১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

তোমায় হেরি যথাতথা

বানিয়েছেন অবর্ণন রাইমস


(স্টিকি পোস্ট): কুরানে বিগ্যান (পর্ব-৪৯): “ইহুদিদের হত্যা কর - যাকে পারো তাকেই!” ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ - বাইশ

লিখেছেন গোলাপ

পর্ব ০১ > পর্ব ০২ > পর্ব ০৩ > পর্ব ০৪ > পর্ব ০৫ > পর্ব ০৬ > পর্ব ০৭ > পর্ব ০৮ > পর্ব ০৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০ > পর্ব ২১ > পর্ব ২২ > পর্ব ২৩ > পর্ব ২৪ > পর্ব ২৫ > পর্ব ২৬ > পর্ব ২৭ > পর্ব ২৮ > পর্ব ২৯ > পর্ব ৩০ > পর্ব ৩১ > পর্ব ৩২ > পর্ব ৩৩ > পর্ব ৩৪ > পর্ব ৩৫ > পর্ব ৩৬ > পর্ব ৩৭ > পর্ব ৩৮ > পর্ব ৩৯ > পর্ব ৪০ > পর্ব ৪১ > পর্ব ৪২ > পর্ব ৪৩ > পর্ব ৪৪ > পর্ব ৪৫ > পর্ব ৪৬ > পর্ব ৪৭ > পর্ব ৪৮

স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর হুকুমে কাব বিন আল-আশরাফ নামক এক ইহুদি কবিকে মুহাম্মদ অনুসারীরা প্রতারণার আশ্রয়ে রাতের অন্ধকারে অমানুষিক নৃশংসতায় কীভাবে হত্যা করেছিলেন, তার বিশদ আলোচনা আগের পর্বে করা হয়েছে।

আদি ও বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকদেরই বর্ণনায় আমরা জানতে পারি যে, মুহাম্মদের প্রেরিত ঘাতকরা কাব বিন আশরাফকে খুন করার পর তাঁর কল্লাটি কেটে ফেলে। তারপর তারা সেই কাটা মুণ্ডুটি নিয়ে তাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদের কাছে যখন ফেরত আসে, তখন মুহাম্মদ সকালের (ফজর) নামাজের জন্য দণ্ডায়মান।

ঘাতকরা মুহাম্মদ কে অভিবাদন জানান; তারপর, তারা কাব বিন আশরাফের রক্তাক্ত ছিন্ন মস্তকটি নবীর সামনে নিক্ষেপ করেন এবং তাদের সফলতার বিবরণ পেশ করেন। তাঁর অনুসারীদের এই সফলতায় মুগ্ধ ও আনন্দিত দলপতি মুহাম্মদ মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন!

আদি ও বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকদের বর্ণনায় আমরা আরও জানতে পারি যে, এই বীভৎস নৃশংস ঘটনার পর মদিনার ইহুদিদের মধ্যে আতংকের সৃষ্টি হয় এবং মদিনায় এমন কোনো ইহুদি ছিলেন না, যিনি তাঁর জীবনের ভয়ে ভীত হননি!

অতঃপর মুহাম্মদ তাঁর অনুসারীদের উদ্দেশে উন্মুক্ত ঘোষণা দেন, "হত্যা করো ইহুদিদের,  যাকে পারো তাকেই।" মুহাম্মদের আদেশে তাঁর অনুসারীরা মদিনার ইহুদিদের ওপর নির্বিচারে আক্রমণ চালায়।

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের (৭০৪-৭৬৮ সাল) বর্ণনায় ঘটনাটি ছিল নিম্নরূপ

মুহেইয়িসা ও হুয়েইয়িসার উপাখ্যান:

[ইবনে হুমায়েদ <সালামাহ হইতে <] ইবনে ইশাক হইতে বর্ণিত:

‘এই গল্পটি আমাকে [ইবনে ইশাক] বলেছে বানু হারিথার এক মক্কেল <মুহেইয়িসার কন্যার কাছ থেকে < স্বয়ং মুহেইয়িসার কাছ থেকে।

আল্লাহর নবী বলেন, "হত্যা করো ইহুদিদের, যাকে পারো তাকেই।" 

ফলে মুহেইয়িসা বিন মাসুদ ঝাঁপিয়ে পড়ে খুন করে ইবনে সুনেইনা (অথবা সুবেয়না) নামক এক ইহুদি ব্যবসায়ীকে। সে সামাজিক ও ব্যবসায়িক সূত্রে তাদের সাথে সম্পৃক্ত ছিল। [1]

তার বড় ভাই হুয়েইয়িসা তখনও মুসলমান হয়নি। যখন মুহেইয়িসা তাকে খুন করে, হুয়েইয়িসা তাকে মারধর শুরু করে ও বলে,
"তুই খোদার শত্রু, যার সম্পদে তোর পেটের চর্বি জমে, তাকেই কিনা তুই খুন করলি?"

জবাবে মুহেইয়িসা বলে,
"যে আমাকে বলেছে তাকে খুন করতে, সে যদি আমাকে বলতো তোমাকে খুন করতে, তবে আমি তোমার কল্লাও কেটে ফেলতাম।" সে [মুহেইয়িসা] বলে যে, এই পরিস্থিতিতেই হুয়েইয়িসার ইসলাম গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

অন্যজন জবাবে বলে,
"হায় খোদা, যদি মুহাম্মদ তোকে হুকুম দিতো আমাকে খুন করার তাহলে তুই কি আমাকে ও খুন করতি?"

সে বলে, "হ্যাঁ, আল্লাহর কসম, সে যদি আমাকে তোমার কল্লা কাটার হুকুম দিতো, তাহলে আমি তাইই করতাম।"

সে [হুয়েইয়িসা] অবাক হয়ে বলে,
"হায় খোদা, যে ধর্ম তোর এমন পরিবর্তন আনতে পারে তা বিস্ময়কর (marvelous)!" এবং সে মুসলমানিত্ব বরণ করে।’ [2][3]

ইসলামী ইতিহাসের ঊষালগ্ন থেকে আজ অবধি প্রায় প্রতিটি ইসলাম বিশ্বাসী প্রকৃত ইতিহাস জেনে বা না জেনে ইতিহাসের এ সকল অমানবিক অধ্যায়গুলো যাবতীয় চতুরতার মাধ্যমে বৈধতা দিয়ে এসেছেন। বিষয়গুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিধায় বাংলা অনুবাদের সাথে মূল ইংরেজি অনুবাদের অংশটিও সংযুক্ত করছি। - অনুবাদ, টাইটেল ও [**] যোগ - লেখক।]

The Narrative of Muhammad Ibne Ishaq (704-768 AD)

The affair of Muhayyisa and Huwayyisa:

‘According to Ibn Humayd <Salamah <Muhammad b Ishaq:
I was told this story by a client of Banu Harithah <from the daughter of Muhayyisa <from Muhayyisa himself.

The apostle said, “Kill any Jew that falls into your power.”

Thereupon Muhayyisa b Mas’ud leapt upon Ibn Sunayna (or Subayna), a Jewish merchant with whom they had social and business relations, and killed him. [1]

Huwayyisa was not a Muslim at the time though he was the elder brother. When Muhayyisa killed him Huwayyisa began to beat him, saying,
“You enemy of God, did you kill him when much of the fat on your belly comes from his wealth?”

Muhayyisa answered,
“Had the one who ordered me to kill him ordered me to kill you I would have cut your head off.” He [Muhayyisa] said that this was the beginning of Huwayyisa’s acceptance of Islam.

The other replied, “By God, if Muhammad had ordered you to kill me would you have killed me?”

He said, “Yes, by God, had he ordered me to cut off your head, I would have done so.”

He exclaimed, “By God, a religion which can bring you to this is marvellous!” and he became a Muslim.[2][3]

>>> মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের এই বর্ণনায় যে বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্ট, তা হলো মুহেইয়িসা ও হুয়েইয়িসা নামের এই দুই ভাই ও তাদের পরিবারের ভরণ-পোষণ চলতো ইবনে সুনেইনা নামক এই ইহুদি ব্যবসায়ীর সম্পদের ওপর ভরসা করে। সম্ভবত, তারা এই ইহুদির দোকানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতো।

কাব বিন আশরাফকে নৃশংসভাবে খুন করার পর যখন ইহুদিরা মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের বিরুদ্ধে কোনো রকম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিয়ে ছিলেন ভীত সন্ত্রস্ত, তখন মুহাম্মদ তাঁর অনুসারীদের উদ্দেশে উন্মুক্ত ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, তারা তাদের নাগালের মধ্যে যে ইহুদিকেই পাবে, তাকেই যেন হত্যা করে।

মুহাম্মদের এই আদেশে উদ্বুদ্ধ হয়ে হুয়েইয়িসা নামের এই মুহাম্মদ অনুসারী তার নিজ পরিবারের ভরন-পোষণকারী এক নিরপরাধ ইহুদি ব্যবসায়ীকে নৃশংসভাবে খুন করে।

ফলে এই খুনির অমুসলিম বড় ভাই প্রচণ্ড মর্মাহত হয়ে তার এই মুসলিম ছোট ভাইকে মারধর শুরু করলে খুনি গর্বভরে এই বলে ঘোষণা দেয় যে, এই নিরপরাধ ইহুদি মালিককে খুন করা তো কোনো বিষয়ই নয়! নবী যদি তার এই বড় ভাইয়ের কল্লা কাটারও হুকুম দিতো, তাহলে সে নির্দ্বিধায় তার বড় ভাইয়ের মুণ্ডুও কেটে ফেলতো।

তারপরেই মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের বর্ণিত এই ঘটনাটির আসল চমকটি আমরা দেখতে পাই! আর তা হলো,

মুসলমান হওয়ার পর ছোট ভাইয়ের এই অভূতপূর্ব পরিবর্তনের পরিচয় পেয়ে মুগ্ধ বড় ভাই ঘোষণা দিলেন, "আহা! কী সুন্দর ধর্ম! যে ধর্মের অনুসারী হয়ে তোমার চরিত্রের এত সুন্দর পরিবর্তন হয়েছে, তা কতই না বিস্ময়কর!” এই বিস্ময়কর ধর্মের পরিচয় হাতে নাতে পেয়ে মুগ্ধ বড় ভাই মুসলমানিত্ব বরণ করেন--!

ক্ষণিক আগেই যে-অমুসলিম ভাইটি ছিলেন ন্যায় ও মানবতার প্রতীক এক মানব সন্তান, মৃত্যু-হুমকির বশবর্তী হয়ে তিনি মানুষ থেকে মুসলমান হতে বাধ্য হয়েছিলেন। নিঃসন্দেহে বড় ভাইয়ের মুসলমানিত্ব বরণের পেছনের কারণটি ছিল "মৃত্যু-হুমকি।" 

পাঠকদের একটি বিষয় খুব মনোযোগের সঙ্গে খেয়াল করার অনুরোধ করছি। বদর যুদ্ধের পর মদিনায় এই যে একের পর এক সন্ত্রাসী হত্যাকাণ্ড মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরা ঘটিয়ে চলেছেন, তা কোনো যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সম্পন্ন হয়নি। মদিনায় তখন কোনো যুদ্ধ ছিল না।

এই মানুষগুলোর অপরাধ এই যে, তাঁরা মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের আক্রমণাত্মক নৃশংস কর্মকাণ্ডের মৌখিক প্রতিবাদ করেছিলেন! তাঁদের অপরাধ এই যে, বদর যুদ্ধে মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরা তাঁদেরই একান্ত নিকটাত্মীয় ও বন্ধু-বান্ধবদের হত্যা করার পর অমানুষিক নৃশংসতায় একে একে বদরের এক নোংরা শুকনো গর্তে নিক্ষেপ করেছিলেন, এই লোকগুলো সেই নিহত হতভাগ্য মানুষদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছিলেন!

তাঁদের অপরাধ এই যে, তাঁরা ছিলেন আদি মদিনাবাসী; তাঁদেরই এলাকায় পালিয়ে এসে মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ নামের এক মক্কাবাসী কুরাইশ যখন তাঁরই নিজ এলাকাবাসী মানুষদের বাণিজ্য-ফেরত কাফেলার ওপর রাতের অন্ধকারে একের পর এক হামলা করে তাঁদের সর্বস্ব লুণ্ঠন, হত্যা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে চলেছেন, তখন তাঁরা তাঁদের লেখনীর মাধ্যমে আদি মদিনাবাসীদের সাবধান ও উজ্জীবিত করার চেষ্টা করছিলেন, যেন তারা মুহাম্মদের প্ররোচনায় বিভ্রান্ত হয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ না নেয়। তাঁরা মুহাম্মদ কিংবা তাঁর অনুসারীদের ওপর কখনোই কোনো শারীরিক আঘাত করেননি।

বলা হয়, "অসীর চেয়ে মসী অনেক শক্তিশালী।" এই আপ্তবাক্যটি আর যেখানেই সত্য হোক না কেন, ইসলাম প্রচার ও প্রতিষ্ঠার পেছনে অসী, নিষ্ঠুরতা, নৃশংসতা, সন্ত্রাস, প্রতারণা ও মিথ্যাচার-এর ভূমিকা যে কত বিশাল, তা 'ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ' এর গত একুশটি পর্বে করা হয়েছে। পরবর্তী পর্বগুলোতে ও তা ধারাবাহিক ভাবে আলোচনা করা হবে। 

(চলবে)

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা

[1]তার পুরা নাম ছিল মুহেইয়িসা বিন মাসুদ বিন কাব বিন আমির বিন আ'দি বিন মাযদাহ বিন হারিথা বিন আল-হারিথ বিন আল-খাজরায বিন আমর বিন মালিক আল-আউস’।

[2] “সিরাত রসুল আল্লাহ”- লেখক: ইবনে ইশাক (৭০৪-৭৬৮ খ্রিষ্টাব্দ), সম্পাদনা: ইবনে হিশাম (মৃত্যু ৮৩৩ খৃষ্টাব্দ), ইংরেজি অনুবাদ:  A. GUILLAUME, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, করাচী, ১৯৫৫, ISBN 0-19-636033-1, পৃষ্ঠা ৩৬৯

[3] “তারিক আল রসুল ওয়াল মুলুক”- লেখক: আল-তাবারী (৮৩৮-৯২৩ খ্রিষ্টাব্দ), ভলুউম ৬, ইংরেজী অনুবাদ: W. Montogomery Watt and M.V. McDonald, নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৮৮, ISBN 0-88706-706-9 [ISBN 0-88706-707-7 (pbk)], পৃষ্ঠা (Leiden) ১৩৭৩-১৩৭৪

নুহনামা



১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

ফাল দিয়া ওঠা কথা - ৩১

লিখেছেন ধর্মবিদ দেশী

৯১.
বাংলাদেশ হচ্ছে লাল-সবুজের দেশ। বিপ্লবের রং লাল; মেনন সাহেব এতোদিন লাল সালাম দিতেন। সবুজ ইসলামী রং; হজ করে এসে তিনি সহী সবুজ সালাম দিবেন। লাল সবুজের পূর্ণতা পাবে।

এভাবেই 'পাকা কম্যুনিস্ট' এবং ডান মিলে মিশে যাবে আম-দুধে মেশার মতো। অপরদিকে 'ভুয়া কম্যুনিস্ট', বাম, হিন্দু, বৌদ্ধ, আদিবাসী, নাস্তিকরা জলে ভেসে যাবে আঁটি হয়ে।

৯২.
নাস্তিক বলল, ' এক লম্পটকে নিয়ে কেন এত মাতামাতি ধার্মিকদের?'
অমনি ধর্মগাধারা তাকে তেড়ে মারতে আসল।
নাস্তিক বলল, 'আমি তো তোমাদেরকে বলিনি। অমুক ধর্মের কথা বলেছিলাম।
ধর্মগাধারা ক্রোধে বলল, 'ফাজলামি করছ? আমরা ঠিকই জানি, কে লম্পট।' 

বি.দ্র. ঘটনাটি আফ্রিকার এক জঙ্গলে গুহাযুগের ঘটনা। তার সাথে বর্তমানের কোনো মিল পাওয়া গেলে তা কাকতালীয়।

৯৩.
যেহেতু বিএনপি-জামাত ডাকাতি করেছে, তাই লীগের চুরি জায়েজ;
যেহেতু বিএনপি-জামাত ইসলামের নামে রাজনীতি করে, তাই লীগের মদিনা সনদের ঘোষণা দেওয়া জায়েজ;
যেহেতু বিএনপি-জামাত জঙ্গি সৃষ্টি করেছে, তাই লীগের মৌলবাদ তোষণ জায়েজ;
যেহেতু বিএনপি জামাতিদের সাথে জোট করে ক্ষমতায় গিয়েছে, তাই লীগের ইসলামী ব্যাংকের টাকা খাওয়া জায়েজ;
যেহেতু বিএনপি-জামাত সমগ্র দেশটাই হস্তান্তর করতে চেয়েছিলো, তাই লীগের কিছু খনি বা সমুদ্র ব্লক হস্তান্তর জায়েজ;
যেহেতু বিএনপি-জামাত গণধর্ষণ করে তাই, লীগাররা মা-বোন ধরে গালি দিলে জায়েজ;
যেহেতু বিএনপি-জামাত সাম্প্রদায়িক, তাই লীগাররা কাউকে 'মালাউনের বাচ্চা' বলে গালি দিলে জায়েজ;

অতঃপর আওয়ামীলীগ বিএনপি-জামাতের কোন অবদান অস্বীকার করবে?

গরুপূজারি গাধাগুলো - ৮৮

প্লেবয় পত্রিকার জন্য নগ্ন অবস্থায় ছবি তুলিয়ে সমালোচনার মুখোমুখি শার্লিন চোপরা।


ইসলামী সংস্কার ও তার বৈগ্যানিক কার্যকারণ - ০৫

লিখেছেন শ্মশান বাসী

আসুন, ইসলামের কিছু সংস্কার নিয়ে কথা বলি। তবে আগেই বলে রাখি, এগুলোতে কোরান-হাদিসের কোনো সমর্থন আছে কি না, আমার জানা নেই। তবে মুর্খ মুমিনের দল এসব শ্রদ্ধার সাথে পালন করে, কারণ স্থানীয় হুজুরেরা এভাবেই শিক্ষা দেয়।

৯. 
আমরা জানি, মুসলমানের মৃতদেহ দাফন করে মুনাজাত শেষ করার পর যত দ্রুত সম্ভব গোরস্তান হতে দূরে চলে যেতে নির্দেশ করা হয়। কারণ ফেরেশতারা নাকি দূরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে গোরস্তান হতে সবাই দূরে সরে গেলে তার কবরের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হবে। 

কথাটা কি হাদিস সম্মত? দেখি, হাদিস কী বলে: আমর ইবনে আস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, তোমরা যখন আমাকে সমাধিস্থ করবে, তখন আমার কবরের আশেপাশে তোমরা ততক্ষণ অবস্থান করবে, যতক্ষণ একটা উট জবেহ করে তার মাংস বণ্টন করতে লাগে। যেন আমি তোমাদের পেয়ে নিঃসঙ্গতা বোধ না করি এবং জেনে নিই যে, আমি আমার প্রভুর দূতগণকে কী জবাব দিচ্ছি।’ [মুসলিম ১২১, আহমদ ১৭৩২৬,১৭৩৫৭]

১০.
সকল মুসলিমের ধারণা, আল্লাহর তৈরি দিন সব সমান, এতে শুভ-অশুভ বলে কিছু নেই। যেমন শনিবার, তেমনি মঙ্গলবার। 

এটা কি ঠিক? একটু গলদ আছে। হাদিসে স্পষ্ট বলা আছে: রাসুল (সাঃ) নং- ১১৭৫ : মানুষের আমলসমূহ সোম ও বৃহস্পতিবারে আল্লাহর দরবারে পেশ করা হয়। হজ্বে যাত্রার জন্য বৃহস্পতিবার এবং দিনের শুরুতে সফরে রওয়ানা দেয়া মুস্তাহাব। (বুখারি) কি দেখলাম ,আল্লাহ নিজেও দিনক্ষন দেখে, আর নবী দিনক্ষণ দেখে শুভ কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। 

হা-হা-হাদিস – ১০৫

অনুবাদ ও ফটোমাস্তানি: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক


মন্দিল-খুশি-করা ইলাস্ট্রেশনসহ বাংলায় অনূদিত আরও অসংখ্য মজাদার হাদিসের সংকলনটি যাঁরা এখনও দেখেননি, তাঁরা কতোটা মিস করেছেন, তা ডাউনলোড করে নিয়ে নির্ধারণ করুন।

ডাউনলোড লিংক
https://docs.google.com/file/d/0B1lqaonhgir4N3ZCcWk1WTdQdkk/edit?usp=sharing
(লিংকের পাতায় গিয়ে ওপরে বামদিকে নিম্নমুখী তীরচিহ্নে ক্লিক করে ফাইলটি ডাউনলোড করুন)
ফরম্যাট: পিডিএফ
সাইজ: ১০.৭৪ মেগাবাইট

মরু-সংস্কৃতির কুশিক্ষা

লিখেছেন Secular Friday

অসভ্য, বর্বর, নির্মম, নির্দয়, নিষ্ঠুর ও দীনহীন সমাজে বেড়ে ওঠা মানুষেরা সে সমাজের শিক্ষা মোতাবেক ইতর বর্গীয়, দুর্জন আর ক্রূরমতি হবে, সেটাই স্বাভাবিক। ১৪০০ বছর আগেও তাই আজন্ম বর্বর মরু-সংস্কৃতিতে লালিত অনাথ এক শিশুও বেড়ে উঠেছিল সেই অপশিক্ষারই আলোকে।

জীবনযুদ্ধ তাকে বঞ্চিত করেছিল সকল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ থেকে; শৈশব তার কেটেছে মেষ আর পশু পালনে; কৈশোরেই তাকে সাহায্যকারী রাখাল হয়ে করতে হয়েছে দুঃসাধ্য মরুযাত্রা। এতদসত্ত্বেও মেধা, কঠোর শ্রম, স্বল্প সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার ব্যবহার এবং ভ্রমণগুলো থেকে শেখা লোকায়ত জ্ঞানের সাথে প্রচলিত ঈশ্বর ধারণার চতুর ও কুশলী মিশেলে, নিজ ও নিজ গোত্রের অবস্থান সংহত করতে সে তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল খণ্ডনযোগ্য অথচ অপরিবর্তনীয় সব দৈববাণীর; আর তারই বলে নিজেকে সে স্থাপিত করতে সক্ষম হয়েছিল গোত্রাধিপতির স্থানে। মরুচারি আরবদের দিয়েছিল জাতিগত একটি পরিচয়। মরু-সংস্কৃতিতে তার অবদান অনস্বীকার্য।

মানবসভ্যতা তার ক্রমবিকাশের ধারায় আজ গোষ্ঠীকেন্দ্রিক সমাজব্যবস্থা থেকে উত্তরণ করে আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় উপনীত হয়েছে। আধুনিক এই রাষ্ট্রকাঠামোর মধ্যে বসবাস মানুষের অভিন্ন অধিকার ও সার্বজনীনতাকে নিশ্চিত করে, এবং তা নিজস্ব ত্রুটি সত্ত্বেও গতিশীল ও উত্তরোত্তর বিকাশমান। আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা ও বিজ্ঞানমনস্কতাই এই গতিশীলতার নির্ণায়ক। তার বিরুদ্ধাচারণ মানেই সভ্যতার প্রগতিশীলতার বিপক্ষে দাঁড়ানো।

মরু-সংস্কৃতি বিগত ১৪০০ বছর ধরে পুরো দুনিয়াজুড়ে একটি সম্প্রদায়কে শিখিয়েছে, শেখাচ্ছে গোটা মানব সম্প্রদায় হতে আলাদা হয়ে ভিন্ন একটি সম্প্রদায় হিসেবে বাঁচতে; স্বার্থপরতায়, ক্রূরতায়, অযৌক্তিকতায়, অমানবিকতায়, অগণতান্ত্রিকতায়, অতীতমুখিনতায় বাঁচতে; পরকালমুখিনতায় বাঁচতে।

কতটা মূর্খ হলে পরে পৃথিবী জুড়ে ভিন্ন ভিন্ন ভূখণ্ডে, ভিন্ন ভিন্ন বয়েসের, শিক্ষার, সংস্কৃতির মানুষের কাছে সে মরু-সংস্কৃতি গ্রহণযোগ্য হয়? কতটা অন্ধ হলে পরে সামান্য সে গোত্রাধিপতি তার সকল বিব্রতকর কর্মকাণ্ড (খুন, গুম-খুন, ভয়-ভীতি প্রদর্শন, বহুবিবাহ, শিশুকাম, দাসপ্রথার অনুসরণ, লুটতরাজ ইত্যাদি) সত্ত্বেও আজও অতুলনীয় আদর্শ চরিত্র বলে প্রতিভাত হয়?

রিজিকের মালিক আল্লাহ


১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

আমার 'আমার অবিশ্বাস' পাঠ - ১৮

হুমায়ুন আজাদের 'আমার অবিশ্বাস' নামের বইটা পড়তে শুরু করেছিলাম বেশ আগে। ধর্মকারী তখন স্থগিতাবস্থায়। কিন্তু কিছুদূর পড়ার পরে লক্ষ্য করলাম, বইটিতে উদ্ধৃতিযোগ্য ছত্রের ছড়াছড়ি। পড়া তখনই থামিয়ে দিয়ে স্থির করলাম, ধর্মকারী আবার সচল হলে ধর্মকারীর পাঠকদের (অনেকেরই বইটা পড়া আছে, জানি, তবুও...) সঙ্গে টাটকা পাঠমুগ্ধতা ভাগাভাগি করবো। তাই পড়তে শুরু করলাম আবার। বিসমিল্যা।

৮৩.
'আধ্যাত্মিক অনুভূতি' সম্পূর্ণ বাজে কথা; যারা এ-ধরনের অনুভূতি চায় ও পেয়েছে বলে দাবি করে. তারা মনোব্যাধিগ্রস্ত মানুষ।

৮৪.
ধর্মগুলো মানুষকে নিজের জীবন যাপন করতে দেয় না, বাধ্য করে বিশেষ ব্যক্তি বা গোত্রের পরিকল্পিত জীবন যাপন করতে। 

৮৫.
প্রতিটি ধর্মের পুজোআরাধনার রীতিগুলো হাস্যকর।

৮৬.
মুসলমানের কাছে হিন্দুর পুজো আর ঘন্টাধ্বনি হাস্যকর, হিন্দুর কাছে মুসলমানের দিনে পাঁচবার উঠে-ব'সে প্রার্থনা হাস্যকর। এসবে এমন কিছু নেই, যা বহন করে কোনো পরম সত্তার ছোঁয়া। এগুলোতে বারবার আবৃত্তি করা হয় এমন সব শ্লোক, যেগুলো স্থূল, যেগুলোর নেই কোনো অসাধারণত্ব। 

৮৭.
কোনো কোনো ধর্মের আরাধনার অনেক শ্লোক কালাতিক্রমণতাগ্রস্তও; উপাসনার সময় প্রতিদিন এমন সব ব্যক্তিকে ধ্বংস হওয়ার অভিশাপ দেয়া হয় যারা বহু আগেই লোকান্তরিত।

নামাজরঙ্গ - ৩২


নারীর স্বাধিনতা ও বাছি নেয়ার অধিকার

লিখেছেন বাংলার উসমান মুয়াজ্জিন মোহাম্মদ ইসলাম

ইসলাম নারীকে সমান অধিকার দিয়েসে, দিয়েসে স্বাধিনতা, দিয়েসে নিজ পছন্দে কোনো কিছু বাছি নেয়ার অধিকার।

কিন্তুক সেটা কেমন তা আমাদিগকে বুঝতে হবে।

আর সেটা বুইজতে হলে আমাদিগকে chastity belt পিন্দা বা পিন্দানি জানতে হবে। ছবিতে এই বেল্টটি দেকতে ফাচ্ছেন।

ছবিতে বিভিন্ন রকমের chastity belt আছে। বিভিন্ন ডিজাইনের, বিভিন্ন দামের।

কিন্তুক, তারও আগে মানবদেহের গঠনতন্ত্র সম্পর্কে আলোসনা করা ফ্রয়োজন। তবে সোলুন ফাঠক, আমাগের চুক্ষুকে কিসুক্ষনের জন্য একটা মানবী দেহের উফর নিবদ্ধ রাখি...

মানব দেহে বর্জ্য নিষ্কাশনে কিছু ছিদ্র থাকে। খাদ্য গ্রহনের জন্যও থাকে ছিদ্র। যেমন, চোখের ছিদ্র, নাকের ছিদ্র, কানের ছিদ্র, মুখের ছিদ্র, মলদ্বারের ছিদ্র, প্রস্রাবের ছিদ্র, বীজ উৎপাদনের ছিদ্র।

এত এত ছিদ্রের ভেতর এমনো ছিদ্র আছে, যে ছিদ্র সংরক্ষনাবেক্ষনের জন্য আমরা আইন তৈরি করি। এই ছিদ্রটাকে আমরা আমরা এমুন এক ফর্যায়ে নিয়ে গেছি যে, ছিদ্রটির কারনে আমাদের ভেতর একটা আবেগ কাজ করে। সে আবেগের নাম “হিংসা”; আরও যে আবেগ কাজ করে, তার নাম ‘ভালোবাসা’।

এই ছিদ্রটাতে কোনো জড় বস্তু প্রবেশ করলে এটি তার সতীত্ব হারায় না। আমাদের মতে, এটি তখনই পাপী হয়ে যায় এবং অনেক বড়ো অপরাধী হয়ে যায়, যখন এই ছিদ্রটিতে অন্য মানুষের শরীরের আরেকটি অঙ্গ প্রবেশ করানি হয়।

নাক টানাটানিতে বা নাক ঝাড়াঝাড়িতে আমাগের নাক দিয়া 'হিঙ্গিল' বাহির হয়। ঠিক একই রকম বীজ উৎপাদনকারি ছিদ্রটিও ঘর্ষনে ঘর্ষনে তরল পদার্থ নির্গত করে। কিন্তুক মজার বিষয় হইসে, ছিদ্রের তারতম্যের কারনে ‘নাসিকা’ দিয়ে কুনো জড়ো বা জীবন্ত দন্ড প্রবেশ করালে ‘যেনা’ সংক্রান্ত মামলায় ফড়তে হয় না। অথচ ‘যেনা’ সংক্রান্ত ব্যাপারে পৃথিবী তোলফাড় হই যায়, যখন ‘হিংসা’ ও ‘ভালোবাসা’র ছিদ্রটিতে অনুপ্রবেশ ঘটে।

আলোচ্য ভালোবাসা/ঘৃনা/হিংসা জড়ানো ছিদ্রটার কারনে কোনো কোনো পুরুষ হয় সন্দেহবাতিকগ্রস্থ। এই পুরুষটি নারীকে ‘মানব রচিত’ সতীত্ব হারানোর বিপদ থেকে বাঁচানোর ভুমিকা নেয় এবং সে ভূমিকা নিতে গিয়ে সে ঐ নারীটিকে পছন্দ করার অধিকার দান করে। জ্বী, দান করে!

এই সন্দেহবাতিকগ্রস্থ পুরুষটি বিভিন্ন ডিজাইনের, বিভিন্ন দামের chastity belt সংগ্রহ করে। এবং তার নারীকে এসব chastity belt থেকে একটা পছন্দ করে নিতে বলে। নারীটি তার যৌনাঙ্গ অবরুদ্ধ করি রাখার বস্তুটি নিজের পছন্দ মতন বাছি নেয়।

তার এই বেছে নেয়ার মধ্য দিয়া সে স্বাধিনতা লাভ করে। অর্জিত স্বাধিনতায় choose করে নেয়ার সুযোগ পায়। chastity belt পছন্দ করে নেয়ার মধ্য দিয়ে এই নারীটি যেমন করে মর্যাদা লাভ করে, তেমন করেই শুদু ইসলাম না পুরুষতান্ত্রিক সমস্ত ধর্মগুলিতে নারীরা সম্মান পায়। তেমন ধারায় তারা অধিকার লাভ করে।

বা বলা যেতে পারে যে, 

চিড়িয়াখানার পশুটিকে যেমন করি খাঁচা তৈয়ার করে দেয়া হয় এবং পরবর্তিতে পশুটি খাঁচাতে স্বাধিনভাবে ঘুরাফেরা করে, তেমন নারীকেও ‘ইসলাম’ একটি খাঁচা তৈয়ার করি দেয়। আর খাঁচার ভেতর সে তার জগৎ নিবদ্ধ করি রাখে। খাঁচার ভেতরই তার সম্পূর্ণ স্বাধিনতা, অধিকার, মর্যাদা।

আমার বোরখা-ফেটিশ – ১১৮



ধর্মবিদ্রূপানন্দ - ১২

লিখেছেন Mosammot Rinee Khatun

৩৪.
মোছলমান সন্তানের জারজ-অজারজের নিয়ামক মাত্র তিনটা শব্দ কবুল, কবুল এবং কবুল। যার ঔরসজাত তাকে সন্তানের আম্মিজান ঐ তিনটা শব্দ দ্বারা একবার গ্রহণ করলে করলেই হলো। তার পর আর ইচ্ছা-অনিচ্ছার কোন মুল্য নেই। 

আমি মনে করি, সেই সন্তানেরাই জারজ, যারা একজন আদর্শ পিতার পরিচয়ে পরিচয় দিতে ভয় করে, অনীহা প্রকাশ করে। 

বাংলা সঙ্গীত জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র কমল দাশগুপ্তের মুছলিম সন্তানদের জন্য খুব করুণা হয়।

৩৫.
কোরান না বুঝে তেলাওয়াত করা ফরজ। বুঝে ফেললে ঈমান ঢিলা হয়ে যাবে, এমনকি ঈমানের মিথ্যে তক্ত-তাউস ভেঙেও যেতে পারে, তাই ঈমান ঠিক রাখা কি ফরজ নয়?

৩৬.
উড়ুউড়ু, তন্দ্রাচ্ছন্ন, মৌনভাব, স্বপ্নালু, ঘোরলাগা ইত্যাদি পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার জন্য কার্ল মার্কস ধর্মকে অাফিমের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

হাল-জমানার সহি ইছলামবাজদের আফিমীয় বৈশিষ্ট্যাবলীর সঙ্গে তুলনা করলে শয়তানও লজ্জায় আত্মহনন করবে।

এইগুলো ইছলামিস্টদের হেয় করার ইহুদী ষড়যন্ত্র! সর্বকালের সেরা ধম্মকে মাদকের সঙ্গে তুলনা করলে শ্রেষ্ঠমদ, মহামদ টাকিলার সঙ্গেই করা উচিত।

(বি. দ্র. : কারো মদানুভুতিতে অাঘাত লাগলে নিজ দায়িত্বে মলম লাগিয়ে নেবেন)

নিত্য নবীরে স্মরি – ১৬০



১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

কোরান কুইজ – ৪১

নিশ্চয়ই মোমিন মুসলমানগণ কোরান সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। বেয়াড়া নাস্তিকগনও নিজেদেরকে কোরান-অজ্ঞ বলেন না কখনও। তাই মুসলিম-নাস্তিক নির্বিশেষে সকলেই অংশ নিতে পারেন কোরানের আয়াতভিত্তিক এই ধাঁধা প্রতিযোগিতায়। এই সিরিজের মাধ্যমেই তাঁরা নিজেদের কোরান-জ্ঞান যাচাই করে নিতে পারবেন। 

প্রশ্ন ৫১: আল্লাহপাকের এক দিন বাস্তবে কয়দিনের সমান?

১. এক হাজার বছর
২. পঞ্চাশ হাজার বছর

উত্তর বেছে নিয়েছেন? এবারে মিলিয়ে দেখুন।

মমিনবান্ধব ডিভাইস


ধর্ম-বিনোদনী

ধর্মের আছে অগণ্য কুৎসিত দিক, তাই বলে ভালো কিছুই নেই ধর্মে, কথাটা ঠিক নয়। এই যেমন, ধর্ম আমাদের জন্য যুগিয়ে যাচ্ছে নিরন্তর বিনোদন...

১. 
তিব্বত স্বাধীন না হলে দালাই লামা চীনে পুনর্জন্ম নেবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
ওদিকে চীনও তাঁকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, পুনর্জন্মের ঐতিহ্য রহিত কোনও করার অধিকার তাঁর নেই। 

না রে, ভাই, অনিয়ন বা মতিকণ্ঠের সংবাদ নয়, রয়টার পরিবেশিত।

২. 
হিন্দুদের বানর-দেবতা হনুমানের নামে বায়োমেট্রিক আইডেন্টিটি কার্ড কী করে ইস্যু করা হলো, সে নিয়ে ভারতে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। ওই আইডি কার্ডটি নির্দিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছে দিতে গিয়ে ডাকপিয়ন হনুমানকে না পেলে ঘটনাটি প্রকাশিত হয়।
(লিংক: কৌস্তুভ)

৩. 
ক্রোম ওয়েব স্টোরে একটি মজাদার অ্যাপ পাওয়া যাচ্ছে। অ্যাপটি ক্রোম ব্রাউজারে ইনস্টল করে নিলে যে কোনও ওয়েব সাইটের টেক্সটে ব্যবহৃত god শব্দটি আর দেখা যাবে না। ওই শব্দটি প্রতিস্থাপিত হয়ে যাবে Nicolas Cage দিয়ে।

এক হাতে মোর কোরান শরীফ, আর হাতে ... - ৪

কবি নজরুল লিখেছিলেন: "এক হাতে মোর বিষের বাঁশরী / আর হাতে রণতূর্য।" কী ভেবে তিনি তা লিখেছিলেন, আমার জানা নেই, তবে কেন অনেক মুসলমানের এক হাতে থাকে কোরান, আরেক হাতে অস্ত্র (যেন একটি অপরটির পরিপূরক), সেটি বেশ বুঝতে পারি। 

কোরানে যতো সহিংস, উস্কানিমূলক ও জঙ্গিবাদী আয়াত আছে (একটি পুরনো তবে খুবই প্রয়োজনীয় পোস্ট: কোরানের ভালো আয়াত বনাম অসহিষ্ণু/জঙ্গিবাদী আয়াত), তাতে কোরানের পাশে অস্ত্রের সহাবস্থান একেবারেই বেমানান তো নয়ই, বরং বলা চলে: কোরান ও অস্ত্র - মানিকজোড়, মেইড ফর ইচ আদার, এক দুজেকে লিয়ে...

চাবি মাইরা দিছে ছাইড়া

লিখেছেন দাঁড়িপাল্লা ধমাধম

১. শপিং মলে গেছিলাম। সিটি থেকে অনেকটা দূর - পূর্বদিকে, লং আইল্যাণ্ড। ঢুকতেই বিশাল হলওয়ে। দুদিকে সারি সারি দোকান। পথের মাঝখানে ছোটখাটো খেলনার দোকানের পাশাপাশি ঘড়ি সানগ্লাসের দোকানও আছে। হেঁটে হেঁটে সামনের দিকে আগাচ্ছি, হঠাৎ থমকে গেলাম - একটা উল্লুক ভাল্লুক কিংবা কুকুরের বাচ্চা জায়গার ওপর ডিগবাজি দিচ্ছে! ভালো করে খেয়াল করতেই বুঝলাম ওটা একটা খেলনা। একটা চাবি মাইরা দিছে ছাইড়া, জনম ভইরা একই জায়গায় ছাগলের ৩ নাম্বার বাচ্চার মত লাফাচ্ছে তো লাফাচ্ছেই...কোনো পরিবর্তন নাই...

২. যে-ই যায় লংকায়, সে-ই হয় রাবণ - একটা ভালো মানুষও ক্ষমতা পেলে ডিগবাজি খেয়ে খারাপ হয়ে যেতে পারে - এমনই একটা ইঙ্গিত। সংখ্যাগুরুরা হাতে ক্ষমতা পেলে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার করে... মমিনদের দেশে মমিনরা সেই অত্যাচার করা নিয়ে আবার গর্ববোধও করে। মডারেট মুসলমানদের এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ঠোঁটে একটা বাঁকা হাসি ঝুলিয়ে বলে থাকে - সংখ্যাগুরুদের একটা আলাদা পাওয়ার তো থাকবেই হেঁ হেঁ...

৩. সংখ্যাগুরুদের এই পাওয়ার নিয়ে তর্ক করতে গেলে এক পর্যায়ে মমিনরা এ-ও বলে থাকে, সব জায়গাতেই নাকি সংখ্যাগুরুরা সংখ্যালঘুদের ওপর এমন একটু-আধটু অত্যাচার করেই থাকে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে, তাদের এই কথাটা সত্য নয়। সভ্য মানুষেরা সংখ্যাগুরু হলে, তাদের হাতে ক্ষমতা গেলে তারা কখনোই সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার করে না। উদাহরণ হিসাবে নাস্তিকপ্রধান দেশগুলোর কথা বলা যেতে পারে। যেমন ডেনমার্ক বা সুইডেন। সেখানে ৮৩ থেকে ৮৮ শতাংশ মানুষ নাস্তিক। এরা কখনো অন্যদেরকে ধর্মপালনে বাধা দিচ্ছে বা সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার করছে - এমনটি কখনো শোনা যায় না। বরং বর্তমানে এই দু'টি দেশ সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাসযোগ্য দেশের লিস্টে একেবারে ওপরের দিকে অবস্থান করছে। দিন দিন এসব দেশে খারাপ লোকের সংখ্যা এতটাই কমে যাচ্ছে যে, জেলখানা পর্যন্ত বন্ধ করে দিতে হচ্ছে।

৪. এরকম উদাহরণ আরো দেয়া যেতে পারে, যেখানে সভ্যরা সবসময় সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিত করতে সচেতন ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু সভ্যদের এই এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে কেউ যদি উলটো তাদেরই ক্ষতি করার চেষ্টা করে, কিংবা নিজেদের পরিবর্তন বা সংশোধন না করে সেই ১৪০০ বছর আগে চাবি মাইরা দেয়া উল্লুক-ভাল্লুক-কুত্তাদের মত ১৪০০ বছর আগের সেই একই ব্যবহার করতে থাকে, তখন ব্যাপারটা অন্য রকম হলে সেটার দায় কাদের হবে?

৫. এবার মুসলিম মেজরিটি দেশগুলোর দিকে তাকানো যাক - শান্তির বন্যায় রক্তগঙ্গা বয়ে যাচ্ছে।

যিশুশিক্ষা

বেবাকরে মাইরা ফালাও, যুবতীগুলান বাদে!

(পূর্ণাকারে দেখতে ছবির ওপরে ক্লিক করতে হবে)

বাইবেলের অনুবাদ এখান থেকে নেয়া।

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

ধর্মাতুল কৌতুকিম – ৫৯

১৬৯.
- একজন মুসলমানের মাথা কী দিয়ে আটকানো থাকে? 
- আল্যা-তালা দিয়ে। 
(কৌতুকটি বানিয়েছেন 'নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক')

১৭০.
এক যাজিকা (nun) হাঁপাতে হাঁপাতে তার মাদার সুপিরিয়রের ঘরে ঢুকে বললো:
- একটু আগে পাশের বনে ঘুরতে বেরিয়েছিলাম, তখন এক লোক আমাকে ধর্ষণ করেছে। এখন আমি কী করবো? 
- এক্ষুনি এক টুকরো লেবু খেয়ে নাও। 
- কেন, লেবু খেলে প্রেগন্যান্ট হবার সম্ভাবনা থাকবে না?
- না, তা নয়। লেবু খেলে তোমার মুখমণ্ডল থেকে তৃপ্তির হাসিটা অন্তত দূর হবে।

১৭১.
বিদেশের জেলখানায় এক মুছলিম কয়েদির ধর্মবিশ্বাসকে সম্মান করবে বলে জানিয়েছে তার সহকয়েদিরা। তারা বলেছে, প্রতি বার নামাজ পড়ার সময় সেজদায় গিয়ে ঊর্ধ্বপোঁদী হলেই তারা তাকে যথাসাধ্য সাহায্য করবে, যাতে সে চিৎকার করে মন থেকে আল্যাকে ডাকতে পারে।

এক জোড়া পোস্টার



নাস্তিকদের কটূক্তির দাঁতভাঙা জবাব - ৩৯

লিখেছেন অ বিষ শ্বাসী

আসুন, নাস্তিকদের কটূক্তির বিরুদ্ধে দাঁতভাঙা জবাব দেই...


কটূক্তি ৭৭:
নিজ নিজ ধর্মকে বিজ্ঞানসম্মত দাবী করলেও সিংহভাগ ধার্মিকই বিবর্তনবাদ মানতে চায় না। কারণ তা সৃষ্টিতত্ত্ব বাতিল করে দেয়।

দাঁতভাঙা জবাব:
বিবর্তন হচ্ছে বিজ্ঞানীদের তৈরি গালগল্প, যার কোনো ভিত্তি নেই। বানরের পেট থেকে মানুষ জন্মাতে কেউ কখনো দেখেছে? আর মানুষ যদি বানর থেকেই আসে তাহলে দুনিয়ায় এখনো বানর আছে কেন?


কটূক্তি ৭৮:
বিবর্তন তত্ত্বে বলা হয়নি, মানুষ বানর থেকে এসেছে। মানুষ ও বানর একটি ‘সাধারণ পূর্ব-পুরুষ’ থেকে এসেছে, যা বানর জাতীয় (প্রাইমেট) হলেও আজকের বানর (মাঙ্কি) নয়। এর সপক্ষে অনেক ফসিল পাওয়া গিয়েছে। 

দাঁতভাঙা জবাব:
যে তথাকথিত পূর্বপুরুষের কথা বলা হয়েছে, আজ পর্যন্ত সেরকম কোনো প্রাণী দেখাতে পারেনি বিজ্ঞানীরা। কিছু হাড়-গোড় দেখালেই তো প্রমাণিত হয় না, এগুলোই মানুষের পূর্বপুরুষ।

[বি.দ্র. কটূক্তির বদলে দাঁত ভাঙা জবাব গুলো আমার নয়। বিভিন্ন সময়ে ভার্চুয়াল মুমিনগণ যে জবাব দিয়েছেন তা কপি করে ছড়িয়ে দিচ্ছি শুধু। আপনারাও সবাই শেয়ার করে নাস্তিকদের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে জবাব দিন, ঈমান পোক্ত করুন...]

ইছলামী দান