শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৪

(স্টিকি পোস্ট) ঈশ্বরদের জন্মকথা: ধর্মকারী প্রকাশিত শিশুতোষ কুফরী কিতাব


শিশুদের মগজ ধোলাই করে তা অপ্রমাণিত, ভিত্তিহীন ও ভূয়া তথ্য তথা আবর্জনায় পূর্ণ করতে "ছোটদের ধর্মশিক্ষা", "ছোটদের মহানবী" ধাঁচের উৎকট রূপকথা ও কুৎসিত মিথ্যাকণ্টকিত বইয়ের সংখ্যা অগণ্য। 

কিন্তু আল্লাহ-ধর্ম সম্পর্কে বাস্তব ও স্পষ্ট ধারণা দিয়ে শিশুকে চিন্তা-স্বাবলম্বী করে তোলার ও তার মুক্তচিন্তা বিকাশের পথ খুলে দিতে সহায়তা করার জন্য বাংলা ভাষায় প্রকাশিত বই, খুব সম্ভব, নেই। বা থাকলেও একেবারেই অঙ্গুলিমেয়। 

ওয়ালিদ আল হুসেইনি নামের এক প্যালেস্টাইনী ব্লগারের লেখা সচিত্র বই All Gods Came From One Place বইটি ঠিক সেই ধাঁচের। সেটাকে 'ঈশ্বরদের জন্মকথা' নাম দিয়ে বাংলায় রূপান্তর করেছেন অহম। পিডিএফ-নির্মাণও তাঁরই। এক কথায় - ওয়ান ম্যান শো।

অত্যন্ত সরল ভাষায় রচিত অতীব সুখপাঠ্য এই বইটি শিশুতোষ হলেও প্রাপ্তবয়স্করাও চিন্তার অনেক খোরাক খুঁজে পাবেন তাতে। অতএব নিজে পড়ুন, আশেপাশের সমস্ত শিশুকে পড়তে দিন বা পড়ে শোনান। প্রশ্নাতীত আনুগত্য ও নিঃশর্ত বিশ্বাস যেন শিশুদের গ্রাস না করে।

ফরম্যাট: পিডিএফ
পৃষ্ঠাসংখ্যা: ২৮
সাইজ: ৪.৯ মেগাবাইট
(প্রক্সি ব্যবহারকারীরা নিচের লিংক কপি করে আলাদা ট্যাবে বা উইন্ডোতে পেস্ট করে বইটা ডাউনলোড করতে পারবেন: https://drive.google.com/file/d/0B1lqaonhgir4bkxOTHQ5OXVPRTA/edit?usp=sharing)

প্রথম ইছলামী নভোচারিণী (কার্টুন)



কাসুন্দিমন্থন - ১২


(ধর্মকারীর নতুন পাঠকদের কথা ভেবে নির্বাচিত কিছু পুরনো পোস্ট পুনঃপ্রকাশ করা হবে এই সিরিজে)


১. নাস্তিক্যবাদী তরমুজ
হেন কোনো জায়গা নাই, যেখানে আস্তিকরা যিশুর ছবি, ওম এবং আরবিতে আল্যাফাক লিখা খুঁজে পায় নাই। সব চাইতে আগাইয়া আছে মুমিনরা। গাছে, ডালে, পাতায়, শিরায়, মাছে, মাংসে, বাগুনে, আগুনে, আলুতে, তালুতে, হাতে, মাঠে, আকাশে, বাতাসে, স্তনে, নিতম্বে, নুনুতে, যোনিতে, হাগুতে, কাগুতে - কোথায় আল্যাফাক নাই!
- দাঁড়িপাল্লা
নাস্তিকরাই বা পিছাইয়া থাকবে ক্যান! আচ্ছা, অনুমান করেন তো, আমাদের মতোন বেদ্বীনেরা কী টাইপের 'অলৌকিক' ইশারা পাইতে পারে?

উত্তর জানতে টিভি-সংবাদের প্যারোডি করে বানানো দু'মিনিটের তরমুজমে-চাক্কু ভিডিও!

ভিডিও লিংক: http://youtu.be/LpS5KRLGSmg

প্রথম প্রকাশ: ১০.০১.১০

২. ধর্মাতুল কৌতুকিম – ০৪

১০.
বাগদাদ। অন্ধকার এক রাস্তায় এক পথিকের সামনে উদয় হলো এক সশস্ত্র ব্যক্তির। অস্ত্র তাক করে ধরে সে প্রশ্ন করলো:
– আপনি কোন ধর্মের?
পথিক উত্তর দিলো:
– আমি নাস্তিক।
– নাস্তিক, সেটা বুঝলাম, – বললো সশস্ত্র ব্যক্তি। – কিন্তু আপনি শিয়া নাস্তিক, নাকি সুন্নি নাস্তিক?

১১.
– ইলেকট্রিক বাল্ব বদলাতে ক'জন মুসলমান প্রয়োজন?
– একজনও না। বাল্ব অকেজো হয়ে গেলে বুঝতে হবে, তা আল্লাহর ইচ্ছা। আর তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু করাটা গুনাহ।

১২.
আফ্রিকায় এক সিংহের সামনে পড়লো এক ধর্মপ্রচারক। তৎক্ষণাৎ হাঁটু গেড়ে বসে সে প্রার্থনা করতে শুরু করলো ঈশ্বরের কাছে। তাকে অবাক করে দিয়ে প্রার্থনা শুরু করলো সিংহটিও।
– তুমি প্রার্থনা করছো কেন? – জিজ্ঞেস করলো ধর্মপ্রচারক। – আমি তো তোমাকে মারতে পারবো না।
– তা জানি, – জানালো সিংহটি। – আমি স্রেফ খাবার আগে প্রার্থনা সেরে নিচ্ছি।

প্রথম প্রকাশ: ২৯.১২.০৯

বৌদ্ধশাস্ত্রে পুরুষতন্ত্র: নারীরা হল উন্মুক্ত মলের মতো দুর্গন্ধযুক্ত - ১০


লিখেছেন নিলয় নীল 

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬ > পর্ব ৭ > পর্ব ৮ > পর্ব ৯

পিতা দ্বারা কন্যার সতীত্ব পরীক্ষার আরও উদাহরণ পাওয়া যায় জাতকগুলোতে। ১০২ নম্বর জাতকের মতো প্রায় একই ধরণের কাহিনী আমরা দেখতে পাই ২১৭ নম্বর জাতকে। এই জাতকের নাম সেগগু জাতক। জাতকটির অতীতবস্তুতে পিতা তার কন্যার চরিত্র পরীক্ষাকালে জানায়: 
সর্বত্র দেখিতে পাই নরনারীগণ
ইচ্ছামতো হয় ভোগবিলাসে মগন।
তুমি কিলো সেগগু
একা এতবড় সতী
না জান বৃষলীধর্ম হইয়া যুবতী?
বনে ধরিয়াছি হাত, কান্দো সে কারণ,
রয়েছে কুমারী যেন সারাটা জীবন। 
কন্যাটি এ কথা শুনে তার সতীত্ব সম্পর্কে নিঃসংশয় হতে বলে পিতাকে এই ভাবে: 
যে জন রক্ষার কর্তা সেই পিতা মম
বনমাঝে দুঃখ কেন দেন অতীব বিষম।
বনমাঝে কেবা মোর পরিত্রাতা হবে?
রক্ষক ভক্ষক হয় কে শুনেছে কবে? 
প্রাচীন বিভিন্ন গ্রন্থে কন্যার সতীত্ব পরীক্ষা করতে দেখা যায়, সেক্ষেত্রে বৌদ্ধধর্মের ধর্মগ্রন্থও এমন কোন ব্যতিক্রম নয়। তবে ঐ সব গ্রন্থে সতীত্ব প্রমাণ করতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মাকে দেখা গেছে, কিন্তু বৌদ্ধধর্মে পুরুষতন্ত্র এতোই প্রকট যে, এ ক্ষেত্রে কন্যার সতীত্ব পরীক্ষা করে স্বয়ং তার পিতা। সতীত্ব পরীক্ষার পাশাপাশি নারীর চরিত্র পরীক্ষার দিকে আবার মনোনিবেশ করলে এই সংক্রান্ত একটি জাতক খুব বেশী চোখে পড়ে, তা হলো ১২০ নম্বর জাতক যার নাম বন্ধনমোক্ষ জাতক। 

এই জাতকের অতীতবস্তুতে বারানসীরাজ তার অন্তঃপুরে ষোড়শ সহস্র নর্তকী থাকলেও শুদ্ধভাবে জীবনযাপন করতো, কিন্তু তার রাণী ছিল ব্যভিচারিণী। রাজা রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্রোহ দমনে গেলে রাণী ৬৪ জন দূতের সঙ্গে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়, কিন্তু সর্বশেষ রাজপুরোহিতরূপী বোধিসত্ত্ব রাণীর আহ্বানে সারা দেয় না। তাতে রাণী রেগে গিয়ে বোধিসত্ত্বের ওপরেই কাম প্রস্তাবের অভিযোগ আনে, তবে শেষ পর্যন্ত প্রমাণিত হয়, বোধিসত্ত্ব নির্দোষ। তখন রাজা বোধিসত্ত্ব বাদে বাকি ৬৪ জনকে প্রাণদণ্ডাদেশ দিতে চাইলে বোধিসত্ত্ব মহারাজকে বলেন: “মহারাজ ইহাদের বা দোষ কী? ইহারা দেবীর আদেশ মতো তার অভিলাষ পূরণ করিয়াছে। স্ত্রী জাতি স্বভাবতই দুষ্প্রবৃত্তি ও দুর্দমনীয়া, তাদের প্রয়োজনেই এরা সাড়া দিয়েছে, সুতরাং এদের আর দোষ কী?”

(চলবে)

আমাদের আত্মীয়েরা – ৬২




বৃহষ্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৪

গুগল ভেবে দেখতে পারে



ইসলামী ইতরামি


১. 
ভোরে ঘুম থেকে উঠতে পারেনি বলে ছয় বছর বয়সী মাদ্রাসা-ছাত্রকে মাদ্রাসা-শিক্ষক ছ্যাঁকা দিয়েছে লোহার দণ্ড দিয়ে। হায়! শিশুদের কিছুতেই রেহাই নেই এদের হাত থেকে। হয় ঈমানদণ্ড, নয় লোহার দণ্ড...

২.
অন্ধকারকে আরও প্রবলভাবে আলিঙ্গনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্রুনেই। সে দেশে পরনারী- বা পরপুরুষগমনের শাস্তি - পাথর ছুঁড়ে মৃত্যুদণ্ড, চুরির সাজা - হাতের কব্জি কর্তন ও ইত্যাকার শরিয়া আইনসম্মত শাস্তি সরকারীভাবে প্রয়োগ করার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

৩.
নিচের খবরটা পড়ে জানতে কৌতূহল হলো: এই চুতিয়ার মাইন্ডসেটটাই জঙ্গি-টাইপ বলে সে ধর্মান্তরিত হয়ে মুছলিম হয়েছে? নাকি মুছলিম হবার পরে তার মাইন্ডসেট বদলে সে জঙ্গিতে পরিণত হয়েছে?

৪.
১৯ জনকে হত্যা করে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে আরও এগিয়ে গেল নাইজেরিয়ার ইছলামীদের দল।

৫. 
বাগদাদে একটি শান্তিময় আত্মঘাতী বোমা হামলায় মারা গেছে কমপক্ষে ৩৮ জন।

৬.
পৃথিবীর সবচেয়ে শান্তিময় দেশ ফাকিস্তানে ট্রেন হামলায় শান্তিবিরোধী ৭ জনকে পরপারে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

৭.
মিসরের এক চার্চে চলছিল বিয়ের অনুষ্ঠান। সেখানে হামলা চালিয়ে ২ জন শিশুসহ চারজনকে হত্যা করার মাধ্যমে খ্রিষ্টানদেরকে শান্তির পথে আসার দাওয়াত দিলো ইছলামীরা।

৮.
সরকারী গুপ্তচর সন্দেহে আট ও দশ বছরের দুই বালককে হত্যা করেছে ইছলামী তালেবানরা।

৯.
"বোন, তুমি বেহেশতে যাবে" - এমন প্রতিশ্রুতি পেয়ে একশো বাহান্নজন পুরুষের শয্যাসঙ্গিনী হয়েছে যৌন জিহাদে অংশ নেয়া এক মেয়ে। মূল সংবাদের গুগল-অনুবাদ

১০.
হালাল সেক্স শপ এবার প্যালেস্টাইনে! অপেক্ষায় আছি, কবে হালাল পর্ন, হালাল হুইস্কি, হালাল বরাহমাংস পাবো...

১১.
চৌদি আজবে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কল্পবিজ্ঞানকাহিনীর বিক্রি বন্ধ করার আদেশ দেয়া হয়েছে। বিজ্ঞানভিত্তিক কল্পকাহিনীর এই বইটির বিষয়বস্তু: জ্বীনের সঙ্গে মানুষের প্রেম (হাসি চেপে রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে)! অবশ্য যে দেশে বিজ্ঞানের যেমন হাল, সে দেশের বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী তেমন পদেরই হবার কথা, তাই না?

১২.
বর্তমানে পৃথিবীতে 'অনার কিলিং' বা পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে পরিবারে সদস্যকে হত্যার শতকরা নব্বই ভাগেরও বেশি সংঘটিত হয় মুছলিম সমাজে। এবং কলঙ্ক-আনয়নকারীরা অবধারিতভাবে সব সময়ই মেয়ে। ছেলেরা কি কখনও পরিবারের কলঙ্কের কারণ হতে পারে? অবশ্যই না। এই যেমন, প্যালেস্টাইনে এক পিতা সমাজের দাবির মুখে নিজ হাতে হত্যা করেছে তার কন্যাকে

১৩.
ফাকিস্তানেও এক পিতা তার কন্যা ও কন্যার প্রেমিককে গুলি করে হত্যা করে নিশ্চিত করেছে তার পরিবারের সম্মান।

১৪.
পরিসংখ্যান অনুসারে, ছহীহ ইছলামী দেশগুলোয় ধর্ষণের সংখ্যা খুবই কম বলে নিরন্তর প্রচার চালায় ছাগুবাহিনী। কিন্তু ইছলামী আইন অনুযায়ী, চারজন পুরুষ সাক্ষী ছাড়া ধর্ষণের অভিযোগ করলে উল্টো ধর্ষিতাকেই শাস্তিভোগ করতে হয়, ফলে ইছলামী দেশগুলোয় ধর্ষিতারা নীরব থাকাটাই শ্রেয় মনে করেন - এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি ছাগুকুল উল্লেখ করতে ভুলে যায়। ইছলামী শাসনব্যবস্থায় ধর্ষিতার শান্তি পাবার উদাহরণ অগণ্য। এখানে আরও একটি।

(ওপরের সংবাদগুলো টাটকা নয়, আগে ফেসবুকে প্রকাশিত। তবে আর্কাইভজাত করে রাখতে এখানে আবার প্রকাশ করা হলো।)

এক জোড়া পোস্টার


পাঠিয়েছেন শারমীন লিজা



ফাল দিয়া ওঠা কথা - ০৫


লিখেছেন ধর্মবিদ দেশী

১২.
এক সময় আমি প্রবল ধার্মিক ছিলাম। তারপর বাংলায় কোরআন পড়তে শুরু করলাম...

১৩.
ধর্ম যতদিন থাকবে ততদিনই ধর্মানুভূতি আহত হবে। 

বিশ্বাসী ধার্মিক হওয়া সত্ত্বেও অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারাবে সম্প্রদায়গত, গোত্রগত বা মাজহাবগত পার্থক্যের কারণে। নামাজে তাকবীরের নিয়ম নিয়ে ঝগড়া হবে, দাড়ির পরিমাপ নিয়ে হবে হাতাহাতি, মিলাদ পড়া নিয়ে লাঠালাঠি, ঈদের দিন নির্ধারণ নিয়ে হবে দাঙ্গা...

প্রকৃতপক্ষে ধর্মানুভূতি রক্ষার একটাই উপায় আছে। যাবতীয় ধর্মীয় আলোচনা ও আচারসহ ধর্ম শব্দটিকেই নিষিদ্ধ করে দেওয়া। তাহলে আর কারো অনুভূতি আহত হবে না। রক্ষা হবে অসংখ্য অমূল্য প্রাণ...

১৪.
ইসলাম হচ্ছে সবচেয়ে প্রগতিশীল ধর্ম; যাকে রক্ষার জন্য প্রগতির চর্চা নিষিদ্ধ করতে হয়...

আমার বোরখা-ফেটিশ – ৯১




নিঃসীম নূরানী অন্ধকারে - ৭৪


লিখেছেন তামান্না ঝুমু

৩৬৬.
মহানবীজি মহানবীজি, খেজুর তুমি খাও?
দাসী গনিমত খাও?
খালা, ভাতিজি খাও?
অবুঝ শিশু, তাও?

৩৬৭.
আল্যা বলেছেন, ইয়া কানা আবুদু ওয়া ইয়া কানা আস্তায়িন।
অর্থাৎ আল্যাপাক কোরানে পাকে নিজেই স্বীকার করেছেন যে, তিনি কানা। চোখে দেখেন না। তাই তো পৃথিবীর এতো ক্ষুধা, অন্যায়, অবিচার, বন্যা, খরা, দুর্ভিক্ষ, খুন, ধর্ষণ ইত্যাদি কিছুই তিনি দেখেন না। দেখবেন কী করে? তিনি তো কানা আস্তায়িন। মানে আস্ত একটা কানা, যে কিছুই দেখে না।

৩৬৮.
মহাবদ নবীর হৃদয় খুবই কলুষিত ছিল। তাই তার চারবার সিনা চাক হয়েছিল। মানে আল্যাপাক চারবার নবীর হৃৎপিণ্ড টেনে বের করে নিয়ে ভাল করে ধুয়ে দিয়েছিল। প্রথম বার আল্যা তার হৃদয় টেনে বের করে সাবান দিয়ে ডলে ডলে ধুয়ে আবার যথাস্থানে লাগিয়ে দিলো। তারপরও তার কলুষতা গেল না। দ্বিতীয়বার আল্যা তার হৃদয়কে দোজখের ফুটন্ত পানিতে ভাল করে ৭০ দিন ভরে সেদ্ধ করে তারপর আবার লাগিয়ে দিলো। তবুও গেল না তার কলুষতা। তৃতীয়বার বেকিং সোডা দিয়ে সেদ্ধ করলো ও দোজখের আগুনে পোড়ালো। তবুও গেল না কলুষতা। চতুর্থবার মরুভূমির উত্তপ্ত বালু দিয়ে ভালভাবে ঘষে ঘষে মাজলো এবং ভিনেগার ও বেকিং দিয়ে ৭২ দিন সেদ্ধ করলো, তারপর লাগিয়ে দিলো। তবুও আল্যা দেখলো যে, মহাবদের মহাকলুষিত হৃদয় মহাকলুষিতই রয়ে গেল। তারপর আল্যা ক্লান্ত হয়ে মহাবদের সিনা চাকে ক্ষান্ত দিলো। বললো, তুই কলুষিতই থাক। তোরে পাক সাফ করা আল্যারও অসাধ্য।

৩৬৯.
- খাদিজার জীবদ্দশায় নবীজি কোনো বিবাহ করেনি কেন?
- এতে আশ্চর্য হবার কী আছে? পৃথিবীর কোনো চাকরের কি এমন বুকের পাটা আছে?

৩৭০.
একদা গনিমতের মাল ভাগাভাগি হবার পর ফাতেমা মহাবদকে বললো, মহাবদ ভাইজান, আলি কাকাকে গনিমত এত কম দিয়েছেন কেন? সে এত মানুষের কল্লা কাটে, এত ধর্ষণ, এত লুটপাট করে। তারে আরেকটু বাড়িয়ে দেন। মহাবদ কপালে হাত দিয়ে বললো, হায় হায় রে ফাতেমা, তোর কী হলো রে? আমি তোর আপন আব্বা। আমাকে ডাকলি ভাইজান। আলি তোর আপন স্বামী। তাকে ডাকলি কাকা! কী ব্যাপার বল তো! ফাতেমা বললো, আপনি আমার স্বামীর বড় ভাই, মানে আমার ভাসুর। ভাসুরকে ভাইজান ডাকবো না, তো কি খালু ডাকবো ? আলি কাকা আমার আব্বার ভাই, মানে আমার কাকা। তাকে কাকা ডাকবো না, তো কি তালুই ডাকবো?

বুধবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৪

নিত্য নবীরে স্মরি – ১২৭




পাছে হুজুর পাছা ডলে


ক্ষমতাসীন মদীনা সরকারের শিক্ষাবিভাগের ইছলামীকরণ প্রকল্পে নাস্তিকেরা অবদান রেখেই চলেছে। 'কাজলা দিদি'-কে হিজাব পরিয়ে 'সালমা বহিন' বানানোর পর এবারে মাদ্রাসার উপযোগী করে লেখা হয়েছে কামিনী রায়ের 'পাছে লোকে কিছু বলে'।

লিখেছেন কওমি রহমান

পাছে হুজুর পাছা ডলে 

পড়িতে না পারি নামাজ
সদা ভয় সদা লাজ 
সংশয়ে পাছা সদা টলে
পাছে হুজুর পাছা ডলে

আড়ালে আড়ালে থাকি
নিরবে মলম মাখি
পিছনে হুজুর-দণ্ড চলে
পাছে হুজুর পাছা ডলে

পাছায় বুদবুদ মত
ওঠে শুভ্র মাল কত
মিশে যায় হুজুরের তলে
পাছে হুজুর পাছা ডলে

কাঁদে প্রাণ সবে আঁখি
পাছাটা শুষ্ক রাখি
নির্মল হুজুরের মালে
পাছে হুজুর পাছা ডলে

একটি মলম তথা
প্রশমিতে পারে ব্যথা
চলে যাই হুজুরের তলে
পাছে হুজুর পাছা ডলে

আল্লা দিয়াছে পাছা
খুলেছে হুজুর কাছা
শক্ত মারা হুজুরের তলে
পাছে হুজুর পাছা ডলে

(ডিউক আকিতা-র তৈরি)

গরুপূজারি গাধাগুলো - ৫৭




লুক্স লিখিত সুসমাচার - ৪১


লিখেছেন লুক্স

৩৭৬.
''আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণ না করেই ব্লগে ও ফেসবুকে ধর্ম প্রচার করায় ডিবি পুলিশ ভুলে ভরা কোরানসহ গ্রেপ্তার করেছে দেশের চার জন অনলাইন ধর্মপ্রচারককে;'' - ছবিসহ এ রকম খবর একদিন দেশের সব বড় বড় পত্রিকায় আসবে। গ্রেপ্তার এড়াতে আর মান সম্মান বাঁচাতে ছুপা ধার্মিকরা সেদিন নিজেদেরকে গণহারে নাস্তিক ঘোষণা করে সোস্যাল মিডিয়ায় স্ট্যাটাস দেবে। এটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। দেশের মানুষ একদিন সত্যিকার অর্থেই শিক্ষিত হয়ে প্রগতিশীল, বিজ্ঞানমনস্ক, সৎ ও মানবতাবাদী হবে - এ আশা এখনো ছাড়িনি।

৩৭৭.
ইসলাম সমগ্র মানবজাতিকে মুসলিম আর অমুসলিম - এই দুই ভাগে ভাগ করেছে। স্পষ্টতই ইসলাম হল এক ধরনের ব্রাহ্মণ্যবাদ এবং অমুসলিমরা সবাই তাদের কাছে অন্ত্যজ!

৩৭৮.
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে ঈমান। প্রাণ গেলে যাক, কিন্তু ঈমান হারানো যাবে না। আর এই ঈমান হারানোর ভয়ে মুসলমানরা পড়াশোনা করে না। কারণ, ঈমান নষ্ট হলে তার অতীতের সারা জীবনের ইবাদত অর্থহীন ছিল বলে প্রমাণিত হবে। সুশিক্ষা, জ্ঞান আর আলোকিত জীবনের চেয়েও দামী হলো তাদের ঈমান। ঈমান হচ্ছে - শিক্ষা, জ্ঞান আর যুক্তির জিরো পয়েন্ট। তাই যতোদিন মুসলমানদের মধ্যে ঈমান টিকে আছে, ততোদিন তাদের কাছে ভালো কিছু আশা করাই বৃথা।

৩৭৯.
ইসলামে নারীর অধিকার , মর্যাদা আর স্বাধীনতা নিয়ে বড় বড় কথা না বলাই ভালো।

৩৮০.
দেশ মদিনার দিকে পেছালেও দেশের মানুষ ও মানবাধিকার এগিয়ে গেল এক লাফে হিমালয় সমান।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে রাজধানীতে প্রকাশ্যে প্রথমবারের মতো শোভাযাত্রা করেছে সমকামীদের একটি দল। 'রূপবান' নামে একটি ফেসবুক ফ্যান পেইজ এ শোভাযাত্রা করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। 
সভ্য পৃথিবীতে যে কোনো দেশের, যে কোনো ধর্মের, যে কোনো লিঙ্গের দু'জন মানুষ পরস্পরকে ভালোবাসবে, আমাদের তাতে অসুবিধা কোথায়?

ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে


পাঠিয়েছেন তরী



কুরানে বিগ্যান (পর্ব-৩৩): বদর যুদ্ধ-৪: খুন ও নৃশংসতা অতঃপর ঘোষণা "আল্লাহই তাদেরকে হত্যা করেছেন": ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – ছয়


লিখেছেন গোলাপ
ইসলামের ইতিহাসের সর্বপ্রথম রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষটি সংঘটিত হয় বদর প্রান্তে। এই যুদ্ধের কারণ ও প্রেক্ষাপট, অধিকাংশ কুরাইশ গোত্র ও নেতৃবৃন্দের আক্রমণাত্মক সংঘর্ষে অনীহা ও তার কারণ এবং অনিচ্ছা সত্ত্বেও কুরাইশরা আবু-জেহেলের পীড়াপীড়িতে মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের নাখালায় তাঁদের নিরীহ বাণিজ্য কাফেলায় হামলা, মালামাল লুণ্ঠন, আরোহীকে খুন ও বন্দীর প্রতিবাদে পরিশেষে কীরূপে এই যুদ্ধে জড়িত হয়েছিলেন, তার আলোচনা আগের চারটি পর্বে করা হয়েছে। মুহাম্মদের নেতৃত্বে সেদিন তাঁর অনুসারীরা তাঁদেরই নিকট-আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধব ও পাড়া-প্রতিবেশীদের পানিবঞ্চিত তৃষ্ণার্ত-পিপাসিত অবস্থায় প্রচণ্ড নিষ্ঠুরতায় কীরূপে খুন করেছিলেন, তার বিস্তারিত আলোচনাও আগের পর্বে করা হয়েছে। মুহাম্মদ ও তাঁর সহচরদের সেদিনের সেই নিষ্ঠুরতার শিকার হয়েছিলেন ১৪০ জন কুরাইশ। ৭০ জন কুরাইশকে নৃশংসভাবে করা হয় খুন ও ৭০ জনকে বন্দী। [1]

কুরাইশদের খুন করার পর তাঁদের মৃতদেহগুলো মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরা প্রচণ্ড অবমাননা ও অশ্রদ্ধায় একে একে বদরের এক নোংরা শুকনো গর্তে নিক্ষেপ করেন

আদি ও বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকরা সেই সকল ঘটনার বর্ণনা অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। কিছু উদাহরণ:

উমাইয়া বিন খালাফের লাশ:

‘ইয়াজিদ বিন রুমান < উরওয়া বিন আল-জুবায়ের < আয়েশা হইতে বর্ণিত, শেষ উক্ত জন আমাকে (মুহাম্মদ ইবনে ইশাক) বলেছেন:

যখন আল্লাহর নবী লাশগুলো গর্তে ফেলে দেয়ার আদেশ জারি করেছিলেন, উমাইয়া বিন খালাফের লাশ ছাড়া আর সবার লাশই গর্তে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। বর্মের ভিতরে তার লাশটি ফুলে এমনভাবে ভর্তি হয়ে গিয়েছিল যে নড়া চড়া করার সময় তাঁর বিভিন্ন অংশ খসে পড়ছিল। তাই তাঁর লাশটি যেখানে ছিল, সেখানেই রেখে তাঁরা মাটি ও পাথর চাপা দিয়েছিলেন। যখন লাশ গুলো গর্তে ফেলা হচ্ছিল তখন আল্লাহর নবী দাঁড়িয়ে যান এবং বলেন, "হে গর্ত-বাসী, আল্লাহর হুমকি যে সত্য, তা কি তোমরা উপলব্ধি করছো? কারণ আমি উপলব্ধি করছি যে, আমার আল্লাহ যা প্রতিজ্ঞা করেছে, তা সত্য।" তাঁর অনুসারীরা জিজ্ঞাসা করেন, "আপনি কি মরা মানুষের সাথে কথা বলছেন?" তিনি জবাবে বলেন, তারা জানে যে, আল্লাহর প্রতিজ্ঞা সত্য। ---মুসলমানেরা জিজ্ঞেস করে, "হে আল্লাহর নবী, আপনি কি গলিত লাশদের সম্বোধন করছেন?" তিনি বলেন, "তোমাদের শ্রবণ শক্তি তাদের [গলিত লাশের] শ্রবণ শক্তির চেয়ে উত্তম নয়; কিন্তু তারা আমার কথার জবাব দিতে পারে না।"

ওতবা বিন রাবিয়ার লাশ:

‘যখন আল্লাহর নবী লাশগুলো গর্তে ফেলে দেয়ার আদেশ জারি করলেন, [আবু হুদেইফার পিতা] ওতবা বিন রাবেয়ার লাশ গর্তে টেনে নিয়ে আসা হয়েছিল। আমাকে [ইবনে ইশাক] বলা হয়েছে যে, আল্লাহর নবী ওতবার ছেলে আবু হুদেইফা বিন ওতবার মুখের দিকে দৃষ্টিপাত করেন, ছেলেটির মুখটি ছিল বিমর্ষ ও ছলছলে।

তিনি [নবী] বলেন, "আবু হুদেইফা, তোমার আব্বার এই অবস্থাদৃষ্টে সম্ভবতঃ তুমি কিছুটা  বিষণ্ণতা অনুভব করছো", অথবা এ জাতীয় কোন বাক্য। তিনি [আবু হুদাইফা] বলেন, "না। আমার আব্বার ব্যাপারে আমার কোনো সংশয় নাই, সে মৃত। আমি জানতাম যে, আমার আব্বা ছিলেন একজন জ্ঞানী, সুশিক্ষিত ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি, তাই আমি আশা করেছিলাম যে, তিনি ইসলামে দীক্ষিত হবেন। তাঁর এই পরিণতি এবং অবিশ্বাসী অবস্থায় তাঁর মৃত্যুবরণ হওয়ায় আমি মনঃক্ষুণ্ণ।" আল্লাহর নবী তাঁকে আশীর্বাদ করেন এবং তাঁর সাথে সদয় ভাবে কথা বলেন’। [2] [3] [4]

>>> পাঠক, এই সেই ওতবা বিন রাবিয়ার ছেলে আবু হুদেইফা বিন ওতবা, যিনি বদর যুদ্ধে শুধু তাঁর পিতাকেই হারাননি, হারিয়েছেন তাঁর চাচা সেইবা বিন রাবিয়া এবং ভাই আল-ওয়ালিদ বিন ওতবাকেও। এই সেই ওতবা বিন রাবিয়ার ছেলে আবু হুদেইফা যিনি মুহাম্মদের পক্ষপাতদুষ্ট আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চারণ করেছিলেন, "আমাদেরকে খুন করতে হবে আমাদের পিতাকে, পুত্রকে, ভাইকে এবং পরিবার-পরিজনদেরকে, কিন্তু আব্বাসকে দিতে হবে ছেড়ে?” --- পরিণতিতে উমর ইবনে খাত্তাব আবু হুদেইফাকে খুন করার হুমকি দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, "আমি তার গর্দান নেব!" এই ঘটনার পর আবু হুদেইফা এতই ভীত সন্ত্রস্ত থাকতেন যে, তিনি প্রায়ই বলতেন, সেদিনের সেই উক্তির পর তিনি নিজেকে কখনোই নিরাপদ বোধ করতেন না! [পর্ব ৩১-৩২)]  সুতরাং, এমত পরিস্থিতিতে আবু হুদেইফা একই দিনে নিজের বাবা, চাচা ও ভাইয়ের নৃশংস খুন হবার পর যতই বিষণ্ণ হোন না কেন, তাঁদের করুণ মৃত্যুতে যত মনঃকষ্টই পান না কেন,  তা  প্রকাশ করে আবার ও মৃত্যু-ঝুঁকির বলি হতে যে চাইবেন না, তা বলাই বাহুল্য।

সহি বুখারি: ভলিউম ৫, বই ৫৯, নং ৩১৪

‘আবু তালহা হইতে বর্ণিত:
বদর যুদ্ধের দিন আল্লাহর নবী চব্বিশ জন কুরাইশ নেতৃবৃন্দের লাশ বদরের এক নোংরা শুকনো গর্তে নিক্ষেপ করার আদেশ জারী করেন’।---- [5]

মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৪

হা-হা-হাদিস – ৮৯


হে ঈমান্দার বান্দাসকল, তোমাদের জন্য অজস্র রসময় কথা গুপ্ত রহিয়াছে হাদিস শরিফে।
- সহীহ আল-ধর্মকারী
এই দুনিয়ায় সূর্য কখনওই অস্ত যায় না - এই কথা আল্যাফাকে তো জানতোই না, জানতো না ইছলামের মহামূর্খ মহানবীও। তারে যখন প্রশ্ন করা হইলো, সূর্যাস্তের পর সূর্য কোথায় যায়, সে বিয়াফক গ্যানীর ভাব নিয়া উত্তর দিসিলো, অস্ত যাওনের পর সূর্য আরশের নিচে গিয়া সেজদা দিতে থাকে (ভাইলোগ, একটু কল্পনা করেন, সূর্য সেজদা দিতেসে)... তারপর সকালে সে আবার উদিত হওয়ার অনুমতি চায়।

বোকচোদ নবীর কাছে এর চেয়ে ভালো উত্তর অবশ্য আশা করা যায় না। তবে এই উত্তর আরও একটা কথা প্রমাণ করে, পৃথিবী যে গোলাকার, সেই ধারণা আছিলো না আল্যা-নবীর।

এ প্রসঙ্গে দাঁড়িপাল্লা-র বানানো একখান মোক্ষম পোস্টার:


এবারে মূল হাদিস:
মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ (রহঃ) আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় আবূ যার (রাঃ)-কে বললেন, তুমি কি জানো, সূর্য কোথায় যায়? আমি বললাম, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল(সাঃ)ই ভাল জানেন। তিনি বললেন, তা যেতে যেতে আরশের নীচে গিয়ে সিজদায় পড়ে যায়। এরপর সে পুনঃ উদিত হওয়ার অনুমতি চায় এবং তাকে অনুমতি দেওয়া হয়। আর অচিরেই এমন সময় আসবে যে, সিজদা করবে তা কবূল করা হবে না এবং সে অনুমতি চাইবে কিন্তু অনুমতি দেওয়া হবে না। তাকে বলা হবে যে পথে এসেছ, সে পথে ফিরে যাও। তখন সে পশ্চিম দিক হতে উদিত হবে–এটাই মর্ম হল আল্লাহ তাআলার বাণীঃ আর সূর্য গমন করে তার নির্দিষ্ট গন্ত্যব্যের দিকে, এটাই পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞের নিয়ন্ত্রণ। (৩৬:৩৮)
সহীহ বুখারি, অধ্যায়: সৃষ্টির সূচনা, হাদিস নাম্বার: ২৯৭২

চিত্রপঞ্চক - ৫৮


পূর্ণাকারে দেখতে ছবিগুলোর ওপরে ক্লিক করতে হবে।

শুধুই কি তাই? 

ইতালীয় ভাষায় dio অর্থ 'ঈশ্বর', আর io অর্থ 'আমি'

তবে শিশুবালকদের 'স্বাগতম' 

মুখ ফসকে সত্যি কথা? 

হ, শিট হ্যাপেনজ

এবং একটি বোনাস ছবি। একটু ইয়ে টাইপ। অতএব ইমোটা খিয়াল কৈরা  

নাস্তিকদের কটূক্তির দাঁতভাঙা জবাব - ১০


লিখেছেন অ বিষ শ্বাসী

আসুন, নাস্তিকদের কটূক্তির বিরুদ্ধে দাঁতভাঙা জবাব দেই...


কটূক্তি ১৯:
কোরানের ২১:৩২ আয়াতে বলা হয়েছে, 'আমি আকাশ মন্ডলীকে সুরক্ষিত ছাদ করেছি, অথচ তারা আমার আকাশস্থ নির্দেশাবলী থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখে।' অথচ আকাশ বলতে কিছুর অস্তিত্ব বিজ্ঞান স্বীকার করে না। তাহলে কোরআন কীভাবে বিজ্ঞানময় কিতাব হয়?

দাঁত ভাঙা জবাব:
দেখুন, এখানে আকাশ বলতে প্রতীকী ভাবে ওজোন স্তরের কথা বলা হয়েছে। আপনার জানেন ওজোন স্তরের মাধ্যমে আমরা সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে বাঁচতে পারি। আধুনিক বিজ্ঞান এই বিষয়ে সম্প্রতি জানতে পারলেও কোরানে আল্লাহ ১৪০০ বছর আগেই এই কথা বলে দিয়েছেন।


কটূক্তি ২০:
কিন্তু কোরানের ৬৭:৫ আয়াতে বলা আছে, 'আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা (তারকামন্ডলী) দ্বারা সাজিয়েছি;' আকাশ বলতে যদি ওজোন স্তর বোঝায় তাহলে কি বলতে হবে, ওজোন স্তরের ভিতরেই তারা অবস্থিত...? 

দাঁত ভাঙা জবাব:
দেখুন, বিজ্ঞান আকাশের অস্তিত্ব স্বীকার না করলেই যে আকাশ নেই, তা কিন্তু নয়। বিজ্ঞানীরা তো মহাবিশ্বের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত যায়নি। মানুষের জানার বাইরে মহাবিশ্বের বিশাল অংশ আছে। তাই বলা যায়, আকাশও আছে। আর প্রথম আকাশের অভ্যন্তরেই নক্ষত্রমন্ডলী সহ আমাদের মহাবিশ্ব, পৃথিবী অবস্থিত...

[বি.দ্র. কটূক্তির বদলে দাঁত ভাঙা জবাব গুলো আমার নয়। বিভিন্ন সময়ে ভার্চুয়াল মুমিনগণ যে জবাব দিয়েছেন তা কপি করে ছড়িয়ে দিচ্ছি শুধু। আপনারাও সবাই শেয়ার করে নাস্তিকদের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে জবাব দিন, ঈমান পোক্ত করুন...]

শিশুশিকারী ধর্মযাজকেরা




পাঁচ ফোড়ন - ০৬


লিখেছেন সাদিয়া সুমি

২৬.
যত কথাই তারা বলুক না কেন, দিনশেষে তারা সবাই মুসলমান ও আমরা তাদের শত্রু। ধর্মবিরোধী কথা বললেই তাদের সুশীলতার মুখোশ খুলে গিয়ে তাদের আসল হিংস্র রুপটি বের হয়ে আসে।

তাজরিন, রানা প্লাজা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, এই ইস্যুগুলোর কোনোটিই বাঙালিকে একতাবদ্ধ করতে পারেনি। এমনকি শাহবাগ আন্দোলনও বহুভাগে বিভক্ত হয়ে যায়।

একমাত্র একটি শ্রেণীর বিরুদ্ধে সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি ঐক্যবদ্ধ। সেটি হলো ইন্টারনেটে বিদ্যমান সকল নাস্তিক, যারা বাংলাভাষায় লেখালেখি করে - ধর্মের বিরুদ্ধে, কুসংস্কারের বিরুদ্ধে, প্রগতির পক্ষে।

২৭.
আইন পাশ করিয়ে পুলিশ দিয়ে ভয় দেখিয়ে তবেই ধর্মকে রক্ষা করতে হয়। কেন, ধর্ম তার নিজের যুক্তি দিয়ে নিজেকে রক্ষা করতে পারে না? কই, বিজ্ঞানকে রক্ষা করার জন্য আইন বা পুলিশ কোনটিরই দরকার তো পড়ে না!

২৮.
মুহাম্মদ নাকি প্রায়ই ঘুমের ঘোরে 'কিয়ামত কিয়ামত . . .' বলে চিৎকার করে ধড়ফড় করে উঠে বসতেন। তার ছিল মৃগিরোগের ব্যামো। এটা, সম্ভবত, সেটারই লক্ষণ। তার লেখা কোরানে এজন্যই প্রতিটি পাতায় কিয়ামতের ভয়াবহতার কাল্পনিক বর্ণনা দেয়া হয়েছে। অথচ তার মৃত্যুর চোদ্দশ বছর পরেও পৃথিবী অক্ষত আছে। এবং বিজ্ঞানীরা বলছেন, আগামি কয়েক কোটি বছরেও পৃথিবীর কোনো ক্ষতি হবে না।

২৯.
প্রচলিত সব ধর্মই মধ্যপ্রাচ্য ও ভারতবর্ষে আবির্ভুত হয়েছে। কেন? আমেরিকা, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপে কি মানুষ বসবাস করত না? নাকি ঈশ্বর এদের সম্পর্কে জ্ঞাত ছিলেন না?

৩০.
আমার পরিচিত একজন বুয়েট শিক্ষক নতুন বিয়ে করেছেন। বাবা ছেলের বউ দেখেননি। কারণ আর কিছুই না। ইসলামী পর্দা। আমি টাশকি খাইয়া গেলাম। 

আমাদের পাশের অ্যাপার্টমেন্টে মেডিকেল কলেজের এক অধ্যাপক থাকেন। ভদ্রলোকের দুই ছেলে এক মেয়ে। তিনি সবক'টিকে মাদ্রাসায় পড়িয়েছেন। চৌদ্দ বছরের কিউট মেয়েটাকে বিয়ে দিয়েছেন এক জুব্বা হুজুরের কাছে। আমি এতো বিরক্ত যে, দেখা হলে তার সাথে কথাও পর্যন্ত বলি না।

শিক্ষিত লোকদের মধ্যে ধর্মান্ধতা বেশি ছড়াচ্ছে। এটা সামাজিক উন্নয়নের জন্য বিরাট অন্তরায়।

বিবর্তনবাদ অভ্রান্ত


২০০৪ সালে প্রকাশিত বিশদ নিবন্ধ
এ বিষয়ে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক-এর বানানো ডকুমেন্টারি: প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় খণ্ড, তৃতীয় খণ্ড


সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৪

দাঁড়িপাল্লার ঝাড়ি - ০৮


লিখেছেন দাঁড়িপাল্লা

২২.
৯৭% মুসলমানের একটা ইসলামিক দেশের রাষ্ট্রভাষা কিনা হিন্দুয়ানী বাংলাভাষা! এইডা কিছু হইলো? 
দুই-চাইরটা কইরা হিন্দুয়ানী বাংলা শব্দের আগা কাইটা মুসলমানি না করাইয়া একেবারে উর্দু বা আরবিরে রাষ্ট্রভাষা কইরা দিলেই তো হয়। পাকি মিয়া আর সৌদি শেখের বীর্যজাতরা এই ব্যাপারে চুপ কেন?

২৩.
খবর: বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির নির্মানের ঘোষণা দিয়েছে বিজেপি।
প্রতিক্রিয়া: মুসলমানদের ধর্মানুনুভোদা ফাক ফাক কাট কাট।

খবর: লালমনিরহাটের পাটগ্রামে উপজেলা নির্বাচনে হারের প্রতিশোধ হিসেবে পুরাতন কালীমন্দির ভেঙ্গে মুসলমানদের মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা।
প্রতিক্রিয়া: আলিফ লাম মিম...

খবর: কুয়াকাটায় সবচেয়ে প্রাচীন ঐতিহ্য রাখাইন পুরাকীর্তি শয়নরত বুদ্ধমূর্তিসহ ঠাকুরবাড়ি ও মন্দির এলাকার অর্ধেক জমি দখল করে বাড়িঘর করা হয়েছে। বাকি জমি দখল করতে গাছপালা কাটা হয়েছে।
প্রতিক্রিয়া: আলিফ লাম মিম...

২৪.
আইন সবার জন্য সমান হইলে সেই আইন মাইনা নিতে কারো কোনো আপত্তি থাকার কথা না। আল্যার কসম, ব্লাসফেমি আইন মাইন নিতে আমারও নাই আপত্তি নাই। কিন্তু "লা ইলাহা ইল্যাল্যাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্যা" - এই কথাটার চাইতে আর কোনো বড় ধর্মবিদ্বেষী কথা আছে বইলা আমার জানা নাই। আইন সমান হইলে এই কথাটার সবার আগে বিচার হওয়া উচিত। 

তারপর আজ পর্যন্ত এই ভারতবর্ষ থিকা শুরু কইরা এই বাংলাদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ বা ক্ষমতাবানরা অন্য ধর্মের যত উপাসনালয় ধ্বংস করছে, এমনকি এখনো করে যাচ্ছে - সেগুলার বিচারসহ প্রতিনিয়ত অন্য ধর্মের বিরুদ্ধে যত কথা বলা হইতেছে সেগুলারও বিচার হইয়া আসতে হবে। অন্যথায় বরাবরের মতই ধর্মের মায়রে ধর্মকারী...

দুষ্টু যাজিকারা - ০৭