বৃহষ্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০১৪

নিত্য নবীরে স্মরি – ১৫১


পারলৌকিক বেশ্যার ইহলৌকিক দালাল

পাঠিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা

বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০১৪

“নাস্তিকরা বিয়ে করবে কী করে?”


লিখেছেন Elijah Neo

“নাস্তিকরা বিয়ে করবে কী করে?”, এটা আস্তিকদের একটা common প্রশ্ন। 

আস্তিকদের ধারণা, ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসারে বিয়ে না হলে বিয়ে শুদ্ধ হয় না - বিয়ের নামে ব্যভিচার হয়। বিয়ে কী – সে প্রসঙ্গে একটু পরে আসছি। আগে ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী বিয়ের প্রসঙ্গে একটু বলে নিই। ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী বিয়ে না হলে বিয়ে শুদ্ধ হবে না, সেটা নাহয় তর্কের খাতিরে আপাতত মেনে নিলাম। কিন্তু প্রশ্ন হলো – কোন ধর্মের রীতিনীতি অনুযায়ী বিয়ে করলে তা আস্তিকদের মতে শুদ্ধ হবে? সে কি ইসলাম ধর্ম, নাকি খ্রিষ্টান, নাকি ইহুদি, হিন্দু, বৌদ্ধ, নাকি আরো কয়েক শত ধর্মের কোনো একটি? কোনটি সঠিক? 

মুসলামানরা ইসলাম ধর্ম ছাড়া অন্য কোনো ধর্ম মানেন না। সেগুলোর কোনো মূল্যই নেই তাঁদের কাছে – কেননা এগুলো আল্লাহ প্রদত্ত ধর্ম নয় বা বাতিল ধর্ম। ইসলাম ধর্মমতে - কলেমা পড়ে বিয়ে করলেই তাদের মতে বিয়ে শুদ্ধ – তা নয় তো ব্যভিচার! তবে কি হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, ইহুদি বা অন্যান্য ধর্ম মতে যাঁরা বিয়ে করেছেন – তারা সবাই ব্যভিচার করে চলেছেন? হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, ইহুদি বা অন্য ধর্মালম্বী যাঁরা আছেন – তবে কি তারা সবাই পাপের ফসল?

হিন্দুরা হিন্দু ধর্ম ছাড়া অন্য কোনো ধর্মকে মানেন না। সেগুলোর কোনো মূল্যই নেই তাঁদের কাছে – কেননা এগুলো ভগবান প্রদত্ত ধর্ম নয় বা বাতিল ধর্ম। হিন্দুরা মনে করেন, তাঁদের হিন্দুধর্মের রীতিনীতি মেনে বিয়ে না করলে বিয়ে শুদ্ধ হবে না। তবে কি মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, ইহুদি বা অন্যান্য ধর্ম মতে যাঁরা বিয়ে করেছেন – তাঁরা সবাই ব্যভিচার করে চলেছেন? মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, ইহুদি বা অন্য ধর্মালম্বী যাঁরা আছেন – তবে কি তাঁরা সবাই পাপের ফসল?

একই প্রশ্ন সব ধর্মালম্বীকে করা যায়। প্রতি ক্ষেত্রেই অন্যান্য ধর্মালম্বীরা বিয়ের নামে অধর্ম করে চলেছেন – কেননা তাঁদের ধর্ম অন্যান্য ধর্মালম্বীদের মতে নকল বা বাতিল ধর্ম। 

যেহেতু সমাজের অন্যান্য ধর্মালম্বীরা ভিন্ন কোনো এক ধর্ম সম্প্রদায়ের ধর্মকে স্রষ্টাপ্রদত্ত ধর্ম বলে মানেন না, যেহেতু তাঁদের ধর্ম অন্যের মতে আসল ধর্ম নয়; সেহেতু আস্তিকরা সবাই অধর্ম করে চলেছেন। আস্তিকরা সবাই একে অন্যের ধর্মীয় বিচারে বিয়ের নামে ব্যভিচার করে চলেছেন। তারা সবাই পাপের ফসল। তাই নয় কি? 

কী মূল্য থাকল তবে “নাস্তিকরা বিয়ে করবে কি করে?” এই মূল্যবোধ বিচারের? কোনো মূল্য নেই। আস্তিকরা যেভাবে অন্যের ধর্মকে কুছ-পরোয়া না করে বিয়ে করছেন, নাস্তিকরাও তেমনি অন্যের ধর্মকে কুছ-পরোয়া না করেই বিয়ে করবেন। তফাৎ কী? কোনো তফাৎ নেই।

এবার আসি, বিয়ে কী, সে প্রসঙ্গে। বিয়ে হলো দু'জন মানুষের মধ্যে চুক্তি যার প্রতি ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের দ্বায়বদ্ধতা রয়েছে। সুতরাং বিয়েতে কলেমা পাঠ বা মন্ত্রপাঠ মুখ্য নয় – বিয়ের মুখ্য বিষয় হলো চুক্তির শর্তাবলী। আমাদের খেয়াল রাখতে হবে, যেন বিয়ে নামক চুক্তিতে উভয়পক্ষ সমান অধিকার পেতে পারে – কারো অধিকার এবং সম্মান যেন ক্ষুন্ন না হয়।

বিয়ের আয়োজন হোক। 
বাজুক সানাই।

গরুপূজারি গাধাগুলো - ৭৯



ধার্মিক মানেই কি হেঁটমুণ্ডু ঊর্ধ্বপোঁদ?

চিন্তা-প্রতিচিন্তা - ০৪


লিখেছেন বুদ্ধ মোহাম্মদ যীশু কৃষ্ণ

৯. 
নাস্তিকদের অস্ত্র দু'টি:
১. যুক্তি
২. প্রমাণ
আস্তিকদের অস্ত্র, আমার জানা মতে,  সাতটি:
১. মিথ্যাচার
২. গালাগাল
৩. রিপোর্ট
৪. অজুহাত
৫. ত্যানা প্যাঁচানো
৬. হুমকি
৭. হত্যা
১০.
ধর্ম যদি প্রাণীজগতের জন্য ভালো কিছু হয়, তাহলে এই পৃথিবীতে খারাপ বলে আর কিছু নেই।

১১.
মুসলিমেরা বিবর্তনে বিশ্বাসী নয়।
মুসলিমদের কোনো বিবর্তন হয়নি। আর এজন্য তারা নিজেদের বানর প্রজাতির প্রমাণ সাব্যস্ত করতে মুখ ভরা দাড়ি রেখে নিজেদের অর্ধ বানর বানিয়ে সমাজে ঘুরে বেড়াতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

দ্বীনবানের দীন বাণী - ০২


ভেবে দেখলাম, ধর্মকারীতে শুধু ধর্মবিরোধী বেদ্বীন ও ধর্মপোন্দকদের বাণী ছাপানো হয়। দ্বীনবানদের বাণীর একটা সিরিজও চালু করা হলো তাই   

তথ্যসূত্র: এক, দুই

কয়েক কিসিমের কোরান


লিখেছেন অর্ণব খান

কোরানের অবিকৃতি নিয়ে ইসলামী স্কলারগণ অনেক মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে থাকেন। তাঁরা বলেন যে, সারা দুনিয়ার সকল কোরান মিলিয়ে দেখলেও একটা বিন্দু পর্যন্ত এদিক-সেদিক পাওয়া যাবে না। পৃথিবীতে কোরানের শুধুমাত্র একটি ভার্সনের অস্তিত্ব আছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বেশ কিছু ভিন্ন ধরনের কোরান মুসলিম সমাজে স্বীকৃত। স্বীকৃত হবার পরেও প্রায় ৯৯ শতাংশ মুসলিমই এই ব্যাপারটি জানে না।

বর্তমানের প্রচলিত কোরানগুলোতে বিশেষ্যর পার্থক্য, ক্রিয়াপদের পার্থক্য, বৈশিষ্ট্যসূচক চিহ্নের পার্থক্য, উচ্চারণগত পার্থক্য, শব্দের ভিন্নতা, শব্দের আগ-পিছ, শব্দের কম-বেশি ইত্যাদি বিভিন্ন রকম পার্থক্য দেখা যায়। এছাড়া প্রচলিত ভিন্ন রীতির কোরানের সংখ্যা অনেক। এর মাঝে দশটি কোরান সমস্ত স্কলার কর্তৃক স্বীকৃত, আরও চারটি একটু কম প্রসিদ্ধ হলেও স্বীকৃত। আর প্রায় ছেচল্লিশটির কোনো স্বীকৃতি নেই, কিন্তু অস্তিত্ব আছে।

হযরত উসমাননের খিলাফতকালে সাত হরফের কোরান নিয়ে বেশ ঝামেলার সৃষ্টি হয়েছিল। সাহাবাগণ একটার সাথে আরেকটা গুলিয়ে ফেলছিলেন। তাই হযরত উসমান শুধু মূল হরফ কুরাইশ ঠিক রেখে বাকি ছ'টি হরফের কোরান নষ্ট করে দিয়েছিলেন। এখনকার প্রচলিত কোরানগুলো এই কুরাইশ হরফের ভিন্ন ভিন্ন কিরাত বই অন্য কিছু নয়। দশটি প্রসিদ্ধ কিরাতের মাঝে হাফস কিরাত সবচেয়ে বেশি প্রচলিত আর ওয়ারশ কিরাত অল্প কিছু দেশে প্রচলিত, বাকিগুলোর প্রচলন খুবই কম।

The Readings and Rhythm of the Uthman (Qur'anic) Manuscript এই বইটিতে হাফস এবং ওয়ারশ কিরাতের কোরানের মাঝে ১৩৫৪ টি পার্থক্য পাওয়া যাবে, আর অথেন্টিক দশটি ভিন্ন কিরাতের কোরানের মাঝেই পার্থক্য পাবেন মুহাম্মদ ফাহাদ খাররুন-এর লেখা আরেকটি আরবী বই ت التنزيل مذيلا بمنظومتي الشاطبية والدرة থেকে। 

শুধুমাত্র হাদিসের মাঝেই জাল, সহিহ, জয়িফ, হাসান ইত্যাদি রকমফের নেই, বরং কোরানের মাঝেও জাল কোরান, সহিহ কোরান, জয়িফ কোরান আর হাসান কোরান বিদ্যমান।

ভিন্ন ভিন্ন কিরাতগুলোর মাঝে অনেক অনেক পার্থক্য। উদাহরণ স্বরূপ:

২:১২৫ হাফস-এ পড়া হয় ওয়াত্তাখিজু (তোমরা নেবে), ওয়ারশ-এ পড়া হয় ওয়াত্তাখাজু (তারা নিয়েছে) 

২:১৪০ হাফস-এ পড়া হয় তাকুলুনা (তোমরা বল), ওয়ারশ-এ পড়া হয় ইয়াকুলুনা (তারা বলে) 

৩:১৪৬ হাফস-এ পড়া হয় কাতাল (লড়াই করেছিল), ওয়ারশ-এ পড়া হয় কুতিল (খুন হয়েছিল)

তাশখন্দ মিউজিয়ামে হযরত উসমান কর্তৃক সংকলিত কোরানের কপি সংরক্ষিত আছে। এছাড়াও ইস্তাম্বুলের মিউজিয়ামে একটি প্রাচীন গোল্ডেন কোরান আছে। প্রাচীন সেই কোরানগুলোর সাথে বর্তমান কোরানের ভয়ানক কিছু পার্থক্য আছে। উদাহরণ স্বরূপ:

উসমানের কোরানের ৩৭:১০৩ আয়াতের একটি অংশ হচ্ছে ''ওয়ামা আসলামা'', যার অর্থ ''এবং তারা আত্মসমর্পণ করেনি।" কিন্তু বর্তমান কোরানে সেখানে আছে ''ফালাম্মা আসলামা'' যার অর্থ ''যখন তারা আত্মসমর্পণ করেছিল।" 

এমন আরও অনেক আয়াত আছে, যেগুলোর অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা। গোল্ডেন কোরানেরও কিছুটা একই অবস্থা। ব্রাদার মার্ক একটি বই প্রকাশ করেন যাতে তিনি বর্তমান কোরানের সাথে তাশখন্দের কোরানের বহু অমিল দেখিয়েছেন। বইটির নাম: A perfect qurʹan নিচের কমেন্টের ২য লিংক সাইটে আপনি ব্রাদার মার্কের বই থেকে বেশ কিছু উদাহরণ পাবেন।

ইস্তাম্বুলের স্বর্ণের কোরান পড়ার সুযোগ এখন আছে। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়েব সাইটে কোরানটির অনেকগুলো সুরা কালার স্ক্যান করে পাবলিকের কাছে উন্মুক্ত করে দিয়েছে, ওখানে গিয়ে দেখতে পারেন, বর্তমান কোরানের সাথে অনেক জায়গাতে অমিল আছে।

হা-হা-হাদিস – ৯৫


অনুবাদ ও ফটোমাস্তানি: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক


মন্দিল-খুশি-করা ইলাস্ট্রেশনসহ বাংলায় অনূদিত আরও অসংখ্য মজাদার হাদিসের সংকলনটি যাঁরা এখনও দেখেননি, তাঁরা কতোটা মিস করেছেন, তা ডাউনলোড করে নিয়ে নির্ধারণ করুন।

ডাউনলোড লিংক
https://docs.google.com/file/d/0B1lqaonhgir4N3ZCcWk1WTdQdkk/edit?usp=sharing
(লিংকের পাতায় গিয়ে ওপরে বামদিকে নিম্নমুখী তীরচিহ্নে ক্লিক করে ফাইলটি ডাউনলোড করুন)
ফরম্যাট: পিডিএফ
সাইজ: ১০.৭৪ মেগাবাইট

মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০১৪

নাস্তিকদের কটূক্তির দাঁতভাঙা জবাব - ৩১


লিখেছেন অ বিষ শ্বাসী

আসুন, নাস্তিকদের কটূক্তির বিরুদ্ধে দাঁতভাঙা জবাব দেই...


কটূক্তি ৬১:
মুসলিম অধ্যুষিত দেশে অমুসলিমদের ওপর ইসলাম চাপিয়ে দেওয়া হয় কেন?

দাঁতভাঙা জবাব:
ইসলাম কোনো গৎবাঁধা প্রার্থনাকেন্দ্রিক ধর্ম নয়। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যা সকল ধর্মের মানুষের জন্য প্রযোজ্য।


কটূক্তি ৬২:
ইসলাম সকল ধর্মের মানুষের জন্য প্রযোজ্য হলে অমুসলিমরা কেন ইসলাম নিয়ে কথা বলতে পারবে না?

দাঁতভাঙা জবাব:
অমুসলিমদের কোনো অধিকার নেই ইসলাম নিয়ে কথা বলার। তারা নিজ ধর্মের সমালোচনা করতে পারে না? কেন ইসলাম ধর্ম নিয়ে এত চুলকানি তাদের?

[বি.দ্র. কটূক্তির বদলে দাঁত ভাঙা জবাব গুলো আমার নয়। বিভিন্ন সময়ে ভার্চুয়াল মুমিনগণ যে জবাব দিয়েছেন তা কপি করে ছড়িয়ে দিচ্ছি শুধু। আপনারাও সবাই শেয়ার করে নাস্তিকদের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে জবাব দিন, ঈমান পোক্ত করুন...]

চিত্রপঞ্চক - ৮০







সুন্নতক্ষুণ্ণ গিন্নি


লিখেছেন Densa Eagle

আব্বা মসজিদ থেকে আসার পর তাকে বললাম:
- আব্বা, দাড়ি কাট না কেন? তোমার কাঁচাপাকা দাড়ি দেখে আম্মা তোমাকে কিছু বলে না?

পাশে বসা আম্মা বলল:
- দাড়ি রাখা সুন্নত। তোর আব্বুকে বিয়ের পর থেকে বলছি দাড়ি রাখতে, কিন্তু রাখে নাই। এবার রমজান মাসে কী মনে করে দাড়ি রেখে দিল। সবই আল্লার ইচ্ছা।

আমি বললাম:
- আব্বা, তোমার বিয়ের দাওয়াত কবে খাচ্ছি?

আব্বা এই কথা শুনে মিটিমিটি হাসছে, কিছু বলছে না। 

ইতিমধ্যে আম্মা রণমূর্তি ধারণ করে বলে:
- দেখছ, তোমার মাইয়ার কথা বার্তার স্যাম্পল? 

আব্বা বলে:
- এত দেখাদেখির কী আছে? মাইয়া আমার ভুল কিছু বলে নাই। সুন্নত পালন করলে সবই করব। চারটা বিয়েও করব। এর মাঝে আবার কচি বালিকাও রাখব। হুম।

আব্বা বলে আর আমি হেসে ফ্লোরে গড়াগড়ি দিই।
হো...হো...হো...হো...

আম্মা কপাল চাপড়াতে চাপড়াতে বলে:
- তোমার সুন্নতের খেতা পুড়ি। এখন গিয়ে শেইভ করে আস। সুন্নত তোমার পালন করা লাগবে না। খাওয়ার টেবিলে যদি ক্লিন শেইভড না দেখি, তাহলে বাপ-বেটি দুইজনেরই ভাত বন্ধ, মনে রাইখ।

আমি ভাবি: আমি আবার কী করলাম!

আল্যার আদেশ ও মুছলিমেরা


আল্যাফাক এরশাদ করিয়াছেন (বাম থেকে ডানে পড়ুন):

আর তাই:

কুরানে বিগ্যান (পর্ব-৪৪): ‘সিরাত রাসুল আল্লাহ’ ও মুহাম্মদ ইবনে ইশাক: ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – সতের


লিখেছেন গোলাপ

পর্ব ০১ > পর্ব ০২ > পর্ব ০৩ > পর্ব ০৪ > পর্ব ০৫ > পর্ব ০৬ > পর্ব ০৭ > পর্ব ০৮ > পর্ব ০৯ > পর্ব ১০ > পর্ব ১১ > পর্ব ১২ > পর্ব ১৩ > পর্ব ১৪ > পর্ব ১৫ > পর্ব ১৬ > পর্ব ১৭ > পর্ব ১৮ > পর্ব ১৯ > পর্ব ২০ > পর্ব ২১ > পর্ব ২২ > পর্ব ২৩ > পর্ব ২৪ > পর্ব ২৫ > পর্ব ২৬ > পর্ব ২৭ > পর্ব ২৮ > পর্ব ২৯ > পর্ব ৩০ > পর্ব ৩১ > পর্ব ৩২ > পর্ব ৩৩ > পর্ব ৩৪ > পর্ব ৩৫ > পর্ব ৩৬ > পর্ব ৩৭ > পর্ব ৩৮ > পর্ব ৩৯ > পর্ব ৪০ > পর্ব ৪১ > পর্ব ৪২ > পর্ব ৪৩

পৃথিবীর প্রায় সকল তথাকথিত মডারেট মুসলমান (ইসলামে কোন কোমল, মডারেট বা মৌলবাদী শ্রেণীবিভাগ নেই) গভীরভাবে বিশ্বাস করেন যে, স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁর জীবনে অবিশ্বাসী কাফেরদের বিরুদ্ধে যতগুলো যুদ্ধ-বিগ্রহ করেছেন তাঁর সমস্তই ছিল আত্মরক্ষামূলক। আক্রান্ত না হয়ে তিনি কাউকেই আক্রমণ করেননি। বিশেষ করে অতি-বৃদ্ধ, নারী ও দুর্বলদের বিরুদ্ধে তো নয়ই!

আদি ও বিশিষ্ট মুসলমানদেরই লিখিত ইতিহাসের পর্যালোচনায় আমরা জানতে পারি যে, ইসলামের হাজারও অতিকথার মতো তাঁদের এই বিশ্বাসেরও কোনো সত্যতা নেই। তাঁদের এই বিশ্বাস যে নিবেদিতপ্রাণ ইসলাম-বিশ্বাসীদের শত শত বছরের "ইসলামী মিথ্যাচার, চাতুরী ও প্রচারণার বাস্তব ফসল” তা বোঝা যায় মুহাম্মদের মৃত্যুপরবর্তী সময়ের সবচেয়ে আদি ও বিশিষ্ট ইসলাম-বিশ্বাসী ও অনুসারীদের লিখিত ইতিহাসের পর্যালোচনায়। আমরা জানতে পারি, তাঁদের ঐ দাবি ও বিশ্বাসের সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র।

আদি উৎসের এ সকল বর্ণনা মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের শৌর্যবীর্য ও ক্ষমতার উপাখ্যানের হিসাবে বর্ণিত হয়েছে। তাঁদের পক্ষে ধারণা করাও সম্ভব ছিল না যে, তাঁদের লিখিত এই ঘটনাগুলো শত শত বছর পরে মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের নৃশংস সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের “উল্লেখযোগ্য দলিল" হিসাবে বিশ্ববাসীর কাছে প্রতিপাদ্য হবে।

মুহাম্মদের জীবনের “সর্বপ্রথম পুর্ণাঙ্গ জীবনীগ্রন্থ”:

বইটি লিখেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইশাক ইবনে ইয়াসার (৭০৪-৭৬৮ খৃষ্টাব্দ), আর তা লেখা হয়েছে মুহাম্মদের মৃত্যুর পর নিরবিচ্ছিন্ন (Continuous) মুহাম্মদ-অনুসারী মুসলিম শাসন আমলের প্রায় ১১০ বছর পর। আর হাদিস সংকলন ও লিপিবদ্ধ করা শুরু হয়েছে এরও ৯০ বছরের অধিক পর; মুহাম্মদের মৃত্যুর পর নিরবিচ্ছিন্ন মুসলিম শাসন আমলের ২০০ বছেরেরও অধিক পরে।

মুহাম্মদ ইবনে ইশাক ইবনে ইয়াসারের জন্ম হিজরি ৮৫ সালে, মদিনায়। তিনি মৃত্যুবরণ করেন হিজরি ১৫১ সালে, বাগদাদে। তিনি ছিলেন তৃতীয় প্রজন্মের ইসলামে নিবেদিতপ্রাণ বিশিষ্ট মুসলিম স্কলার।

তাঁর দাদা ইয়াসার বিন খেয়ার-কে খালিদ বিন ওয়ালিদ হিজরি ১২ সালে [৬৩৩ সাল] 'আয়েনুল তামীর [Aynu'l Tamir]' দখল করার পর ইরাক থেকে বন্দী করে অন্যান্য বন্দীদের সাথে মদিনায় খলিফা আবু বকরের কাছে পাঠিয়ে দেন। মদিনায় তাঁকে দাস হিসাবে কেয়াস বিন মাখরামা বিন আল-মুত্তালিব বিন আবদ-মানাফ নামক এক ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাঁর মুক্তি মেলে ইসলাম গ্রহণের মাধ্যমে। [1]

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের বাবা ইশাক বিন ইয়াসার এর জন্ম হয় হিজরি ৫০ সালে। তাঁর বাবা এবং চাচা মুসা বিন ইয়াসার ছিলেন তৎকালীন সুপরিচিত মুহাদ্দিস। পারিবারিক শিক্ষা ও পরিবেশে মুহাম্মদ ইবনে ইশাক অল্প বয়সেই নিজেকে ইসলামিক স্কলার হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি দ্বিতীয় প্রজন্মের বিশিষ্ট মুহাদ্দিসগণদের সাথে সংযুক্ত ছিলেন, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন মুহাম্মদ ইবনে শিহাব আল-জুহরী [মৃত্যু ৭৪২ সাল], আসিম বিন উমর বিন কাতাদা এবং আবদুল্লাহ বিন আবু বকর।

৭৩৭ খৃষ্টাব্দে ইয়াজিদ বিন হাবিবের কাছে শিক্ষাগ্রহণের জন্য মুহাম্মদ ইবনে ইশাক মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায় গমন করেন। পরবর্তীতে এই ইয়াজিদ বিন হাবিবই ইবনে ইশাক-কে বিশেষজ্ঞ জ্ঞানে তাঁর উদ্ধৃতি ব্যবহার করতেন।

এক কিংবা দুই বছর পর তিনি মদিনায় ফেরত আসেন। কিন্তু তিনি আবার মদিনা ছাড়তে বাধ্য হন, সম্ভবত, মালিক বিন আনাসের শত্রুতার কারণে (যদিও এই কারণটির ব্যাপারে মতভেদ আছে); তারপর তিনি বেশ কিছু বছর যাবত কুফা, বসরা, রেয় (Ray) সহ বিভিন্ন স্থানে শিক্ষাদান করেন। তিনি, সম্ভবত, ৭৬৩ সালে বাগদাদে স্থায়ী হন। সেখানেই তিনি আনুমানিক ৭৬৮ সালে মৃত্যু বরণ করেন।

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের রচিত মুহাম্মদের জীবনের “সর্বপ্রথম পুর্ণাঙ্গ জীবনীগ্রন্থ” বইটির আগে মুহাম্মদের জীবনের ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা সংক্রান্ত লেখার’, যার অধিকাংশই লুণ্ঠন ও আক্রমণ (Raid/Maghazi) বিষয়ক, যে ইতিহাস পাওয়া যায়, তা কালের গর্ভে হারিয়ে গিয়েছে

তাই এই বইটিই মুহাম্মদ ইবনে ইশাক পরবর্তী ইসলাম ইতিহাসবিদদের লিখিত মুহাম্মদের জীবনীগ্রন্থের “মূল রেফারেন্স”। [2][3]

"মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের মূল পাণ্ডুলিপিটি হারিয়ে গিয়েছে।"

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের মূল পাণ্ডুলিপিটি হারিয়ে গিয়েছে, যা তিনি লিপিবদ্ধ করেছিলেন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের বিভিন্ন ঘটনার মৌখিক বর্ণনা [Oral tradition] বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে সংগ্রহের মাধ্যমে।

“মূল পাণ্ডুলিপিটি হারিয়ে গিয়েছে”, এই তথ্যটিকে পুঁজি করে ডিজিটাল যুগের তথাকথিত ইসলাম পণ্ডিত ও সুবিধাবাদীরা ঘোষণা দেন যে, মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের এই বিপুলায়তন গবেষণালব্ধ বইটি গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁরা বিভ্রান্ত করেন সাধারণ মুসলমানদের।

সত্য হচ্ছে, যে-কারণে এই সুবিধাবাদীরা মুহাম্মদের জীবনের নেতিবাচক হাদিস অথবা "সম্পূর্ণ হাদিস-গ্রন্থকেই" অস্বীকার করেন (Quran only Muslim), সেই একই কারণে তাঁরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের ‘সিরাত’-কেও অস্বীকার করেন। মুহাম্মদের জীবনের কোনো নেতিবাচক ইতিহাসকেই তাঁরা সঙ্গত কারণেই গ্রহণ করতে অসমর্থ। ইসলামের একান্ত প্রাথমিক ও আবশ্যিক শর্ত অনুযায়ী তাঁরা একেবারেই অসহায় (বিস্তারিত দশম পর্বে)! ইসলামী পরিভাষায় যার নাম আল ওয়ালা ওয়াল বারা (Al wala wal Bara)। [4]

মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের বিপুলায়তন গবেষণালব্ধ লেখাগুলো বর্তমান যুগের বইয়ের মত গ্রন্থ আকারে প্রকাশিত হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায় না। লিখাগুলোর অনুলিপি (Copy) ও তাঁর দেয়া শ্রুতলিপি (Dictation) সংরক্ষণ করেছিলেন তাঁর কিছু ছাত্র। পরবর্তীতে তাঁদের কাছ থেকে সংকলন করে ইসলামে নিবেদিত অন্যান্য বিশিষ্ট মুসলিম স্কলাররা তা বই আকারে প্রকাশ করেছেন।

কম পক্ষে ১৫ ব্যক্তি (Riwayas) মুহাম্মদ ইবনে ইশাকের মূল লিখার (lost original) অনুলিপি ও শ্রুতলিপি সংরক্ষণ করেছিলেন। তাঁরা হলেন:

এক জোড়া পোস্টার


বানিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা



সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০১৪

আমার 'আমার অবিশ্বাস' পাঠ - ০৯


হুমায়ুন আজদের 'আমার অবিশ্বাস' নামের বইটা পড়তে শুরু করেছিলাম বেশ আগে। ধর্মকারী তখন স্থগিতাবস্থায়। কিন্তু কিছুদূর পড়ার পরে লক্ষ্য করলাম, বইটিতে উদ্ধৃতিযোগ্য ছত্রের ছড়াছড়ি। পড়া তখনই থামিয়ে দিয়ে স্থির করলাম, ধর্মকারী আবার সচল হলে ধর্মকারীর পাঠকদের (অনেকেরই বইটা পড়া আছে, জানি, তবুও...) সঙ্গে টাটকা পাঠমুগ্ধতা ভাগাভাগি করবো। তাই পড়তে শুরু করলাম আবার। বিসমিল্যা।

৩৯. 
পৃথিবী ঘোরে, মহাজগত অনন্ত; তবে আজো অনেকের বিশ্বাস পৃথিবী ঘোরে না। এর মূলে আছে পৃথিবীর ধর্মের বইগুলো; এগুলোতেই বেশি বিশ্বাস করে অন্ধরা। 

৪০.
বিশ্ব বা মহাজগত কখন সৃষ্টি হয়েছিলো? ইহুদি, খ্রিষ্টান ও ইসলাম ধর্মে বিশ্বসৃষ্টির যে-বিবরণ পাওয়া যায়, তাতে বোঝা যায় তাদের বিশ্বাসে মহাজগত সৃষ্টি হয়েছিলো অতীতের এক নির্দিষ্ট সময়ে; আর সে-অতীত বেশি অতীত নয়।

৪১.
আদিম মানুষদের অন্ধ আদিম কল্পনা, আর পরবর্তী অনেকের সুপরিকল্পিত মিথ্যাচার, কখনো কখনো মত্ততা, নানাভাবে বিধিবদ্ধ হয়ে নিয়েছে যে-বিচিত্র রূপ, তাই পরিচিত ধর্ম নামে। 

৪২.
মানুষের স্বভাব হওয়া উচিত অবিশ্বাস, অবিশ্বাস হচ্ছে আলো; আর বিশ্বাস মানুষকে পরিণত করে জড়বস্তুতে। 

৪৩.
ধর্ম লৌকিক - মানুষের প্রণীত, এবং বেশ সন্ত্রাসবাদী, ব্যাপার। মানুষ উদ্ভাবনশীল; মানুষের অজস্র উদ্ভাবনের একটি, ও সম্ভবত নিকৃষ্টটি, ধর্ম।

আমাদের আত্মীয়েরা – ৭১


পাঠিয়েছেন কৌস্তুভ 


ইসলামে যৌনতা সর্ম্পকিত কিছু প্রশ্নোত্তর


(ইছলাম যেহেতু একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, তাই যৌনাঙ্গ জীবনব্যবস্থাও তাতে আছে। যৌনতা বিষয়ে মোমিন ও মোমিনাদের অনেকের মনেই নিশ্চয়ই নানাবিধ প্রশ্ন জাগে; সেসবের কোনও কোনওটার উত্তর হয়তো পাওয়া যাবে নিচের প্রশ্নোত্তরে। উত্তরগুলো দিয়েছেন, আমার ধারণা, মডারেট নামের সুবিধাবাদী কোনও মুছলিম। কারণ তাঁর দেয়া কিছু উত্তর স্পষ্টতই ইছলামসম্মত নয়। 

সম্পূর্ণ অবিকলভাবে প্রকাশিত।

বি.দ্র. ৮ নম্বর প্রশ্নোত্তর মিস কইরেন না!)

নিম্নে ইসলামে যৌনতা সর্ম্পকিত কিছু প্রশ্নোত্তর তুলে ধরা হলোঃ 

১. আমি স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করতে গেলে কী সামনের দিক থেকেই করতে পারবো? পিছন দিক থেকে করা যাবে?
- আপনি সামনে এবং পিছনে উভয় দিক থেকেই সঙ্গম করতে পারবেন। তবে সঙ্গম অবশ্যই যোনীপথ দিয়ে করতে হবে।

২. আমি শুনেছি পায়ূপথে সঙ্গম করা হারাম। কথাটা কি সত্যি?
- হ্যাঁ, এটি সত্যি। মহানবী (সঃ) পায়ূপথে সঙ্গম করা হারাম করেছেন।

৩. আমার স্বামী প্রায়ই আমার সাথে জোর করে সঙ্গম করে। কিন্তু তখন আমার সঙ্গম করার ইচ্ছা থাকে না। এক্ষেত্রে কী করণীয়?
- এক্ষেত্রে করণীয় যে, আপনি আপনার স্বামীকে বোঝান যে, আপনার ইচ্ছা না থাকলে তখন তার বিরত থাকাই উত্তম। কারণ, এতে দুজনই সঙ্গমের পূর্ণ আনন্দ লাভে ব্যর্থ হয়। তখন সেই সঙ্গমটা একপক্ষীয় হয়ে যায়।

৪. আমার স্বামী প্রায়ই আমাকে তার পুরুষাঙ্গ চুষতে বলে এবং আমার যোনী চুষতে চায়। কিন্তু আমার চুষতে ইচ্ছা করে না এবং আমারটাও চুষতে দেই না। খুব ঘৃণা লাগে। যদি গোপনাঙ্গ চোষা হয় তাহলে এতে কোন পাপ হবে কী?
- ইসলামে গোপনাঙ্গ চোষণ সম্পর্কে হাদিসে কোন সঠিক ব্যাখ্যা না থাকার ফলে এ আচরণকে হারামও বলা যাবে না, আবার হালাল ও বলা যাবে না। সুতরাং গোপনাঙ্গ চোষণের ব্যাপারটি সম্পূর্ণ আপনাদের ওপর।

৫. আমার হস্তমৈথুন করার অভ্যাস আছে। এটা কী পাপ?
- ইসলামে হস্তমৈথুন সম্পর্কে হাদিসে কোন সঠিক ব্যাখ্যা নেই যে এটি হারাম নাকি হালাল। তবে যদি আপনি এটাকে পাপ মনে করে থাকেন তাহলে ধীরে ধীরে হস্তমৈথুনের অভ্যাসটি ত্যাগ করতে পারেন।

৬. ইসলামে একজন পুরুষ দুজন নারীকে একসাথে নিয়ে সঙ্গম করতে পারবে কিনা?
- যেহেতু ইসলামে একই লিঙ্গের দুজন ব্যক্তি একে অপরের গোপনাঙ্গ দেখতে পারবে না, সেক্ষেত্রে এ ধরণের সঙ্গমকে না বলাই ভালো।

৭. আমি এবং আমার স্ত্রী কী একসাথে গোসল করতে পারবো? এটা কি জায়েজ?
- হ্যাঁ, অবশ্যই পারবেন এবং এটি জায়েজ।

৮. আমি শুনেছি যে ইসলামে একে অপরের গোপনাঙ্গ দেখা নিষেধ। কিন্তু আমার স্বামী আমার গোপনাঙ্গের দিকে তাকিয়ে সঙ্গম করে। এতে কী কোন সমস্যা হবে?
- স্বামী-স্ত্রী একে অপরের গোপনাঙ্গ দেখতে পারবে। এতে কোন বাঁধা নেই, অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কোন পর্দা নেই। তবে স্ত্রীর গোপনাঙ্গের দিকে তাকিয়ে সঙ্গম করলে পুরুষের চোখের জ্যোতি কমে যায়।

৯. নিজেদের দাম্পত্য জীবন নিয়ে অন্যদের সাথে খোলামেলা আচরণ করা কি ঠিক?
- না। এটি মোটেই ঠিক নয়। নিজেদের দাম্পত্য জীবনের কথা অন্যজনদের না বলাই ভালো। তবে চিকিৎসার প্রয়োজনে ডাক্তারের কাছে নিজেদের দাম্পত্য জীবনের কথা বলতে পারেন।

১০. সঙ্গম করার পূর্বে কী শৃঙ্গার (ফোরপ্লে) করা জরুরী?
- হ্যাঁ। কারণ পুরুষদের যৌনইচ্ছা হঠাৎ করে আসে আবার হঠাৎ করে চলে যায় কিন্তু নারীদের যৌনইচ্ছা আস্তে আস্তে করে আসে আবার আস্তে আস্তে করে যায়। তাই সঙ্গমের পূর্বে শৃঙ্গার করা জরুরী।

১১. সঙ্গম শেষে কী নারীদের গোসল করা জরুরী?
- হ্যাঁ। শুধু নারীদেরই নয়, পুরুষদেরও গোসল করে পবিত্র হয়ে নেয়া জরুরী।

১২. কনডম ব্যবহার করে কী জন্মনিয়ন্ত্রণ করা যাবে?
- যেহেতু মহানবীর যুগে কনডম আবিষ্কার হয়নি, তাই সেসময়ের আরবের লোকরা আল-আযল পদ্বতি ব্যবহার করতো, অর্থাৎ বীর্যপাত হওয়ার আগে যোনীপথ থেকে পুরুষাঙ্গ বের করে বীর্যপাত করতো। তবে যে আত্না আসার, সেটা আসবেই। তা যতই জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্বতি অবলম্বন করা হোক না কেন। তাই কনডম ব্যবহার করে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা আর না করা সেটা সম্পূর্ণ আপনাদের ব্যাপার।

১৩. আমার মাসিকের সময় আমার স্বামী প্রায়ই পায়ূপথে সঙ্গম করতে চায়। কিন্তু আমি বাঁধা দেই। আমি জানি যে, মাসিকের সময় এবং পায়ূপথে সঙ্গম করা হারাম। তবে স্বামী-স্ত্রীর জন্য এ আইন শিথিল কিনা?
- না। সঙ্গমের ক্ষেত্রে এ দুটো বিষয় কখনোই শিথিল নয়। এ দুটি বিষয় সম্পর্কে ইসলামে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে।

১৪. স্বামী-স্ত্রী কি একে অপরের শরীরের বিভিন্ন অংশ স্পর্শ করতে পারবে?
- হ্যাঁ। এতে কোন সমস্যা নেই।

১৫. ইসলামে সঙ্গমের জন্য কি কোন নির্দিষ্ট আসন রয়েছে?
- না। আপনি যেভাবে ইচ্ছা বা যে আসনে সঙ্গম করলে আপনাদের সুবিধা হয় সেসব আসন অবলম্বন করতে পারেন।

১৬. যেহেতু মাসিকের সময় সঙ্গম নিষেধ, সেক্ষেত্রে কী শৃঙ্গার করা যাবে?
- চাইলে শৃঙ্গার করতে পারেন, তবে তা চুম্বন, স্তন চোষা এবং টিপ দেয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ব রাখবেন।

১৭. আমার স্বামী আমার স্তনের বোঁটা চুষে এবং স্তন টিপে। এটা কী জায়েজ?
- হ্যাঁ। এটি অবশ্যই জায়েজ। তাছাড়া স্তন টিপলে প্রাকৃতিকভাবেই আপনার স্তন বড় হবে।

১৮. আমি কী আমার স্ত্রীর স্তনের দুধ খেতে পারবো? এটি কী জায়েজ?
- না। এটি জায়েজ নয়। যদি আপনি ইচ্ছা করে খান, তাহলে আপনার স্ত্রী আপনার জন্য হারাম হয়ে যাবে। তাছাড়া স্তনের দুধ শুধুমাত্র সন্তানের জন্য, স্বামীর জন্য নয়।

১৯. সঙ্গমের সময় শরীরে কী একটু হলেও কাপড় রাখা উচিত?
- এটি রাখলে ভালো। তবে চাইলে পুরোপুরি উলঙ্গ হয়েও সঙ্গম করতে পারেন। সেটা আপনাদের ব্যাপার।

২০. স্বামী-স্ত্রী কী উলঙ্গ হয়ে বিছানায় শয়ন করতে পারবে?
- হ্যাঁ। এতে কোন সমস্যা নেই।


(লিংক পাঠিয়েছেন টোস্টার)

রোজা ও বিবিধ প্রলোভন




ধর্মপচানি পংক্তিমালা - ০৮


লিখেছেন জুপিটার জয়প্রকাশ 

২২. 
বিধর্মীদের দ্বারা মুসলিম আক্রান্ত হলে দুনিয়াজোড়া সকল মুসলিমের জন্য যুদ্ধ করা ফরজ বলে আল্লা হুকুম দিয়ে রেখেছে। এই নিয়ম অনুসরণ করেই আমরা ভার্চুয়াল যুদ্ধ, মানে গালাগালি আর মানবতা দেখি।

মুসলিমের দ্বারা মুসলিম আক্রান্ত হলে কী করতে হবে, তা জানা না থাকায় ভার্চুয়াল যোদ্ধারা চোখ বুঁজে আল্লার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে। এরপর কোনো নির্দেশ না পেয়ে এক সময়ে ঘুমিয়ে পড়ে।

২৩.
মুসলিমজাতি নানা ভাগে বিভক্ত। কারো সাথে কারো মত মেলে না। কিন্তু মতে না মিললে কল্লা কাটিতে হইবে, এই ব্যাপারে সকলেই একমত।

২৪.
ইহুদীর ধর্মে প্রভুর অনুসারীদের বলা হয়েছে ঈশ্বরের সৈনিক। ইসলামে প্রত্যেক মুসলিমের জন্য যুদ্ধ ফরজ করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রত্যেক মুসলিমই সৈনিক। ধর্মীয় দিক থেকে দেখলে ইহুদী এবং মুসলিমের মধ্যে সিভিলিয়ান বলে কোনো কিছুর অস্তিত্বই স্বীকার করা হয় না। 

ইহুদী বা মুসলিমের মধ্যে যারা সিভিলিয়ান দেখতে পায়, তারা ধর্মত্যাগী মূর্খ। ধর্মমতে তাদের শান্তিপূর্ণ উপায়ে কতল করা উচিত।

গড ইজ...




রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৪

নবীর আদর্শ


লিখেছেন আবু জাহেল (version 2)

অনেক দিন আগে একবার কোন একটা অনলাইন পত্রিকায় দেখতে পেয়েছিলাম, একটা হিন্দু ছেলে তার দুঃসম্পর্কের ভাতিজীকে (কাজিনের মেয়ে) বিয়ে করেছে, এ নিয়ে তাকে প্রচুর অপমানের স্বীকার হতে হয়েছে। খুব সম্ভবত, তাদের জুতার মালা পরিয়েও ঘোরানো হয়েছিল!

কতিপয় মুমিন সেই খবরের নিচে কমেন্ট করেছিল, "মালুর বাচ্চাগো ধর্ম নাই, লাইট নিভাইলে মা, পিসি, বউ সব তাদের কাছে সমান" ইত্যাদি, ইত্যাদি। 

আহা, তারা যদি জানতো, আসলে তারা পবিত্র রাসূলুল্লাহর আদর্শকে অনুসরণ করেছিল। রাসুল তার নিজ কন্যা ফাতিমাকে তার নিজ চাচাতো ভাই আলীর কাছে বিয়ে দিয়েছিলেন। নবীর এই আদর্শকে মানার পরেও কেন ৯০ ভাগ মুসলমানদের এই দেশে তাদের এই করুণ পরিণতি?

নবীর আদর্শ মানতে পারছে না দেখেই মুসলমানদের আজ এই করুণ অবস্থা! আল্লাহ আমাদের নবীর আদর্শ মেনে চলার তৌফিক দান করুক!

চলুন, সকলেই বলি, "আমিন।"

রোজার ভণ্ডামি গুগলও বোঝে


সংযম লিখে খোঁজ লাগিয়েছিলাম গুগল ইমেজে। সংযম পালনের বেশকিছু কৌতূহলোদ্দীপক ছবি পাওয়া গেল তাতে:






নিঃসীম নূরানী অন্ধকারে - ৯৬


লিখেছেন তামান্না ঝুমু

৪৭৬.
রোজাদারেরা মরার পরে হুরী ও মদ সম্ভোগের লোভে রোজার মাসে দিনের বেলায় মাত্র কয়েক ঘণ্টা না খেয়ে থাকার ঢং করে। তাই অনেক খৎনাকৃত মুছলিম দেশ আইন করেছে, কোনো স্বাভাবিক মানুষ উপোসের ভেক ধারণকারীদের সামনে খেতে পারবে না; খিদায়-তৃষ্ণায় কারুর প্রাণ গেলেও। সব রেস্তোঁরা দিনের বেলায় বন্ধ। কারণ সংযমকারী রোজাদারদের সামনে কেউ খেলে নাকি তাদের জিভ দিয়ে লালা পড়তে শুরু করে অঝোরে। কারুর খাওয়া দেখলেই তাদের সংযম টুটে মুটে যায়। 

মুছলিম দেশগুলিতে অনেক গৃহহীন খাদ্যহীন বস্ত্রহীন চাকরিহীন মানুষও রয়েছে। তাদের সামনে যদি অন্য কেউ গৃহে বাস করে, খাবার খায়, কাপড় পরে, চাকরি করে, তাদের কি খারাপ লাগে না? খৎনাকৃত দেশগুলি এই আইন কেন করে না যে, খাদ্যহীনের সামনে কেউ খেতে পারবে না, গৃহহীনের সামনে কেউ গৃহে বাস করতে পারবে না, গাড়িহীনের সামনে কেউ গাড়ি চালাতে পারবে না, দাড়িহীনের সামনে কেউ দাড়ি রাখতে পারবে না ইত্যাদি। যাদের মৃতদেহও লোভমুক্ত নয়, যারা খাদ্যের অভাবে নয়, লোভে পড়ে না-খাওয়ার ভড়ং করে, ইছলামি দেশগুলির দরদের লালা শুধু তাদের জন্য ঝরে পড়ে। আর যারা খাদ্যের অভাবে চিরদিন অনাহারে থাকে, তাদের সামনে খাদ্যবান ও বিত্তবানদের না-খাওয়ার বা রেস্তোঁরা বন্ধ করে রাখার কোনো আইন কেন নেই?

৪৭৭.
মাটি দিয়ে আদমের মূর্তি বানিয়েছিল য়াল্যা। ইছলামে কিন্তু মূর্তি বানানো হারাম। য়াল্যা হারাম দিয়েই ইছলামের শুরু করেছিল।

৪৭৮.
আমার পরিচিত এক আলহাজ্জ ব্যক্তি আছে, যে রোজা রাখে না। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি ঈমানদার মানুষ, পবিত্র হজ্জব্রত পালন করে পবিত্র হয়ে এসেছেন। কিন্তু আল্যার নেয়ামত উপোস থাকা থেকে নিজেকে বিরত রাখছেন কেন? তিনি উত্তর দিলেন, হাই ডায়াবেটিস আছে। দিনে তিনবার ইনস্যুলিন নিতে হয়। নইলে অসুস্থ হয়ে যাই ভীষণভাবে। সেদিন রোজা রেখে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলাম। আমি তাজ্জব হয়ে বললাম, হায় য়াল্ল্যা, য়াল্যার রহমতের মাসে য়াল্যার বিশেষ রহমতের এবাদত করলে তো মানুষের সব রোগ মসিবত দূর হয়ে যাবার কথা। তা না হয়ে য়াল্যার খাস হজ্জ করা বান্দা য়াল্যার এবাদত করতে গিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়! এই বুঝি য়াল্ল্যার রহমতের নমুনা ও তার এবাদত করার নগদ ফলাফল লাভ?

৪৭৯.
গাভী হিন্দুদের আম্মু। ষাড় তাদের আব্বু। এঁড়ে বাছুর তাদের ভাইয়া। বকনা বাছুর তাদের আপু।

৪৮০.
সর্বশক্তিমান আল্যাপাক পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ ভণ্ড পয়গম্বর পাঠিয়েও বিবেকবান মানুষদেরকে তার চাটুকার বানাতে পারলো না। দিনদিন অবিশ্বাসীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। হায় রে! সর্বশক্তিমানের লজ্জাজনক পরাজয় তার সৃষ্টির বিবেকের কাছে! তার অসহায়ত্ব দেখে আফসোস লাগে।

আমার বোরখা-ফেটিশ – ১০৮




এবং দু'টি বোনাস ছবি: হিজাববাজ জেনানাদের হালাল চুম্বন। হালকা ইয়ে টাইপের ছবি বলে ইমোটা খিয়াল কৈরা!

দাঁড়িপাল্লার ঝাড়ি - ২৩


লিখেছেন দাঁড়িপাল্লা

৬৭.
রোজার মাসে মিথ্যা বলা, ঘুষ খাওয়া, চুরি-দুর্নীতি করা, আকাম-কুকাম করা নিষেধ। আর এগুলা যদি না-ই করা যায়, তাইলে হুদাই স্কুল-কলেজ অফিস-আদালত খোলা রাইখা লাভ কী!

৬৮.
মুসলমানরা মারলে হালাল; মরলে হারাম।

৬৯.
ইহুদিদের হত্যা করা মুসলমানদের "ধর্মীয় অধিকার"; মুসলমানদের হত্যা করা ইহুদিদের "ধর্মীয় অধিকার"। 
এর পর আর কোনো কথা হতে পারে না।

হাই অন জিসাস