৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

আমার বোরখা-ফেটিশ – ১৫২


ধর্মাতুল কৌতুকিম – ৬৬

১৯২.
ঈদের দিনই পবিত্র রমযান মাসের পবিত্রতার সমাপ্তি ঘটে।
আর ঘটবে না-ই বা কেন, রমযানের পরবর্তী মাসের নাম যে শাওয়া'ল...
(বানিয়েছেন ধর্মব্যবসায়ী)

১৯৩.
তরুণী: ফাদার, আমি পাপ করেছি।
যাজক: কী করেছো তুমি?
তরুণী: এক লোককে 'কুত্তার বাচ্চা' বলেছি।
যাজক: তাকে 'কুত্তার বাচ্চা' বলেছো কেন?
তরুণী: কারণ সে আমার হাত ধরেছিল।
যাজক: এভাবে? (তরুণীর হাত ধরলো সে)
তরুণী: হ্যাঁ, ফাদার।
যাজক: এ কারণে তাকে 'কুত্তার বাচ্চা' বলাটা ঠিক হয়নি।
তরুণী: তারপর সে আমার বুকে হাত দিয়েছিল।
যাজক: এভাবে? (তরুণীর বুকে হাত রাখলো সে)
তরুণী: হ্যাঁ, ফাদার।
যাজক: এ কারণে তাকে 'কুত্তার বাচ্চা' বলাটা ঠিক হয়নি।
তরুণী: তারপর সে আমার কাপড় খুলে ফেলেছিল, ফাদার।
যাজক: এভাবে? (তরুণীর কাপড় খুলে ফেললো সে)
তরুণী: হ্যাঁ, ফাদার।
যাজক: এ কারণে তাকে 'কুত্তার বাচ্চা' বলাটা ঠিক হয়নি।
তরুণী: এর পরে সে তার ইয়েটা আমার ইয়েতে ইয়ে করেছিল।
যাজক: এভাবে? (সে তার ইয়েটা তরুণীর ইয়েতে ইয়ে করলো)
তরুণী: হ্যাঁ, ফাদার! হ্যাঁ, ফাদার! হ্যাঁ, ফাদার!
যাজক: (কয়েক মিনিট পরে) এ কারণে তাকে 'কুত্তার বাচ্চা' বলাটা ঠিক হয়নি।
তরুণী: কিন্তু, ফাদার, তার তো এইডস ছিলো।
যাজক: শালা কুত্তার বাচ্চা!

১৯৪.
এক বৌদ্ধ আত্মহত্যা করলো। পাওয়া গেল তার সুইসাইড নোট। সে তাতে লিখেছে:
- BRB.

চিত্রপঞ্চক - ১২৯

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

সকল অপকর্মের দায় নাস্তিকদের

২০০৭ সালের ২৯ জানুয়ারি আলাস্কার এক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল এই অমূল্য পত্রখানি। অ্যালিস নামের ধর্মাবিষ্ট একজন পাঠক/পাঠিকা লিখেছিলেন, সব নাস্তিককে ঘাড় ধরে আমেরিকা থেকে বের করে দেয়া উচিত। কারণ আমেরিকায় থাকতে গেলে ঈশ্বরবিশ্বাস বাধ্যতামূলক। আর তাছাড়া নাস্তিকেরা আইনভঙ্গকারী কোনও অপরাধ না করলেও আমেরিকার সর্বনাশের কারণ তারাই। তাদের কারণেই আমেরিকার অপরাধপ্রবণতা বর্ধনশীল। (আস্তিকীয় যুক্তি অ্যাট ইটস বেস্ট!)


পত্রটির অনলাইন ভার্শন

(১৪.১ ১০ তারিখে প্রথম প্রকাশিত) 

analysis of কোরআন, looking for বিজ্ঞান - ২

লিখেছেন শ্মশানবাসী

অনেক রহস্য লুকিয়ে আছে কোরআনের পাতায় পাতায় আর মুসলিমদের জীবনধারায়। তাই বাদ দেয়া যাক বরং। এখানে বিজ্ঞানের সাথে রহস্যের আলোচনা করে বিদঘুটে জগাখিচুড়ি পাকানোর ইচ্ছে নেই। সহজ-সরলভাবে দুটি কথা বলি।

যাঁরা প্রতিদিন কোরআন পড়েন ও অর্থ বোঝেন, তাঁরা হয়তো লক্ষ্য করবেন, কোরআনের প্রতিটি আয়াত দু'ভাবে বিভক্ত, যার প্রথম ভাগে আছে কথিত আল্লাহর স্পষ্ট বাণী আর দ্বিতীয় ভাগে রয়েছে আমাদের পেয়ারের নবীর আল্লাহকে তেল মারা। আজকের এই আলোচনায় যদি আল্লাহর অস্তিত্বের সাথে পেয়ারের নবীর মুখোশও খুলে আসে, তবে লেখক দায়ী না।

লক্ষ করলে দেখবেন, প্রায় প্রতিটা আয়াতেই আল্লাহ তার নিজের গুণগান গেয়েছেন। যেমন, তিনি দয়ালু, ক্ষমাশীল, উদার, সর্বজ্ঞ ইত্যাদি ইত্যাদি। এই কথাগুলো যদি আল্লাহ জিব্রাইলের দ্বারা নবীর কাছে প্রেরণ করে থাকেন, তবে বলতেই হয় - আল্লাহ জিব্রাইল ও তার নবীর দ্বারা নিজের ঢোলটা পিটিয়ে নিয়েছেন। যা হয়তো বিশ্বাসযোগ্য নয়। কারণ সৃষ্টিকর্তা কেমন হবে কোমলে কঠোরে মিশ্রিত, তা সহজেই অনুমেয়। প্রতি আয়াতে আয়াতে তা প্রকাশ করতে হয় না। বিদ্বান লোকের একটা কথা আছে, "মিথ্যা কথা বারবার বলতে হয়।" তাই বলে কোরআনের আয়াতকে মিথ্যা বলতে পারি না। ৫৭ ধারার ভয় আছে!

আসুন, সুরা ফাতিহার ব্যবচ্ছেদ করি, তাহলেই অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

সুরা ফাতিহার সাতটি আয়াত: ১) শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু। ২) যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা। ৩) যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু। ৪) যিনি বিচার দিনের মালিক। ৫) আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি। ৬) আমাদেরকে সরল পথ দেখাও, ৭) সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।

যার মধ্যে চারটিতেই আল্লাহ তার ভাঙা ঢোলখানা পিটিয়েছেন। বাকি তিনটি আয়াতে স্পষ্ট বোঝা যায়, এগুলো কোনো খোদাবিশ্বাসী ব্যক্তির তার উপাস্যের কাছে আত্মসমর্পণের আকুতি, যা কোনোভাবেই আল্লাহর বাণী হতে পারে না।

গরুপূজারি গাধাগুলো - ১২২


ফাতেমা দেবীর ফতোয়া - ১৯

লিখেছেন ফাতেমা দেবী (সঃ)

৯১.
আল্যাতালা-চাবির কোনো নেয়ামতকেই আমি অস্বীকার করি না। যেমন, এত এত মানুষ যে ফুটপাতে ঘুমায়, এত এত মানুষ যে অনাহারে মরে, এত এত যে হানাহানি খুনোখুনি কাড়াকাড়ি হত্যা ধর্ষণ অবিচার ইত্যাদি ইত্যাদি - সবই তো আল্যার হুকুম ও রহমতের জন্য হয়ে থাকে। আল্যার এসকল নেয়ামতকে আমি কীভাবে অস্বীকার করবো? এজন্য আমি আস্তিক।

৯২.
মরুদস্যুকে মরুদস্যু বলব না, তো বলব কী? শিশুকামীকে শিশুকামী বলব না, তো বলব কী? পত্রবধূকামীকে পত্রবধূকামী বলব না, তো বলব কী? যুদ্ধবাজকে যুদ্ধবাজ বলব না, তো বলব কী? দাসীকামীকে দাসীকামী বলব না, তো বলব কী? খুনিকে খুনি বলব না, তো বলব কী? ভণ্ডকে ভণ্ড বলব না, তো বলব কী? খবিসকে খবিস বলব না, তো বলব কী?

৯৩.
ধর্মগ্রন্থগুলির অনুবাদ পড়ে যে কোনো বিবেকবান মানুষই ধর্ম ত্যাগ করে অত্যন্ত ঘৃণা ভ'রে। আর এভাবেই ধর্মগুলি বিলুপ্ত হয়ে যাবে একদিন। তাই ধর্মগুলিকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে ধর্মগ্রন্থগুলির অনুবাদ নিষিদ্ধ করা উচিত।

৯৪.
তোমাদের জন্য শিক্ষণীয় আছে চতুষ্পদ জীবে, উহাদের উদরস্থ বস্তু তোমাদিগে পান করাই, এতে তোমাদের আছে প্রচুর উপকার, উহাদের গশতও তোমরা ভক্ষণ করো। (সুরা ২৩:২১)

আমরা কোনো কোনো চতুষ্পদ জীবের দুগ্ধ পান করে থাকি। আমরা জানি, দুগ্ধ থাকে স্তনে। স্তন কিংবা দুগ্ধ কোনটাই উদরের ভেতরে থাকে না। পশুদের উদরের ভেতরে থাকে মলমূত্র। আল্যাতালা বলেছেন, তিনি মমিনদিগে চতুষ্পদ জীবের উদরস্থ বস্তু পান করান। তার মানে তিনি মমিনদিগে চতুষ্পদ জীবদের মলমূত্র পান করান। আমরা যারা অমমিন, তারা সবাই চতুষ্পদ জীবের দুগ্ধ পান করি। আল্যাপাক কেন মমিনদেরকে পশুদের নাপাক মলমূত্র পান করান? মমিন হওয়া এত্ত বড় গুনাহ? এত নাপাকি জীবন মমিনদের?

৯৫.
- নবীজির যৌনক্ষমতা ছিল সাধারণ পুরুষের ৩০ গুণ। সাধারণ মানুষ সম্রাট আকবরের বিবির সংখ্যা যদি ৩০০-র বেশি হয়, নবীজির বিবির সংখ্যা কত হওয়া উচিত ছিল?
- ৯০০০।

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

নিত্য নবীরে স্মরি – ২০২


নবীবিবিবিবরণী

লিখেছেন জুলিয়াস সিজার

নবী মোহাম্মদের মোট স্ত্রীর সংখ্যা ছিল ১২ জন। আবার কোনো কোনো ঐতিহাসিকের মতে - ১৩ জন। আরব পুরুষদের জন্য অক্সিজেনের অপর নাম নারীসঙ্গ এবং বহুগামী যৌনলালসা। ধার্মিক মুসলমানেরা মনে করে থাকেন, নারী কিংবা বিধবাদের উদ্ধার করতে প্রিয় নবী মোহাম্মদ ডজনখানেক বিয়ে করেছিলেন। মূল ব্যাপারটা আসলে সেটা নয়। সত্য হচ্ছে - তিনিও অন্য দশজন আরব পুরুষের চেয়ে আলাদা ছিলেন না। নারীলোভ ছিল তাঁর শিরা-উপশিরায়।

মোহাম্মদ প্রথম বিয়ে করেছিলেন নিজের চেয়ে বয়সে ১৫ বছরের বড় খাদিজাকে। মোহাম্মদের বয়স ছিল তখন পঁচিশ, আর খাদিজার চল্লিশ। খাদিজা ছিলেন সেই সময়ে আরবের একজন সম্ভ্রান্ত, ধনী এবং প্রভাবশালী নারী। মোহাম্মদ ছিলেন খাদিজার বেতনভুক্ত কর্মচারীদের একজন মাত্র। নিজের অর্থ, বিত্ত এবং সামাজিক প্রভাব প্রতিপত্তি নিয়ে ইসলামের শুরুর দিকে মোহাম্মদের পাশে যদি সেদিন খাদিজা না দাঁড়াতেন, তাহলে মোহাম্মদের আর আজকে নবী মোহাম্মদ হওয়া হতো না। তিনি সাধারণ মোহাম্মদই থেকে যেতেন। মোহাম্মদকে সব রকম সহায়তা দিয়েছিলেন তিনি।

খাদিজার প্রবল ব্যক্তিত্বের কাছে মোহাম্মদ ছিলেন অসহায়। খাদিজা মারা যান পঁয়ষট্টি বছর বয়সে, মোহাম্মদের বয়স তখন পঞ্চাশ। তাঁদের দাম্পত্য জীবন ছিল ২৫ বছরের। এই ২৫ বছর মোহাম্মদ এক স্ত্রী নিয়েই সুবোধ বালকটির মতো সন্তুষ্ট ছিলেন।

খাদিজা মারা যাওয়ার পরপরই শুরু হয়ে যায় মোহাম্মদের "অসহায় নারীদের উদ্ধার কর্মসূচি।" কেন, খাদিজা বেঁচে থাকা অবস্থায় কি আরবে কোনো অসহায় বিধবা কিংবা নারী ছিলেন না? খাদিজা মারা যাওয়ার পরপরই কি সব নারী অসহায় হয়ে গেলেন?

খাদিজা মারা যাওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই মোহাম্মদ বিয়ে করেন সাওদাকে। তার কয়েকদিন পর বিয়ে করেন মাত্র ৬ বছর (কারো কারো মতে - ৭ বছর) বয়সের আয়েশাকে। আয়েশা হযরত আবু বকরের মেয়ে। ঐ বয়সে আয়েশার সাবালিকা হওয়ার প্রশ্নই আসে না। অনেকে বলেন, হযরত আবু বকরের ইচ্ছেতেই এই বিয়ে হয়েছিল। তিনি চেয়েছিলেন মোহাম্মদের সাথে একটা পারিবারিক সম্পর্ক স্থাপন করতে। সেটা তিনি চাইতেই পারেন, কিন্তু ৬ বছরের শিশু আয়েশা তখন বিয়ের কি বুঝতেন? তাঁর কি বিয়েতে সম্মতি ছিল?

বিবি আয়েশা যখন মোহাম্মদের সাথে প্রথম নবী মোহাম্মদের সাথে শয্যায় যান, তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ৯ বছর। তবুও নবী মোহাম্মদ বলে কথা! নিজের ৯ বছর বয়সের মেয়েকে ৫৪ বছর বয়সী কারো সাথে বিছানায় যেতে হচ্ছে - সেটা একবার কল্পনা করে দেখতে পারেন।

মোহাম্মদ যা করতেন, তা-ই ইসলামে জায়েজ হয়ে গেছে। এরপর থেকেই ইসলামে বালিকাবিবাহ জায়েজ হয়ে গেল। এইতো কিছুদিন আগে ওলামালীগ সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে, মেয়েদের জন্য যাতে বিয়ের নির্ধারিত বয়স না রাখা হয়। বলুন, আলহামদুলিল্লাহ...

মোহাম্মদের পালকপুত্রের নাম ছিল জায়েদ। জায়েদের জন্য তিনি পুত্রবধূ নির্বাচিত করেছিলেন জয়নবকে। কিন্তু জয়নব চেয়েছিলেন ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠতে থাকা মোহাম্মদের স্ত্রী হতে। তিনি জায়েদকে সহ্য করতে পারতেন না। পরে জায়েদের কাছে জয়নব তালাক চাইলে জায়েদ তালাক দেন জয়নবকে। এরপর মোহাম্মদ জয়নবকে বিয়ে করে নেন। এক সময়ের পুত্রবধূ হয়ে গেল নিজের বউ।

এরপর থেকেই ইসলামে পালিত কন্যা, তালাকপ্রাপ্ত ছেলের বউ সব বিয়ে করা জায়েজ হয়ে গেল।

নিজের ডজন স্ত্রী থাকার পরেও মোহাম্মদের ডানহাতের অধিকারভুক্ত দাসী-উপদাসী ছিল। এদের একজনের নাম ছিল মারিয়া। মিসরের শাসনকর্তা মুকাউকিস অন্যান্য অনেক উপহারের সাথে এই সুন্দরী খ্রিষ্টান মেয়েটিকে পাঠিয়েছিলেন মোহাম্মদের কাছে। মোহাম্মদ মারিয়াকে বিবি আয়েশার সেবায় নিয়োজিত করেন। একদিন হাফসার ঘরে গিয়ে মোহাম্মদ জানতে পারেন, বিবি হাফসা গেছেন পিতা হযরত ওমরের সাথে দেখা করতে। মারিয়াকে দেখে মোহাম্মদ যৌনাসক্ত হয়ে পড়েন এবং মারিয়ার সাথে যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হন। পরে হাফসা তাড়াতাড়ি ফিরে এসে এই দৃশ্য দেখে ফেলেন।

"হে আল্লাহর নবী, আমার বাড়িতে, আমার দিনে এবং আমারই শয্যায়!"

মোহাম্মদের ইচ্ছে হলেই আল্লাহ সেই অনুযায়ী ওহী ডেলিভারি দিয়ে দিতেন!

"(মুহম্মদ) এরপর তোমার জন্য কোনো নারী বৈধ নয় আর তোমার স্ত্রীদের পরিবর্তে নতুন স্ত্রী গ্রহণও বৈধ নয়, এমনকি যদি তাদের সৌন্দর্য তোমাদেরকে মুগ্ধ করেও। তবে তোমার ডানহাতের অধিকারভুক্ত দাসীদের জন্য এই বিধান প্রযোজ্য নয়।" (সুরা আজহাব ৩৩/৫২)

১২ টি (মতান্তরে ১৩) স্ত্রী থাকার পরেও আল্লাহর রাসুলের জন্য দাসীরও প্রয়োজন পড়েছিল। অতএব আমরা উপসংহারে বলতে পারি, আল্লাহর নবী চারিত্রিক দিক দিয়ে বেশ ভালোই ছিলেন। শিশু, সাবেক পুত্রবধূ, দাসী, উপদাসী কোনোটাই বাদ রাখেননি তিনি নিজের অনিয়ন্ত্রিত শারীরিক চাহিদা মেটানোর জন্য। আর তিনিই নাকি মহামানব!

পষ্ট কইরা লেখা - ০৮

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

নিদ্রা অপেক্ষা নামাজ উত্তম... থুক্কু! ... ধর্ম অপেক্ষা বিয়ার উত্তম

(অনূদিত)

ধর্ম অপেক্ষা বিয়ার উত্তম, কারণ:

১. বিয়ার না খাওয়ার কারণে কেউ কাউকে হত্যা করে না।
২. কীভাবে সেক্স করা উচিত, বিয়ার সে নির্দেশনা দেয় না।
৩. বিয়ারের কারণে কখনও কোথাও যুদ্ধ হয়নি।
৪. যাদের চিন্তাক্ষমতা কম, তাদের ওপরে বিয়ার চাপিয়ে দেয়া হয় না।
৫. বিশেষ ব্র্যান্ডের বিয়ার খাবার কারণে কাউকে অন্য ব্র্যান্ডের ভক্তরা মেরে ফেলে না, ফাঁসিতে ঝোলায় না, ক্রুশে চড়ায় না, পাথর ছুঁড়ে হত্যা করে না।
৬. বিয়ারের বোতল বা ক্যানের গায়ে প্রকৃত তথ্য উল্লেখ করার আইন আছে।
৭. বিয়ারের অস্তিত্ব প্রমাণের জন্য উদ্ভট কল্পনার আশ্রয় নিতে হয় না।
৮. সম্পূর্ণভাবে বিয়ারাসক্ত হয়ে পড়লে চিকিৎসা ও নিরাময়ের ব্যবস্থা আছে।
৯. বিয়ার বলেছে বলে কেউ কখনও আস্ত প্লেন নিয়ে ঢুকে পড়ে না আকাশচুম্বী অট্টালিকায়।
১০. বিয়ার বাস্তব।
১১. বিয়ার পানের পর সবাইকে বন্ধু মনে হয়। ধর্ম-মদ পানের প্রতিক্রিয়া এর ঠিক উল্টো।
১২. বিয়ারপান-প্রতিক্রিয়া সহজেই দূর হয়। ধর্মের হ্যাংওভার কাটে না।
১৩. অন্য ব্র্যান্ডের বিয়ার পান করলে নিজস্ব প্রিয় ব্র্যান্ডের বিয়ার কাউকে নরকে যাবার অভিশাপ দেয় না।
১৪. ধর্ম পান করা যায় না।
১৫. বিয়ার পান করে মৃত্যুর অগেই স্বর্গসুখ লাভ করা সম্ভব।
১৬. সমস্যা ভুলতে সাহায্য করে বিয়ার। আর ধর্ম তো তা করেই না, বরং সৃষ্টি করে নিত্যনতুন সমস্যার।
১৭. বিয়ারের বিজ্ঞাপন বড়োজোর এক মিনিট দীর্ঘ হয়। আর ধর্ম বিষয়ক অনুষ্ঠান...
১৮. বিয়ার আর পিৎসা - দারুণ এক কম্বিনেশন। কিন্তু ধর্ম আর পিৎসা?
১৯. বিয়ার পান করে পার্টি জমানো সম্ভব। একবার শুধু কল্পনা করুন, পার্টিতে ধর্মালোচনা চলছে...

(১৩.০১.১০ তারিখে প্রথম প্রকাশিত) 

ইছলামী ইতরামি

১. ব্যাংককে ২০ জন নিহত হওয়া বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বলুন দেখি, ব্যক্তিটি কোন ধর্মের অনুসারী?... হ্যাঁ, আপনার অনুমান সঠিক হয়েছে।

২. ছহীহ ইছলামী বিচারের উৎকৃষ্ট নমুনা: ২০১২ সালে নিজের ৫ বছর বয়সী মেয়েকে শারীরিক অত্যাচার, ধর্ষণ ও হত্যা করা চৌদি মোল্লাকে মুক্তি দিয়েছে আদালত। তবে ধর্মের বিরুদ্ধে লেখার কারণে সেই দেশী ব্লগারের মাথার ওপরে ঝুলছে মৃত্যুদণ্ডের সম্ভাবনা।

৩. ইছলাম্পট্যে বাংলাদেশী মোল্লারাও কম যায় না। নিজের মেয়েকে ধর্ষণ করেছে তেমন একজন।

৪. ইছলামী বিচারপদ্ধতি অনুসরণ করে আরও ৯ জন সমকামীকে ইরাকের মোসুল প্রদেশের সর্বোচ্চ দালান থেকে নিচে ফেলে হত্যা করেছে আইসিস।

৫. সেই আইসিস চারজন বন্দীকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ঝুলিয়ে বারবিকিউ-এর মতো করে আগুনের শিখার ওপরে ঝলসিয়ে হত্যা করেছে। বৈচিত্র্যময় ইছলামী বর্বরতা।

৬. এমনকি শিশুদের জবাই করে তাদের মাংস রান্না করে খাওয়ানো হয়েছে মায়েদেরকে - খাছ মুছলিম জঙ্গিদের সংগঠন আইসিস-এর এমন আচরণের প্রতিবাদও মুছলিমদের কাছ থেকে পাওয়া যায় না।

৭. কারণ আইসিস যতো বর্বর, অমানবিক ও বীভৎস ঘটনাই ঘটাক না কেন, তথাকথিত মডারেট মুছলিমদের বিশাল একটি অংশ আইসিস-এর নীরব সমর্থক। প্রকারান্তরে সে কথাই বলেছেন জর্ডানের রাণী

৮. প্যান্ট পরার 'অপরাধে' নারীকে বেত্রাঘাতের বিধান ইছলামই দিয়েছে।

৯. ইছলামী দল আইসিস-এ আল্যার গজব কেন? ১৬ জন ইছলামী যোদ্ধা এইডসে আক্রান্ত!

১০. ১৬ বছর বয়সী খাছ মুছলিম জেনানা নিজ হাতে কাফের হত্যার খায়েশ প্রকাশ করেছে।

১১. সন্তানকে জ্বিনে ধরেছে মনে করে মা তার ১ মাস বয়সী সন্তানকে চার তলা থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করেছে অবলীলায়। শিশু মরেছে, তাতে কী! ধর্মবিশ্বাস জিন্দাবাদ!

১২. আমস্টার্ডাম-প্যারিস ট্রেনে গুলি চালানো মুছলিম জঙ্গির পিতা বলেছে, "সে খুব ভালো ছেলে ছিলো।" জানা গেছে, আক্রমণের আগে জিহাদি ভিডিও দেখেছে সে।

১৩. পার্থিব গেলমানগমনচর্চার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে এক ব্রিটিশ মোল্লা। দেশী মোল্লারাও পিছিয়ে নেই। মাদ্রাসায় পড়া ৮ বছর বয়সী বালককে ধর্ষণ করে মাত্র ৫ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে ছাড় পেয়েছে মাদ্রাসাশিক্ষক। ৯ বছর বয়সী আরেক মাদ্রাসাছাত্রকে যৌননির্যাতনের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নবম শ্রেণীর মাদ্রাসাছাত্রীকে শাদীর প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে এক মাদ্রাসাশিক্ষক।

১৪. কোরানেই যেহেতু একাধিকবার বলা হয়েছে অমুছলিমদের সাথে মুছলিমদের বন্ধুত্ব হারাম (যদিও তাদের দেশে থাকা বেজায় আরাম), তাই সেই কথাটি আবারও বলে নিশ্চয়ই কোনও অপরাধ করেনি সুইডিশ মোল্লা!

১৫. মিস ইতালি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী এক প্রতিযোগিনী জন্মসূত্রে মুছলিম হবার কারণে তার কঠোর সমালোচনা করছে মুছলিম সমাজ।
১৬. গোয়েন্দাদের তল্লাশির সময় নিজের ৫ ও ৭ বছর বয়সী দুই ছেলে ও স্ত্রীসহ নিজেকে বোমায় উড়িয়ে দিয়েছে ফাকিস্তানী মুছলিম জঙ্গি।

১৭. ফাকিস্তানে মুছলিমদের উদ্বুদ্ধ করা হয় হিন্দুদের হত্যা করতে।

১৮. 'অসামাজিক' কার্যকলাপের ধুয়ো তুলে হোটেলে হামলা চালিয়ে নারী-পুরুষ গ্রেপ্তারের পর প্রায় সব সময়ই দেখা যায়, আটককৃত অধিকাংশ নারীর পরনে ইছলামসম্মত লেবাস

১৯. জিহাদি রস শুকিয়ে গেছে। নির্লজ্জ জঙ্গি জেনানা (যে কিনা ব্রিটিশ বাঙালি) নাছারাদের দেশ ব্রিটেনেই ফিরে যেতে চায়

২০. গত আগস্ট মাসের ইছলামী ইতরামির সংক্ষিপ্ত খতিয়ান: জিহাদী হামলা - ২৪০ বার (গড়ে দিনে ৮ বার), হত্যা - ২২৯৭ জন (গড়ে দিনে প্রায় ৭৭ জন)।

বেদ্বীনবাণী - ৪৫


হানিলতা সেন

জীবনানন্দ দাশ-এর বনলতা সেন কবিতার প্যারোডি লিখেছেন নাস্তিকথন

হাজার বছর ধরে আমি ডাকাতি করিতেছি হেজাজের পথে,
উত্তপ্ত মদিনা থেকে নিশীথের অন্ধকারে উহুদ বদরে
অনেক লুটেছি আমি; কোরায়জা মোস্তালিকের ধূসর জগতে
মক্কায় ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে;
আমি অতৃপ্ত প্রাণ এক, ঘরেতে ৬৫ পার খাদিজা ছিলেন,
আমারে ঈমানদণ্ড-শান্তি দিয়েছিল মেরাজের হানিলতা সেন।

চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,
মুখ তার বেহেস্তের কারুকার্য; অতিদূর মরুভূমির ’পর
উট হারিয়ে যে-বেদুইন হারায়েছে দিশা
ধূসর বালির দেশ যখন সে চোখে দেখে বালিচিনি-দ্বীপের ভিতর,
তেমনি চেখেছি তারে অন্ধকারে; বলেছে সে, ‌‌‘এতদিন কোথায় ছিলেন?’
খেজুর বিচির মতো চোখ তুলে মেরাজের হানিলতা সেন। 

সমস্ত মেরাজ শেষে জিকিরের শব্দের মতন
সকাল আসে; জিহ্বায় হানির গন্ধ চোখদুটো নীল;
হিজরের সব সাহাবা জেগে গেলে খোঁজাখুঁজির করে আয়োজন
তখন ফাঁদি কল্পগল্প - আসমান ভ্রমণের রঙে ঝিলমিল;
বুড়ি বউয়ের ঘরে ফিরি - আমি নবী - ফুরায় এ জীবনের সব লেনদেন;
থাকে শুধু অন্ধকার, মুখোমুখি বসিবার হানিলতা সেন।

৩১ আগস্ট, ২০১৫

হা-হা-হাদিস – ১৪৫

কতো রসময় কথা গুপ্ত আছে হাদিসে!

পেঁয়াজ সংকটের ঐশী কারণ

লিখেছেন ক্যাটম্যান

সম্প্রতি পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে সংকটে পড়েছেন দেশীয় ভোক্তারা। শুধু তাই নয়, ভারতের বাজারে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ায় সেখানকার পেঁয়াজ ভোক্তাদের মাঝেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। হঠাৎ পেঁয়াজের এমন অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পশ্চাতে কী কারণ নিহিত আছে, তার অনুসন্ধানে সরকার ও বাজার বিশ্লেষকগণ রীতিমত গলদঘর্ম হচ্ছেন। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। কেউ কেউ পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির কয়েকটি কারণ সনাক্ত করেছেন বটে, যেমন - (১) অসাধু ব্যবসায়ীদের অতি মুনাফার লোভ। (২) বন্যার কারণে ভারতে পেঁয়াজের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় ভারতে পেঁয়াজের সংকট। (৩) রপ্তানি নিরুৎসাহিত করতে ভারতীয় পেঁয়াজের টনপ্রতি রপ্তানি মূল্য ৪২৫ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৭০০ ডলারে নির্ধারণ। (৪) আন্তর্জাতিক বাজারে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি ইত্যাদি। এতসব কারণ থাকা সত্ত্বেও সরকার পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখতে নানারকম উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, যেমন - টিসিবিকে পেঁয়াজ আমদানির নির্দেশ দান, বন্দরে আমদানিকৃত পেঁয়াজের চালান দ্রুত ছাড়ের ব্যবস্থা গ্রহণ, পেঁয়াজ আমদানিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকে সহজে ঋণপত্র খোলার ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা চাওয়া ও বাজারে নজরদারি বৃদ্ধি করা। কিন্তু এতসব উদ্যোগ গ্রহণ করা সত্ত্বেত্ত পেঁয়াজের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার এখন পর্যন্ত ব্যর্থ।

পেঁয়াজ এই উপমহাদেশের মানুষের আবশ্যকীয় ভোগ্যপণ্য হওয়ায় বছরের প্রায় সময় পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি উপমহাদেশ জুড়েই সংবাদের শিরোনাম হয়। এমনকি ভারত উপমহাদেশীয় দেশসমূহ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবেও পেঁয়াজকে বিভিন্ন সময়ে ব্যবহার করে থাকে। তবে রাজনীতিবিদগণ পার্থিব লক্ষ্য পূরণের ক্ষেত্রে পেঁয়াজকে কার্যকরী হাতিয়ার বিবেচনা করলেও ধর্মবাদীগণ পারলৌকিক লক্ষ্য পূরণের ক্ষেত্রে পেঁয়াজকে প্রতিকূল বিষয় হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। তাই ধর্মবাদীগণের বিবেচনায় পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির কারণ অন্যত্র বিদ্যমান। সরকার পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির যত প্রকার কারণ সনাক্ত করুক না কেন, ধর্মবাদীগণের বিবেচনায় - এর পেছনে মূলত ঐশ্বরিক কারণ বিদ্যমান। তাই পেঁয়াজ শুধু সাধারণ ভোক্তা ও রাজনৈতিক নেতাদেরই আলোচনার বিষয়বস্তু নয়, একইসাথে তা ইসলাম ধর্মের প্রভু আল্লাহরও আলোচনার বিষয়বস্তু। কারণ ইসলাম ধর্মের প্রভু আল্লাহ পেঁয়াজের ঝাঁজাল গন্ধ সহ্য করতে না পেরে তাকে নিকৃষ্ট দ্রব্যের কাতারভুক্ত করেছেন, একইসাথে তার ভক্ত ও অনুসারীদেরকে পেঁয়াজ ভোগে নিরুৎসাহিত করেছেন। এমনকি যারা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে পেঁয়াজ ভোগের সিদ্ধান্তে অটল থাকবে, তাদেরকে আল্লাহ অভাব-অনটনের ন্যায় লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তির হুমকি প্রদান করেছেন। আল-কুরআনে পেঁয়াজ বর্জনের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে বলা হয়েছে -
স্মরণ করো, যখন তোমরা বলেছিলে, ‘হে মূসা! আমরা একই ধরনের খাবারের ওপর সবর করতে পারি না, তোমার রবের কাছে দোয়া করো যেন তিনি আমাদের জন্য শাক-সব্জি, গম, রসুন, পেঁয়াজ, ডাল ইত্যাদি কৃষিজাত দ্রব্যাদি উৎপন্ন করেন।’ তখন মূসা বলেছিল, ‘তোমরা কি একটি উৎকৃষ্ট জিনিসের পরিবর্তে নিকৃষ্ট জিনিস নিতে চাও? তাহলে তোমরা কোন নগরে গিয়ে বসবাস করো, তোমরা যা কিছু চাও সেখানে পেয়ে যাবে।’ অবশেষে অবস্থা এমন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছলো যার ফলে লাঞ্ছনা, অধঃপতন, দুরবস্থা ও অনটন তাদের ওপর চেপে বসলো এবং আল্লাহর গযব তাদেরকে ঘিরে ফেললো।
[সূরা বাকারা, আয়াত ৬১]
উক্ত আয়াতের শিক্ষা হলো: মূসার সম্প্রদায় ঈশ্বর প্রদত্ত একঘেয়ে খাবারের প্রতি বিরক্ত হয়ে তা থেকে নিস্তার পেতে বৈচিত্র্যপূর্ণ খাবারের প্রতি আগ্রহ ব্যক্ত করে। শাকসবজি, গম, রসুন, পেঁয়াজ ও ডালের মতো বৈচিত্র্যপূর্ণ খাবারের ব্যাপারে তারা মূসার মাধ্যমে ঈশ্বরের নিকট আবদার করে। আধুনিক বিজ্ঞান অনুযায়ী আমরা জানি যে, শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে খাদ্যপ্রাণ ও আঁশ বিদ্যমান, গম কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ, রসুন ও পেঁয়াজ যথেষ্ট ভৈষজিক গুণসম্পন্ন এবং ডাল আমিষের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। মূসার সম্প্রদায়ের দাবিকৃত খাবারসমূহের এত এত গুণ থাকা সত্ত্বেত্ত আল্লাহ এগুলো ভোগের চরম বিরোধী। তাই তিনি এগুলোকে ঈশ্বর প্রদত্ত একঘেয়ে উৎকৃষ্ট খাবারের বিপরীতে নিকৃষ্ট খাবার বলে আখ্যায়িত করেছেন। এবং এগুলো পেতে চাইলে কোনো এক নগরে গিয়ে বসবাস করার পরামর্শ দিয়েছেন। এমনকি ঈশ্বরের একঘেয়ে রুচির বিরোধিতা করায় লাঞ্ছনা, অধঃপতন, দুরবস্থা ও অনটন মূসার সম্প্রদায়ের ওপর চেপে বসেছিল এবং আল্লাহর গজব তাদের ঘিরে ফেলেছিল।

নিকৃষ্ট খাবার পেঁয়াজ-রসুনকে কেন্দ্র করে এমন তাৎপর্যময় শিক্ষা আল-কুরআনে থাকা সত্ত্বেত্ত বিশ্বব্যাপী মুসলিম সম্প্রদায় তা মানতে নারাজ। মুসলমানেরা আজীবন ইহুদি ধর্ম ও সংস্কৃতির চরম বিরোধিতা করে এলেও পেঁয়াজ রসুন-ভোগের প্রশ্নে তারা মূসার ইহুদি সম্প্রদায়ের ন্যায় ঈশ্বরবিরোধী। আল-কুরআনে পেঁয়াজ-রসুনকে ঈশ্বর ঘোষিত নিকৃষ্ট জিনিস হিসেবে জানলেও মুসলমানগণ তা উৎকৃষ্ট জিনিস হিসেবেই ভোগ করে থাকেন। পেঁয়াজ-রসুন ভোগের প্রশ্নে মুসলমানগণ আল-কুরআনের শিক্ষার বিরোধিতা করে মূলত আল্লাহর ইচ্ছার বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করেছেন, যা চরম ধৃষ্টতাপূর্ণ কুফরির সামিল। এই বিবেচনায় শাকসবজি ও পেঁয়াজ-রসুন ভোগকারী মুসলিম সম্প্রদায় মূলত মুসলিম বেশধারী কাফের। তাই মূসার ঈশ্বর যেমন পেঁয়াজখেকো ইহুদি সম্প্রদায়কে ঈশ্বরবিরোধিতার অপরাধে অভাব-অনটন দ্বারা শাস্তি দিয়েছিলেন, ঠিক তেমনি একই অপরাধে বর্তমান মুসলিম সম্প্রদায়কেও ঈশ্বরের হুকুম অমান্যের শাস্তি দিচ্ছেন মুহম্মদের আল্লাহ। পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশে পেঁয়াজীয় গজব নাজিল করেছেন তিনি। পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলার মুমিনকুলকে ঐশ্বরিক হুকুম অমান্যের শাস্তি দিচ্ছেন তিনি। যেন তারা চড়া মূল্যে পেঁয়াজ খরিদ করে অভাব-অনটনে নিপতিত হয়। উচ্চমূল্যে পেঁয়াজ ক্রয় করে তারা যেন দারিদ্র্যপীড়িত হয়ে পড়ে। ফলস্বরূপ অধঃপতন ও লাঞ্ছনা যেন তাদের ঘিরে থাকে। তাই আল-কুরআনে প্রদত্ত উক্ত অভিশাপ বাস্তবায়নের নিমিত্তে হঠাৎ পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির একমাত্র ও ঐশ্বরিক কারণ।

এক্ষেত্রে অভিশপ্ত পেঁয়াজ বর্জনের মাধ্যমেই শুধু আল্লাহ প্রদত্ত উর্ধ্বমূল্যের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। সরকারের আশু কর্তব্য হলো: মুমিন মুসলমানদের অস্তিত্ব ও ঈমান রক্ষার্থে অবিলম্বে পেঁয়াজের উৎপাদন, বিপণন, বাজারজাতকরণ ও আমদানি-রপ্তানি বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ। অর্থাৎ ঈমানবিধ্বংসী পেঁয়াজকে বাংলার জমিনে চিরতরে নিষিদ্ধ করা। যেন আর কোনো মুমিন পেঁয়াজের ঝাঁজাল গন্ধে আসক্ত হয়ে পেঁয়াজীয় গজবের শিকার না হয়। অথচ মদিনা সনদের ধ্বজাধারী বর্তমান আওয়ামি সরকার আল-কুরআনের শিক্ষার বিরুদ্ধে গিয়ে ঈমানবিধ্বংসী পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল করতে নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আল্লাহর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাদের কোনো উদ্যোগই যে সফল হবে না, সে বিষয়ে তারা একেবারেই ওয়াকিবহাল নয় হয়ত। যদি সরকার আল্লাহর ইচ্ছার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল করতে সক্ষম হয়ও, সেক্ষেত্রে তা হবে আল্লাহর সাথে শিরকের সামিল। আর শিরকের গুনাহ আল্লাহ কখনও ক্ষমা করেন না। তবে ঈমানবিরোধী সরকারের এমন অবিমৃষ্যকারিতায় বাংলার জাতীয় মুমিন মুসলমানদের বসে বসে আঙ্গুল চুষলে হবে না। নিজেদের দূষিত ঈমানকে শুদ্ধ করতে যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে। এই মুহূর্তে তাই বাংলার ছদ্মবেশী মুমিন মুসলমানদের আশু কর্তব্য হলো: ঈমানবিধ্বংসী পেঁয়াজ বর্জন করে নিজেদের ঈমানকে মজবুত করা এবং মুসলমানের ছদ্মবেশ পরিত্যাগ করে খাঁটি মুসলমান হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটানো। নইলে পেঁয়াজবিদ্বেষী আল্লাহর পেঁয়াজীয় গজবে খোদাদ্রোহী মুসলমানগণের ধ্বংস অনিবার্য।

একটি নিরীহ ছবি

৩০ আগস্ট, ২০১৫

এ কী হেরিনু!

ধর্মবিশ্বাসীরা মাছের পেটে, বেগুনে, টমেটোয়, কাটা মাংসে, আমের আঁটিতে, গাছের পাতায়, টোস্টের ওপরে, এমনকি হাগনকুঠিতেও এবং সম্ভব-অসম্ভব সব স্থানে-অস্থানে, পাত্রে-অপাত্রে আল্লাহ-নবীর নাম (যিশু বা হিন্দু দেব-দেবীদের ক্ষেত্রে - চেহারা) খোদাই করা অবস্থায় দেখতে পায় প্রায়ই। এসবই ঐশী সংকেত।

অবশেষে নাস্তিকেরাও একটি সংকেত পেয়েছে তাদের দাবির সপক্ষে!

ভিডিও লিংক: https://youtu.be/l8-8WJxA-cI

(১০.০১.১০ তারিখে প্রথম প্রকাশিত) 

কোরান কুইজ – ৭৩

নিশ্চয়ই মোমিন মুসলমানগণ কোরান সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। বেয়াড়া নাস্তিকগনও নিজেদেরকে কোরান-অজ্ঞ বলেন না কখনও। তাই মুসলিম-নাস্তিক নির্বিশেষে সকলেই অংশ নিতে পারেন কোরানের আয়াতভিত্তিক এই ধাঁধা প্রতিযোগিতায়। এই সিরিজের মাধ্যমেই তাঁরা নিজেদের কোরান-জ্ঞান যাচাই করে নিতে পারবেন। 

প্রশ্ন ৮২: অবিশ্বাসীদের ভুল পথে চালায় কে?

১. আল্যা
২. শয়তান
৩. তারা নিজেরাই

উত্তর বেছে নিয়েছেন? এবারে মিলিয়ে দেখুন।
.
.

এক জোড়া পোস্টার


ডাস্টবিন থেকে কুড়আনো চিন্তা - ০৬

লিখেছেন ধর্মব্যবসায়ী

১৬.
যা যা কাল্লা খাইরান = যা যা কল্লা কাইট্টান।

১৭.
- মুহম্মদের আগে কোন নবী এসেছিলেন ? 
- ইসা ইবনে আল্লা।

১৮.
(কল্পগল্প) মা কালী ও পাঠা বলি:
মা কালী অসূর বধে খড়গহস্ত হইয়া দিগ্বিদিক ঘুরিতেছিলেন। একদা ঝাঁকে ঝাঁকে অসুর আসিয়া কালীকে কোণঠাসা করিয়া ফেলে। উপায়ান্তর না দেখিয়া কালী পলায়নের পথ খুঁজিতে থাকে। সেই পথ ধরিয়া এক রাখাল ছাগলের পাল চড়াইয়া লইয়া যাইতেছিল। কালী তৎক্ষণাৎ ছাগলের বেশ ধরিয়া পালের মধ্যে ঢুকিয়া আত্মগোপন করিল। অকস্মাৎ একটা দাড়িওয়ালা পাঁঠা আসিয়া কালীকে অনৈতিক প্রস্তাব দেয়, কালী অসম্মতি জ্ঞাপন করিয়া পাঁঠাটিকে এড়াইয়া চলার আপ্রাণ চেষ্টা করিলেও শেষ রক্ষা হয় নাই। 
সেই থেকে হিন্দুরা পাঁঠা বলি দেয়।

১৯.
- 'বিজ্ঞানমনস্ক' শব্দটির বিপরীত শব্দ কী?
- 'ধর্মপ্রাণ'।

২০.
আল্লা তালা - বাজারের সব থেকে দুর্বল এবং অকার্যকর তালা।
এই তালা দিয়ে না আটকানো যায় চোরকে, না আটকানো যায় ডাকাতকে।

২৯ আগস্ট, ২০১৫

ষড়যন্ত্রী নাস্তিক ও তার কঙ্কাল


বনি কুরাইজা গণহত্যা–৪: রায় ঘোষণা- ‘ব্যাপক হত্যা, ধর্ষণ ও লুট’!: কুরানে বিগ্যান (পর্ব- ৯০) ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – চৌষট্টি

লিখেছেন গোলাপ

পর্ব ১ > পর্ব ২ > পর্ব ৩ > পর্ব ৪ > পর্ব ৫ > পর্ব ৬ > পর্ব ৭ > পর্ব ৮ > পর্ব ৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০ > পর্ব ২১ > পর্ব ২২ > পর্ব ২৩ > পর্ব ২৪ > পর্ব ২৫ > পর্ব ২৬ > পর্ব ২৭ > পর্ব ২৮ > পর্ব ২৯ > পর্ব ৩০ > পর্ব ৩১ > পর্ব ৩২ > পর্ব ৩৩ > পর্ব ৩৪ > পর্ব ৩৫ > পর্ব ৩৬ > পর্ব ৩৭ > পর্ব ৩৮ > পর্ব ৩৯ পর্ব ৪০ > পর্ব ৪১ > পর্ব ৪২ > পর্ব ৪৩ > পর্ব ৪৪ > পর্ব ৪৫ > পর্ব ৪৬ > পর্ব ৪৭ > পর্ব ৪৮ > পর্ব ৪৯ > পর্ব ৫০ > পর্ব ৫১ > পর্ব ৫২ > পর্ব ৫৩ > পর্ব ৫৪ > পর্ব ৫৫ > পর্ব ৫৬ > পর্ব ৫৭ > পর্ব ৫৮ > পর্ব ৫৯ > পর্ব ৬০ > পর্ব ৬১ > পর্ব ৬২ > পর্ব ৬৩ > পর্ব ৬৪ > পর্ব ৬৫ > পর্ব ৬৬ > পর্ব ৬৭ > পর্ব ৬৮ > পর্ব ৬৯ > পর্ব ৭০ > পর্ব ৭১ > পর্ব ৭২ > পর্ব ৭৩ > পর্ব ৭৪ > পর্ব ৭৫ > পর্ব ৭৬ > পর্ব ৭৭ > পর্ব ৭৮ > পর্ব ৭৯ > পর্ব ৮০ > পর্ব ৮১ > পর্ব ৮২ > পর্ব ৮৩ > পর্ব ৮৪ > পর্ব ৮৫ > পর্ব ৮৬ > পর্ব ৮৭ > পর্ব ৮৮ > পর্ব ৮৯

বনি কুরাইজা গোত্রের লোকেরা স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর কাছে বিনা শর্তে আত্মসমর্পণ করার পর তাঁদের মিত্র আল-আউস গোত্রের লোকেরা তাঁদের প্রাণ রক্ষার প্রচেষ্টায় উৎকণ্ঠিত অবস্থায় মুহাম্মদের কাছে দৌড়ে এসে কী আবেদন করেছিলেন, তাঁদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মুহাম্মদ তাদেরকে কী প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তাঁরা তাঁর সেই প্রস্তাবে রাজি হলে মুহাম্মদ সা'দ বিন মুয়াদ নামের তাঁর এক একান্ত বিশ্বস্ত অনুসারীকে কী উদ্দেশ্যে বনি কুরাইজার বিরুদ্ধে ‘রায় প্রদানকারী’ রূপে ঘোষণা দিয়েছিলেন, মুহাম্মদের নির্বাচিত এই বিচারকের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কেমন ছিল, খন্দক যুদ্ধে তীরবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হওয়ার পর এই বিচারক 'বনি কুরাইজার প্রতি প্রতিহিংসা ও জিঘাংসার অভিপ্রায়' কীভাবে ব্যক্ত করেছিলেন - তার বিস্তারিত আলোচনা আগের পর্বে করা হয়েছে।

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের (৭০৪-৭৬৮ সাল) বর্ণনার পুনরারম্ভ: [1][2]

পূর্ব প্রকাশিতের (পর্ব: ৮৯) পর:

‘আল্লাহর নবী তাঁর মসজিদে [বানু] আসলামের রুফায়েদা নামের এক মহিলার তাঁবুর ভিতরে সা'দ কে রেখেছিলেন। মহিলাটি আহত লোকদের সেবা-শুশ্রূষা করতেন ও যে স মুসলমানের সেবা-যত্নের প্রয়োজন, তাদেরকে তিনি দেখাশুনা করতেন। খন্দক যুদ্ধে যখন সা'দ তীরবিদ্ধ হয়ে আহত হন, তখন আল্লাহর নবী তাঁর লোকজনদের বলেন যে, তিনি পরে গিয়ে তার সাথে দেখা করার পূর্ব পর্যন্ত তাকে যেন রুফায়েদার তাঁবুর ভিতরে রাখা হয়।

যখন আল্লাহর নবী তাকে বনি কুরাইজার ব্যাপারে বিচারকের ভূমিকায় নিযুক্ত করেন, তার লোকেরা তার কাছে আগমন করে ও তাকে এক খচ্চরের পিঠের উপর বসানো চামড়ার গদির উপর আরোহণ করায়, সে ছিল স্থূলকায় এক মানুষ। তারা তাকে আল্লাহর নবীর নিকট নিয়ে আসে ও বলে, "তোমার মিত্রদের সাথে সদয় আচরণ করো, সেই কারণেই আল্লাহর নবী তোমাকে মধ্যস্থ নিযুক্ত করেছেন।"

যখন তারা তাকে জোরাজুরি করে, সে বলে, "এখন তার সময় এসেছে আল্লাহর নিমিত্তে কিছু করার, কোনো মানুষের অনুযোগে যত্নবান হওয়ার জন্য নয়।"

তার লোকদের যারা সেখানে উপস্থিত ছিল, তাদের মধ্যে থেকে কিছু লোক বানু আবদুল-আশহাল গোত্রের কোয়ার্টারে ফিরে আসে এবং সা'দ সেখানে পৌঁছার আগেই তাদের উদ্দেশে তারা বনি কুরাইজার লোকদের নিধনের ঘোষণা দেয়, কারণ তাকে তারা তাইই বলতে শুনেছিল।      

যখন সা'দ আল্লাহর নবী ও মুসলমানদের কাছে পৌঁছে, আল্লাহর নবী তাদের নেতাকে অভিবাদন জানানোর জন্য দাঁড়িয়ে পড়ার আদেশ দেন।

কুরাইশ মুহাজিররা মনে করে যে, আল্লাহর নবী আনসারদের বোঝাতে চেয়েছেন, পক্ষান্তরে আনসাররা মনে করে যে, তিনি সবাইকে বোঝাতে চেয়েছেন, তাই তারা দাঁড়িয়ে যায় ও বলে, "হে আবু আমর, আল্লাহর নবী বিশ্বাস করে তোমাকে তোমার মিত্রদের ব্যাপারে নিযুক্ত করেছেন, যেন তুমি তাদের বিষয়ে রায় ঘোষণা করতে পারো।" [3]

সা'দ জবাবে বলে, "তোমরা কি আল্লাহর ওয়াস্তে অঙ্গীকারবদ্ধ যে, যে-রায় আমি ঘোষণা করবো, তা তোমরা মেনে নেবে?" তারা বলে "হ্যাঁ"।

সে আল্লাহর নবীর দিকে (তাকিয়ে) ও সম্মানহেতু তাঁর নাম উল্লেখ না করে বলে, "এটা কি তাঁর দায়িত্বে, যিনি এখানে উপস্থিত আছেন?" আল্লাহর নবী বলেন, "হ্যাঁ।"

সা'দ বলে, "তাহলে আমার রায় এই যে, 'তাদের সমস্ত প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে হত্যা করো, তাদের সম্পত্তি বণ্টন করো ও তাদের মহিলা ও শিশু সন্তানদের বন্দী করো’।"

আলকামা বিন ওয়াককাস আল-লেইথি হইতে > আবদুল-রাহমান বিন আমর বিন সা'দ বিন মুয়াদ এর কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আসিম নিন উমর বিন কাতাদা আমাকে জানিয়েছেন:

আল্লাহর নবী সা'দ কে বলেন, "তুমি যে রায়টি দিয়েছো, সেটিই হলো সাত আসমানের ওপর অধিষ্ঠিত আল্লাহর রায়।"’

(অনুবাদ, টাইটেল ও [**] যোগ - লেখক।)

>>> স্বঘোষিত আখেরি নবী মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ তাঁর জীবদ্দশায় (৫৭০-৬৩২ সাল) যে স মানবতাবিরোধী নৃশংস অপরাধের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন, তার সবচেয়ে গর্হিত, নৃশংস ও হৃদয়বিদারক ঘটনাটি হলো এই 'বনি কুরাইজা গণহত্যা' সে কারণেই এই জঘন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের বৈধতা প্রদানের প্রয়োজনে মুহাম্মদ অনুসারী পণ্ডিত ও অপণ্ডিতরা গত ১৪০০ বছর যাব এই গণহত্যার বিষয়ে সবচেয়ে বেশি তথ্যবিকৃতি ও মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে থাকেন। এই গণহত্যার সপক্ষে তারা সচরাচর যে-সব মিথ্যাচার ও কলা-কৌশলের আশ্রয় নেন, সেগুলো হলো:

"খন্দক যুদ্ধকালে তারা ‘চুক্তি ভঙ্গ’ করে মিত্রবাহিনীকে সাহায্য করেছিল!"
"বনি কুরাইজা গোত্রের লোকেরা 'মুহাম্মদের প্রস্তাবে' রাজি হয়েছিল!"
"তারা সা'দ বিন মুয়াদ কে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে মেনে নিতে রাজি হয়েছিল!"
"সা'দের এই রায় ছিল ইহুদিদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ 'তৌরাত' এর নিয়ম অনুযায়ী!"

আদি উৎসের মুসলিম ঐতিহাসিকদেরই লিখিত মুহাম্মদের জীবনীগ্রন্থ ('সিরাত') ও হাদিস গ্রন্থের বনি কুরাইজা উপাখ্যানের বর্ণনায় আলোকে এই সব 'অজুহাত' এর বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা যাক:


দ্বীনবানের দীন বাণী - ২৩

২৮ আগস্ট, ২০১৫

ন্যাংটা হজ্ব

ইছলামের প্রাথমিক বছরগুলোয় হাজীরা নগ্ন হয়ে কাবার চারপাশে ঘুরতো - এমন সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

শুনে বিস্মিত হবার কিছু নেই। হজ্ব নামের ইছলামী ধর্মাচারটি পৌত্তলিক কোরাইশদের কাছ থেকে চোথা মারা। আর কোরাইশরা কাবা প্রদক্ষিণ করতো নগ্ন অবস্থায়। 

ইছলাম প্রবর্তনের পর নবীজি এই হজ্ব পালন করেছে নয় বছর। এবং শুধু নবম বছরে (লক্ষ্য করুন, নবম বছরে) নবীজি হুকুম দিলো, নগ্ন অবস্থায় কাবা প্রদক্ষিণ নিষিদ্ধ। 

এর মানে কী খাড়াইল? এর স্পষ্ট অর্থ এই: ইছলামী হজ্ব পালনের প্রথম আট বছরে নিশ্চয়ই কেউ কেউ (বা সবাই) ন্যাংটা অবস্থায় কাবা প্রদক্ষিণ করতো।

এই কাহিনী নাস্তিকমস্তিষ্কপ্রসূত নয়, বরং ছহীহ ইছলামী তথ্যসূত্র থেকে আহরিত। নিচে স্লাইড শো দেখে নিশ্চিত হোন অথবা স্লাইড শো থেকে বানানো পিডিএফ ডাউনলোড করে পড়ে নিন।

সাইজ: ৩.৪ মেগাবাইট

ডাউনলোড লিংক (গুগল ড্রাইভ)
ডাউনলোড লিংক (ড্রপবক্স)