ্ঞান খোঁজার ট্রেন্ড কীভাবে এল? সৌদি শেখ 'আবদুল মাজিদ আল জিনদানি' প্রথম এই র‍্যাশনাল ইসলামের প্রক্রিয়াটা শুরু করেন। ১৯৮৪ সালে সৌদি সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যারিটি ফান্ড-টি আয়ত্ত করে তিনি "কোরান ও সুন্নাহে বৈজ্ঞানিক নিদর্শন এর কমিশন" গঠন করেন। এই কমিশনের টাকায় মরিস বুকাই, কিথ মুর ইত্যাদি ডাক্তার/বিজ্ঞানীগণ কোরানে বিজ্ঞান খোঁজা শুরু করেন।

এরপর তো ইতিহাস, তাদের বই ধার্মিক দুনিয়ায় সাড়া ফেলে দেয়। এই দু'জনকে দিয়ে শুরু হলেও পরে অনেক নাম না জানা বিজ্ঞানীর পেছনে অঢেল টাকা খরচ করা হয়েছে উক্ত কমিশন থেকে। হালের হারুন ইয়াহিয়া আর জাকির নায়েক একই রকম কাজ করে যাচ্ছে। হারুন ইয়াহিয়ার মূল্যবান কাগজের সুন্দর দেখতে বইগুলো কিন্তু অনলাইনে অর্ডার দিলে বিনামূল্যেই পাওয়া যায়। এর খরচ আসে কোত্থেকে ভেবে দেখুন। এই কমিশন ইতিমধ্যে টেনস অব বিলিয়ন্স ডলার খরচ করেছে এসব কাজে। 

উপরোক্ত গায়ক ইয়ুসুফ ইসলামের ওয়েব পেজে গেলেই দেখা যায়, মরিস বুকাই-এর বই পড়ে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছেন। বেচারা হয়তো জানেনও না যা মরিস নিজেই ইসলাম গ্রহণ করেননি! এছাড়া এই কমিশনের ফাউন্ডার আবদুল মাজিদ জিনদানির ভণ্ডামিটাও জেনে রাখা যাক। তিনি "অল্প বয়সী মেয়ে বিবাহ নিষিদ্ধের আইনের" চরম বিরোধিতাকারী, তিনি ভণ্ড বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করেছেন যে, নারীরা একইসাথে চিন্তা আর কাজ করতে পারে না, তাই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এদের দেয়া ঠিক না, তিনি নাকি এইডসের চিকিৎসাও আবিষ্কার করে ফেলেছেন ।

বেলজিয়ামের নারীরা আসলে জানেই না যে, ইসলাম কতটা নারীবিদ্বেষের ধর্ম। তারা কোরানে কিছু বিজ্ঞান আর ইসলামের অল্প কিছু সুন্দর জিনিস দেখেই মুসলিম হয়েছে। তবে আমেরিকার রেকর্ড বলে, এই ধরনের অনেক কনভার্টেড মুসলিম শেষ পর্যন্ত তাদের ইসলামিক বিশ্বাস ধরে রাখতে পারে না। অনেকে নিজের গরজেই আরেকটু জানতে গিয়ে ফাঁকিটা ধরে ফেলে, আর অনেকে অন্যের সহায়তায় বুঝতে পারে।

আমাদের নাস্তিকদের হয়তো বড় ফান্ড নেই, তবে ইন্টারনেট আছে, এটা দিয়েই সকল মিথ্যা ঘায়েল হবে একদিন।

এক জোড়া পোস্টার




নাস্তিকদের কটূক্তির দাঁতভাঙা জবাব - ৩০


লিখেছেন অ বিষ শ্বাসী

আসুন, নাস্তিকদের কটূক্তির বিরুদ্ধে দাঁতভাঙা জবাব দেই...


কটূক্তি ৫৯:
কোনো মুসলিম যদি নিজের লিঙ্গ পরিবর্তন করে, তাহলে তাকে কী করা হবে? কোরান-হাদিসে তো এই বিষয়ে কোনো বিধান নেই।

দাঁতভাঙা জবাব: 
যেহেতু কোরান-হাদিসে লিঙ্গান্তর প্রসঙ্গে কিছু বলা হয়নি, তাই এটি মুসলিমদের জন্য নিষিদ্ধ বলে গণ্য করতে হবে।


কটূক্তি ৬০:
টেলিভিশন সম্পর্কে তো কোরান-হাদিসে কিছু বলা হয়নি। তাহলে ইসলাম প্রচারের জন্য কেন টেলিভিশন ব্যবহার করা হয়?

দাঁতভাঙা জবাব:
যেহেতু টেলিভিশন সম্পর্কে কোরান=হাদিসে কিছু বলা হয়নি, তাই টেলিভিশন নিষিদ্ধ বলা যাবে না।

[বি.দ্র. কটূক্তির বদলে দাঁত ভাঙা জবাব গুলো আমার নয়। বিভিন্ন সময়ে ভার্চুয়াল মুমিনগণ যে জবাব দিয়েছেন তা কপি করে ছড়িয়ে দিচ্ছি শুধু। আপনারাও সবাই শেয়ার করে নাস্তিকদের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে জবাব দিন, ঈমান পোক্ত করুন...]

যৌনইঙ্গিতবাহী চার্চ সাইন - ১৫




মৃত্যু নিয়ে আল্লাহর দ্বিচারিতা


লিখেছেন Norom Tola

আল্লাহ একদিকে বলছেন তিনিই প্রাণ দান করেন, আবার তিনিই মৃত্যু দান করেন। তিনিই মৃত্যু কাল নির্ধারিত করেন (৫৬:৬০); অপরদিকে মৃত্যুর জন্য আল্লাহ অপরকে দায়ী করেন।

জন্ম ও মৃত্যু আল্লাহর হাতে এই সম্পর্কে কয়েকটি আয়াত:
কেমন করে তোমরা আল্লাহর ব্যাপারে কুফরী অবলম্বন করছ? অথচ তোমরা ছিলে নিষ্প্রাণ। অতঃপর তিনিই তোমাদেরকে প্রাণ দান করেছেন, আবার মৃত্যু দান করবেন। পুনরায় তোমাদেরকে জীবনদান করবেন। অতঃপর তারই প্রতি প্রত্যাবর্তন করবে।
(২:২৮)

তিনিই জীবন ও মরণ দান করেন এবং তাঁরই কাছে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।
(১০:৫৬)

আমিই জীবনদান করি, মৃত্যুদান করি এবং আমিই চুড়ান্ত মালিকানার অধিকারী।
(১৫:২৩)

তিনিই প্রাণ দান করেন এবং মৃত্যু ঘটান এবং দিবা-রাত্রির বিবর্তন তাঁরই কাজ, তবু ও কি তোমরা বুঝবে না?
(২৩:৮০)

এবং তিনিই মারেন ও বাঁচান,
(৫৩:৪৪)

অনুরূপ কয়েকটি আয়াত ২:২৫৮, ৩:১৫৬, ৭:১৫৮, ৮:১৭, ৯:১১৬, ১০:১০৪, ১৬:৭০, ৪০:৬৮, ৪৪:৮, ৪৫:২৬, ৫০:৪৩, ৫৭:২।

আল্লাহ মৃত্যুকাল নির্ধারিত করেন:

আমি তোমাদের মৃত্যুকাল নির্ধারিত করেছি এবং আমি অক্ষম নই।
(৫৬:৬০)

আল্লা মৃত্যুর জন্য অপরকে দোষারোপও করেন:

অতঃপর তার অন্তর তাকে ভ্রাতৃহত্যায় উদুদ্ধ করল। অনন্তর সে তাকে হত্যা করল। ফলে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।
(৫:৩০)

অতএব, তারা যে শাস্তিপ্রাপ্ত হয়েছিল, তা ছিল তাদেরই অঙ্গীকার ভঙ্গর জন্য এবং অন্যায়ভাবে রসূলগণকে হত্যা করার কারণে এবং তাদের এই উক্তির দরুন যে, আমাদের হৃদয় আচ্ছন্ন। অবশ্য তা নয়, বরং কুফরীর কারণে স্বয়ং আল্লাহ তাদের অন্তরের উপর মোহর এঁটে দিয়েছেন। ফলে এরা ঈমান আনে না কিন্তু অতি অল্পসংখ্যক।
(৪:১৫৫)

আল্লাহর প্রতিশ্রুতি কিংবা মানুষের প্রতিশ্রুতি ব্যতিত ওরা যেখানেই অবস্থান করেছে সেখানেই তাদের ওপর লাঞ্ছনা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। আর ওরা উপার্জন করেছে আল্লাহর গযব। ওদের উপর চাপানো হয়েছে গলগ্রহতা। তা এজন্যে যে, ওরা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অনবরত অস্বীকার করেছে এবং নবীগনকে অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে। তার কারণ, ওরা নাফরমানী করেছে এবং সীমা লংঘন করেছে।
(৩:১১২)
এখন আমার মনে প্রশ্ন জাগে: যে নবীগনকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে, তাদের মৃত্যুকাল কি আল্লাহ নির্ধারণ করেননি? তাদের মৃত্যু কি আল্লাহ দেননি? আল্লাহ সর্বশক্তিমান হয়েও তার নবীগনকে অন্যায়ভাবে হত্যার হাত থেকে রক্ষা করতে পারেননি, এ কেমন সর্বশক্তিমান? আল্লাহই যদি তাদের মৃত্যু দিয়ে থাকেন তবে মানুষ কেন তার শাস্তি পাবে?

বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০১৪

আব্রাহাম্মক ধর্মগুলো: এতো কাছে তবু দূরে




আবু জাহেলীয় তালিম সমগ্র - ১৩


লিখেছেন আবু জাহেল (Version 2)

৭১.
চীনে রোজা রাখতে বাধা দেয়ায় মুমিনসদের মাথা ব্যথার শেষ নেই! আহা, কী যুগ আসিল ঠিকমতো মুমিনসদের রোজা রাখতে দিবে না! জোর করে খাওয়াবে!! কী নাফরমানি কথাবার্তা! শেষ জামানায় আরো কতো কী দেখতে হইবে, বাপু!!

আহা, মুমিনেরা যখন জোর জবরদস্তি করে অমুসলিমদের স্বাভাবিক খাবার-দাবারে বাধা দেয়, তখন কোনো সমস্যা হয় না বুঝি? দোকানপাট জোর করে বন্ধ রাখায়, চুরি করে কেউ দোকান খুললে শালিশ বসায়, তখন তো কারো সমস্যা হয় না! সমস্যা শুধু মুমিনসদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য! অমুসলিমদের সমস্যা কানে দেয়ার সময় নাই!

৭২.
- মানুষের সবচেয়ে বড় জননাঙ্গ কোনটি?
- সম্ভবত, মানুষের মস্তিষ্ক! কারণ মস্তিষ্ক থেকে সিগনাল না পাঠালে বা মস্তিষ্ক উত্তেজিত না হলে আপনার জননাঙ্গ উত্তেজিত হবে না!

৭৩.
যারা বলে, আমরা আকাশ আবিষ্কার করতে পারি নাই; আকাশ আমাদের চিন্তার বাহিরে, তাদের জন্য একখান কথা আছে! আকাশ যদি আদৌ থেকে থাকে, তা হবে আমাদের থেকে লক্ষ লক্ষ আলোকবর্ষ দুরে! কুরআনে বলা হয়েছে আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণের কথা! তাহলে কি এইটা হাস্যকর না? কারণ বৃষ্টি হয় মেঘ হতে, যা এক হাজার মিটারের মধ্যে বা সর্বোচ্চ কয়েক হাজার মিটার ওপরে থাকে! তাহলে কী বলবেন? 

ত্যানা পেঁচিয়ে জোর করে একটা মিথ্যা জিনিসকে সত্য প্রমাণ করা যায় না!

৭৪.
আপনি যদি কাউকে বলেন যে, আপনি একজন নাস্তিক, লোকে আপনাকে এড়িয়ে চলবে। দেখলেই ভাব ধরবে - আপনি একজন অমানুষ! দেখলেই দুরে চলে যাবে!

তবে মজার বিষয় কী, জানেন? আপনি যদি কাউকে বেশি বেশি করে বলেন যে, আসুন, নামাজে যাই, আসুন মিলাদে যাই, আসুন ওয়াজে যাই, তবে মানুষ আপনাকে আরো বেশি এড়িয়ে চলবে। আরো বেশি দূরে পালিয়ে বেড়াবে!

৭৫.
যারা বিবর্তনের পক্ষে এতো এতো যুক্তি প্রমাণ থাকার পরেও বলে বেড়ায়, বিবর্তন কোনো প্রমাণিত সত্য নয়, তারাই আবার কীভাবে কোনো যুক্তি-প্রমাণ ছাড়াই কাল্পনিক সৃষ্টিতত্ত্ব বা আদম-হাওয়ায় কিচ্ছা-কাহিনী অকপটে বিশ্বাস করে, তা ভাবার বিষয়!

আদম-হাওয়ার কিচ্ছা-কাহিনী বিশ্বাসের জন্য প্রমাণের দরকার হয় না, তবে বিবর্তন তো পাগল-ছাগলের প্রলাপ, এগুলো বিশ্বাস করলে গুনাহ্ হবে! নাউজুবিল্লাহ!

আল্লাহ এসব কাফির বিজ্ঞানী হতে আমাদের হেফাজত করুক!

মানব ইতিহাসের প্রথম ইনসেস্ট কাহিনী "নো ওয়ান এলস টু ফাক"


অচিরেই মহাসমারোহে শুভমুক্তি! বিশ্বের প্রথম মানব আদমের পরিবারে মা-পুত্রের থ্রিসাম ইনসেস্ট কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত...


একই বৃক্ষে দুই চিড়িয়া


লিখেছেন জুপিটার জয়প্রকাশ

ওরা একই বৃক্ষে দুই চিড়িয়া
হিন্দু মুসলমান।
না বুঝে কেউ মন্তর গায়,
কেউ বা গায় আযান।

কেউ ডাকে ম্য্যাআআ, কেউ হাম্বা
লেজও তাদের সমান লম্বা
একটি যদি বাঁদর সাজে
অন্যে হনুমান।

ওরা ঘোড়ার ডিমকে আল্লা ডাকে,
কিম্বা ভগবান।
ওরা এই দুনিয়ার দুইটি বেকুব
হিন্দু মুসলমান।

আমার বোরখা-ফেটিশ – ১০৭




নিঃসীম নূরানী অন্ধকারে - ৯৫


লিখেছেন তামান্না ঝুমু

৪৭১.
ইফতারের সময় রোজাদারদের গোগ্রাসে খাওয়া ও রোজার শেষে ঈদের দিনে মমিনদের আনন্দ দেখেই প্রমাণিত হয়, দিনের বেলা কয়েকঘণ্টা উপোস করা তাদের মোটেই পছন্দের ব্যাপার নয়। শুধু ভয় ও লোভেই তারা উপোস করে, ভক্তি ভ'রে নয়।

৪৭২.
ঢাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো অগণিত মসজিদ। মসজিদ আল্যার ঘর। এক আল্যার জন্য কয়টা ঘর দরকার? অসংখ্য মানুষ যেখানে গৃহহীন, সেখানে একজনের জন্য এতগুলি ঘর কেন? এদিকে পুরুষদেরকে যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে ছ্যাড়ছেড়িয়ে হিসু করতে দেখা যায়। এটা যেমনই দৃষ্টিকটু তেমনই পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। তাই অসংখ্য মসজিদের কিছু কিছু গৃহহীন মানুষের আবাসনের জন্য ছেড়ে দিয়ে বাকিগুলিকে পাবলিক টয়লেটে পরিণত করা উচিত মানবতা ও পরিবেশের খাতিরে।

৪৭৩.
নিজের বাবা, মা, ভাই, বোনকে কেউ হাটে-বাজারে বেচাকেনা করতে কখনো শুনেছেন আপনারা? হ্যাঁ, করছে, হরহামেশাই করছে নিজের মা-বাবা-ভাই-বোনের বেচাকেনা। গাভী হিন্দুদের মা। সেই হিসেবে ষাঁড় তাদের বাবা, এঁড়েবাছুর তাদের ভাই, বকনা বাছুর তাদের বোন। এবং হিন্দুরা তাদের মা-বাবা-ভাই-বোনের বেচাকেনা করে নিত্য, ব্যবসা করে নিজের পরিবার পরিজন নিয়ে। কী অমানবিক ও অগরুবিক ব্যাপার!

৪৭৪.
মাছির উপদ্রব থেকে বাঁচানর জন্য খাদ্যকে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখতে হয়। মমিনারা নিজেদেরকে আপাদমস্তক বস্তা দিয়ে ঢেকে রাখে কেন? তারা কি খাদ্য? মমিনরা কি মাছি?

৪৭৫.
বিষবৃক্ষের সমূলে উৎপাটনই পৃথিবীর মাটি ও পরিবেশের জন্য মঙ্গলকর। প্রতিটি ধর্মই হচ্ছে পৃথিবী ও মানুষের জন্য বিষবৃক্ষ। ডালপালা ছেঁটে দিয়ে এদের বিষ নিঃসরণ বন্ধ করা যাবে না। সুস্থ পৃথিবী ও সুস্থ পরিবেশের জন্য এদের সবগুলিকেই সমূলে উৎপাটিত করে পুড়িয়ে নিশ্চিহ্ন করে ফেলা অপরিহার্য।

মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০১৪

নামাজরঙ্গ - ২৬



পুরান আল্যা বনাম নতুন আল্যা


লিখেছেন দাঁড়িপাল্লা

কোরান থিকা কিছু উদ্ধৃতি দেখা যাক:
মূসা স্বীয় সম্প্রদায়কে বললেনঃ হে আমার সম্প্রদায়, তোমাদের প্রতি আল্লাহর নেয়ামত স্মরণ কর, যখন তিনি তোমাদের মধ্যে পয়গম্বর সৃষ্টি করেছেন, তোমাদেরকে রাজ্যাধিপতি করেছেন এবং তোমাদেরকে এমন জিনিস দিয়েছেন, যা বিশ্বজগতের কাউকে দেননি। 
(কোরান ৫.২০)
হে আমার সম্প্রদায়, পবিত্র ভুমিতে প্রবেশ কর, যা আল্লাহ তোমাদের জন্যে নির্ধারিত করে দিয়েছেন এবং পেছন দিকে প্রত্যাবর্তন করো না। অন্যথায় তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে। 
(কোরান ৫.২১)
মূসা তার অনুসারীদের তাদের জন্য আল্যার নির্ধারিত স্থানে প্রবেশ করতে বলতেছে। 
আল্যার নিজের মুখে শুনেন:
...আমি বনী ইসরাঈলীদের এই সমুদয়ের অধিকারী করেছিলাম। 
(কোরান ২৬.৫৯)
এইটার একটা তাফসীর দেখা যাক:
উদ্যানরাজি, প্রস্রবণ , ধন-ভান্ডার, সুরম্যসৌধমালা ইত্যাদির অধিকারী বনী ইসরাঈলীরা হয়েছিলো, বহু বছর মরূপ্রান্তরে ঘুরে বেড়ানোর পরে প্যালেস্টাইনে এসে। কিন্তু তারা আবার যখন আল্লাহ্‌র বিধান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তখন তারা আবার এসব হারিয়ে ফেলে এবং অন্য সম্প্রদায় [ মুসলমান ] তা অধিকার করে নেয়। কারণ তারা ছিলো প্রকৃত বিশ্বাসী।
মহাম্মদ যেহেতু আগের ইহুদি আর খ্রিষ্টানগো ধর্মগ্রন্থ থিকা কাহিনী কপি-পেস্ট করত, সেহেতু এই কাহিনী খুঁজলে হয়তো ইহুদি আর খ্রিষ্টানগো ধর্মগ্রন্থেও পাওয়া যাবে। তো কোরানেই যেহেতু দেখা যাইতেছে, তখন আপাতত সেই পুরান কাহিনীতে হাত দিলাম না। 

এখানে আল্যায় নিজেই এই ভূমি ইহুদিগো দিতেছে। ইহুদিগো আল্যায় যে বিধান দিছে, সেইটা তারা অমান্য করছে, এমন কথাও ধোপে টিকে না, কেননা যে মহাম্মদ আইসা তার নিজস্ব তথাকথিত আল্যার বিধান নাজিল করছে, ইহুদিরা তাগো নিজস্ব আল্যার বিধান অনুসারে সেই মহাম্মদের বিধান মানে না। বরং মানতে গেলেই বলা যেত যে, ইহুদিরা তাদের আল্যার বিধান অমান্য করছে। তো এখন অন্য সম্প্রদায় মানে মুসলমানরা ইহুদিদের সেই আল্যার দান করা ভূমি আবার "অধিকার" করতে যায় কী মনে কইরা?

পুরান আল্যায় কইছে এই ভূমি ইহুদিগো। আবার নতুন আল্যায় কইছে ইহুদিগো হত্যা কর। ও আল্যা, এ তুমার কেমন বিচার!

নিত্য নবীরে স্মরি – ১৪৯




বাথরুম পরিষ্কার না করায় মুয়াজ্জিনকে মারধর


লিখেছেন বাংলার উসমান মুয়াজ্জিন মোহাম্মদ ইসলাম

সমগ্র মুস্লিম উম্মার কাসে নবী অবমাননার বিসার সাই।

কনটেকটারের সোটো ভাই আজ আমার গলা সিবি (টিপে দেয়া) দেছে।

আসলে হইসে কি, আজান দিবার আগে দিয়া আমি গেলাম টাট্টিখানায়। সেখানে গিয়া দিখি কি, কনটেকটারের কতিফয় শ্রমদাস ময়লাক্ত হইয়া এসেসে মসজিদে। আমি তাদের মুখের দিকে তাকাইয়া তাহাদিগের পেটের অবস্তা সন্দেহ করি ফেলি। অর্থাত, আমি বুঝি ফেলি যে, এরা কিসুক্ষনের ভিতর মসজিদের ভিতর নিজেদের ফেট খালি কোইত্তে যাইতেসে।

কিন্তুক মসজিদ ত হয়েসে মুসুল্লিদের জন্য, সেখানে ত কুনো পুজিবাদি কনটেকটারের বা তার কর্মিদের ফায়খানার যায়গা হতে ফারে না।

তাই আল্লাহর মসজিদের অবমাননা ফ্রতিহত কোইত্তেই আমি টাট্টিখানার বদনাটা লুকিয়ে পেলি। এতে করি শ্রমিক অসন্তোস দিখা দেয়। এবং অসন্তোস বশত শ্রমিকদের ভিতর নেতা শ্রেনির একজন বলে, এক্কেরে দারি টানি সিড়ে ফেলব।

সোটোলুক শ্রমিকের বেয়াদফিতে আমার মনে হইল, সে ধর্মাবমাননা কারাসে। তাই তাকে "নাস্তেক" বলিয়া ধ্বাক্কা মারি মসজিদের মিম্বরের উফর ফেলি দেই।

একটু ফরে সে কন্টেক্টারের সোটো ভাইকে নিয়া আসলে আমি এই পপুজিবাদের কাসে কৈফিয়ত দেই এই বলি যে, এরা জায়গাটা ময়লা করি রাখে, তাই যাকে তাকে এটা বেবোহার কোইত্তে দেতে ফারি না।

তখন, এই সোটোমিয়া আমায় বলে, বাথরুম সাফাই করি রাখতে যুদি তাদের লুকেরা ময়লা করি রাখে।

একজন মুয়াজ্জিন হয়ে আমি কেনো পায়খানা সাফ কোইরব! তাই আমি বলি, এটা মুয়াজ্জিনের কাজ না। এ কথাটি বলার সাথে সাথেই সে আমার গালে চড় মারল, তারফর গলা চাপি ধরি ধাক্কা মারি ফেলে দেয়।

এই ঘটনায় প্রথমতঃ একজন মুয়াজ্জিনকে টাট্টিখানা সাফাই কোইত্তে বলিয়া সে নবী অবমাননা কারাসে।কারন একজন মুয়াজ্জিন ত হযরত বিল্লালের উত্তরসূরী। আর বিল্লাল ত নবিজির সাহাবি। সাহাবি অবমাননা মানে নবিজি অবমাননা।

দ্বিতিয়তঃ এই "সোটোমিয়া" একজন নিরিহ গরিব মুয়াজ্জিনের গায়ে হাত তুলিয়া সারা দুনিয়ার মজলুমের উফর আবারো নিফিড়ন সালালো।

এখন মুসলিম ভাইয়েরা তুমরাই বলো, এই নাস্তেক "সোটো পুঁজিবাদ"-এর কী শাস্তি হওয়া উসিত?

গরুপূজারি গাধাগুলো - ৭৭




আমার 'আমার অবিশ্বাস' পাঠ - ০৮


হুমায়ুন আজদের 'আমার অবিশ্বাস' নামের বইটা পড়তে শুরু করেছিলাম বেশ আগে। ধর্মকারী তখন স্থগিতাবস্থায়। কিন্তু কিছুদূর পড়ার পরে লক্ষ্য করলাম, বইটিতে উদ্ধৃতিযোগ্য ছত্রের ছড়াছড়ি। পড়া তখনই থামিয়ে দিয়ে স্থির করলাম, ধর্মকারী আবার সচল হলে ধর্মকারীর পাঠকদের (অনেকেরই বইটা পড়া আছে, জানি, তবুও...) সঙ্গে টাটকা পাঠমুগ্ধতা ভাগাভাগি করবো। তাই পড়তে শুরু করলাম আবার। বিসমিল্যা।

৩৪.
বিশ্বাসীরা ভীত আর লোভী মানুষ; অন্ধকারে থাকতেই তাদের আনন্দ।

৩৫.
তাঁরা (আমাদের পূর্বপুরুষেরা) মহাজাগতিক সত্য বের করেন নি, বের করার চেষ্টা করেন নি, বরং বিচিত্র রকম দেবদেবী কল্পনা ক'রে সেগুলোকেই সত্য বলে প্রচার করেছেন; এবং চাপিয়ে দিয়ে গেছেন আমাদের ওপর।

৩৬.
তারা (আগেকার যুগের মানুষেরা) কল্পনা করে যে দেবতাদের তুষ্ট করার দরকার; তখন দেখা দেয় পুরোহিত, দৈববাণী, মন্দির, পুজো ইত্যাদির আধিপত্য ও ব্যবসাবাণিজ্য। দিকে দিকে দেবতা তৈরির প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়; তারা মহাজগতের রহস্যকে পরিণত করে শক্তি ও সম্পদের সহজ আকর্ষণীয় উৎসে। আজো সেই ধারা চলছে।

৩৭.
কয়েক হাজার বছর ধ'রে মানুষ উৎপীড়িত হয়ে আসছে নানা নামের কল্পিত অতিমানবিক সত্তাদের দ্বারা। এই পীড়নে অবশ্য ভূমিকা নেই কল্পিত সত্তাদের; তারা কাউকে পীড়ন করে না, তারা জানেও না যে তারা আছে, সৃষ্টি করা হয়েছে তাদের; কিন্তু তাদের নামে সুবিধাভোগী একদল মানুষ পীড়ন করে অন্য মানুষদের। 

৩৮.
কয়েক শো বছরের মধ্যেই সমাজপ্রভুরা ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে; কেননা তারা দেখতে পায় কুসংস্কারে তাদের লাভ অনেক, বিজ্ঞানে ক্ষতি প্রচুর।

সোমবার, ২১ জুলাই, ২০১৪

ধর্মীয় নির্বুদ্ধিতা-বিধ্বংসী বিজ্ঞান



শেষ বিচার বিভ্রাট


লিখেছেন কিশোর লেখক জগৎপ্রেমিক

Afterlife বা পরকালে ঈশ্বর আমাদের পার্থিব সকল কাজের বিচার করবেন। ভালো ও খারাপ কাজের সাপেক্ষে ফলাফল দেওয়া হবে।

যার ভালো কাজ বা পুণ্য কাজ বেশি, সে পুরস্কৃত হবে।
যার খারাপ কাজ বা পাপ কাজ বেশি, সে তিরস্কৃত হবে।

অর্থাৎ বিচারভিত্তি হল কাজ ভালো না খারাপ এবং তার পরিমাণ।

কিন্তু ভালো খারাপ তো আপেক্ষিক বিষয়।

যেমন, রেল লাইনের পাশের জমিটা অবৈধভাবে দখল করে দোকানপাট দিলাম। এখন এটা খারাপ না ভালো? পাপ না পুণ্য?

অবশ্যই খারাপ। এটা তো অবৈধ। 

আবার ভিন্নভাবে দেখলে - এতে বিশেষ কারো ক্ষতি হচ্ছে না, বরং আমি তো বটেই, আমার কর্মচারীরাও আয় করার সুযোগ পাচ্ছে, ক্রেতারা হাতের কাছে পাচ্ছে দোকান। কারো ক্ষতি হচ্ছে না। উল্টো লাভ হচ্ছে।

কাজেই এটা ধর্মীয় পরিভাষায় পুণ্য।

আবার শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা, অনুশাসন ভঙ্গ করা, রেলযাত্রীদের ক্ষতির সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেবার কথা চিন্তা করলে সেটা পাপ কাজও বলা যেতে পারে।

কাজেই এটা পাপ না পুণ্য, সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যাবে না। আমার সাপেক্ষে পুণ্য, কিন্তু রেলবোর্ডের সাপেক্ষে পাপ। ঈশ্বর নিশ্চয়ই নিরপেক্ষ। কাজেই তার বিচার স্তব্ধ হয়ে যাবে।

এ রকম প্রায় সকল কাজেরই ভালো এবং খারাপ উভয় দিকই আছে। নিরপেক্ষভাবে চিন্তা করলেই বোঝা যায়।

অপরদিকে পরিমাণ।

হে পরম বিচারক, মহান গণক, খুন এবংং ধর্ষণের তফাৎ কত?
ক্ষুধার্তকে খাদ্যদান আর ক্ষুধার্তের জন্য জীবনদান? কোনটা অধিকতর পুণ্য?
এক মুঠো ভাতে বেশি পুণ্য নাকি এক গ্লাস জলে?
মরণ পথযাত্রীকে বাঁচানো উত্তম, নাকি খুনি বলে তাকে মরতে দেওয়াই উত্তম?

ঈশ্বর বিচারক নন। শেষ বিচার বলে কিছু নেই। জান্নাতি জাহান্নামি বৈষম্য অলীক।

ঈশ্বর তার সৃষ্টিকে শাস্তি দেবেন না, পুরস্কারও দেবেন না। কারণ তিনি নিরপেক্ষ, সর্বসাপেক্ষ।

কুরান, গীতা, বেদ, বাইবেলে সব চাপা।

হা-হা-হাদিস – ৯৩


অনুবাদ ও ফটোমাস্তানি: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক


মন্দিল-খুশি-করা ইলাস্ট্রেশনসহ বাংলায় অনূদিত আরও অসংখ্য মজাদার হাদিসের সংকলনটি যাঁরা এখনও দেখেননি, তাঁরা কতোটা মিস করেছেন, তা ডাউনলোড করে নিয়ে নির্ধারণ করুন।

ডাউনলোড লিংক
https://docs.google.com/file/d/0B1lqaonhgir4N3ZCcWk1WTdQdkk/edit?usp=sharing
(লিংকের পাতায় গিয়ে ওপরে বামদিকে নিম্নমুখী তীরচিহ্নে ক্লিক করে ফাইলটি ডাউনলোড করুন)
ফরম্যাট: পিডিএফ
সাইজ: ১০.৭৪ মেগাবাইট

ফাল দিয়া ওঠা কথা - ২১


লিখেছেন ধর্মবিদ দেশী

৬১.
কেউ আমাকে ধর্মবিদ্বেষী বলে অভিযুক্ত করলে আমি সেটা প্রত্যাখান করি না। কারণ ধর্মবিদ্বেষ অপরাধ নয়। মানববিদ্বেষ অপরাধ। পৃথিবীর সব ধর্মই মানববিদ্বেষে পূর্ণ। মানববিদ্বেষী ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা পবিত্র দায়িত্ব মনে করি।

৬২.
১৪০০ বছর ধরে এক মাস সারাদিন না খেয়ে ক্ষুধার জ্বালা অনুভবের হাস্যকর প্রচেষ্টার চেয়ে ক্ষুধা নির্মূলের চেষ্টা করাই যৌক্তিক।

৬৩.
মুমিনরা কোনো প্রমাণ ছাড়াই আল্লাকে বিশ্বাস করতে পারে, অথচ নাস্তিকরা আগে মুসলিম ছিলো - এটা বিশ্বাস করে না কেন, কেন প্রমাণ চায়?

কোনো কিছু শুনে বিশ্বাস না করে প্রমাণ চাওয়া কি তাদের ধর্মীয় দর্শনের বিপরীত না?