বৃহষ্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০১২

কর্মখালি: স্বেচ্ছানুবাদক আবশ্যক


আমি একলা মানুষ, সময় করে উঠতে পারি না। অথচ কতো মজার মজার ইংরেজি লেখা জমে আছে অনূদিত হয়ে ধর্মকারীতে প্রকাশের অপেক্ষায়! আর তাই এখন আবশ্যক কয়েকজন স্বেচ্ছানুবাদক। আমি বিপুল আশায় বুক বেঁধেছি: ধর্মকারীর এহেন অপকর্মে অংশ নিতে উৎসাহী ভাই-বোনেরা অনুবাদকর্মে এগিয়ে এসে দো জাহানের অশেষ গুনাহ কামানোর এই অপূর্ব সুযোগের সদ্ব্যবহার নিশ্চয়ই করবেন।

প্রসঙ্গত বলে রাখি: কোনও লেখাই দাঁতভাঙা ইংরেজিতে রচিত নয় এবং দীর্ঘও নয়। অনুবাদের সময়সীমাও বেঁধে দেয়া হবে না, তবে লজ্জাবোধ ও বিবেকের কাছে দায়বদ্ধতার ব্যাপারটি মাথায় রাখার অনুরোধ থাকবে  

সোমবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০১২

নির্ধর্মীয় সঙ্গীত: ইয়োর গড


ছোট্ট একটি ঈশ্বরপোন্দন সঙ্গীত। সুখশ্রাব্য। লিরিকসও বলিষ্ঠ। সামান্য নিদর্শন:

Is your God the same God who's working with the Pope?
...
Is it the God corralling virgins into herds of 72,
deciding where to send them when the glorious martyrs are through?
...
Is your God the same God who's burning the science books
and trampling lives to hoist the right to life signs?
...
Are they his priests who can't keep from buggering little boys?
...
Or is your's the God decreeing all the women wear a sack,
and presiding over stonings and beheadings in Iraq?
...
Is your God commanding you
to tell everybody what to do,
to kill your brain and praise his name
and bury the bastard who's not the same,
and spew your heinous and hateful shit
like something holy was driving it

সচিত্র বাইবেল


পাঠিয়েছেন শয়তানের চ্যালা 


কোরান কুইজ – ১৪


নিশ্চয়ই মোমিন মুসলমানগণ কোরান সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখেন। বেয়াড়া নাস্তিকগনও নিজেদেরকে কোরান-অজ্ঞ বলেন না কখনও। তাই মুসলিম-নাস্তিক নির্বিশেষে সকলেই অংশ নিতে পারেন কোরানের আয়াতভিত্তিক এই ধাঁধা প্রতিযোগিতায়। এই সিরিজের মাধ্যমেই তাঁরা নিজেদের কোরান-জ্ঞান যাচাই করে নিতে পারবেন।

প্রশ্ন ২০. অবিশ্বাসীদেরকে বিপথগামী করে কে?
ক) আল্লাহ
খ) শয়তান
গ) তারা নিজেরাই


(স্ক্রল করে নিচে উত্তর দেখুন)

সত্য বলার দায়ে



ইছলামী চিকিৎছা বিগ্যান


পৃথিবীর সমস্ত জ্ঞানের কথা কোরানে লেখা আছে, তা তো আমরা জানিই। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞান কিন্তু অনেকটাই হাদিসনির্ভর। এইডস-এর মতো রোগ থেকে নিরাময় পাবার তরিকা হাদিসে বাতলে দেয়া আছে, তা কিন্তু আমাদের অনেকেরই অজানা। অথচ সেই ২০০৭ সালে এক ইসলামবাজ আবিষ্কার করেছে হাদিসভিত্তিক এইডস চিকিৎসা। বুছি না, কেন যে ইহুদি-নাসারা বিজ্ঞানীরা কোরান-হাদিস উপেক্ষা করে যুগ-যুগ ধরে আউল-ফাউল গবেষণা করে সময় ও অর্থ ব্যয় করে চলেছে! 

ট্র্যান্সক্রিপ্টসহ পাঁচ মিনিটের ভিডিও। 

ব্ল্যাসফিমাস নোটকর্ম


পাঠিয়েছেন কৌস্তুভ

in god we trust লেখা ডলারের নোটকে ভাঁজ করে বানানো:

Trust No One 
 

Holy Shit

সূত্র। এখানে আরও কিছু নোটকর্ম পাওয়া যাবে।

রবিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০১২

সূরা আল-ব্লগ


নাযিল হয়েছে থাবা বাবা'র ওপরে

হে রাসুল, (আপনি মুমিনগনকে) সুসংবাদ প্রদান করুন, তাহারা যেন ধৈর্য ধারণ করে ও নিশ্চয়ই (তাহার পুরস্কার স্বরূপ) তাহারা জান্নাতে প্রবেশ করিবে ও আল্লার নিকট হইতে প্রতিশ্রুত ৭২টি হুরী পাইবে ও অসংখ্য কচি গেলমান। 

জমিনে যেখানে আমি (তাহাদিগকে) সাময়িকভাবে পাঠাইয়াছি, তাহারা যেন সেইখানে কোনোরূপ স্থায়িত্বের চিন্তা না করে। 

কারণ আমি (তাহাদের) চিরঞ্জীবী করিয়া পাঠাই নাই এবং নিশ্চয়ই জান্নাতের জীবনই অনন্তর স্থায়ী হইবে। 

জমিনের সকল কিছুই আল্লাহ তাহার নেক-বান্দাদিগের জন্য সৃজন করিয়াছেন। 

এবং (জমিনের ওপর) ভারী পর্বত স্থাপন করিয়াছেন যাহাতে তাহারা নিরাপদের জমিনে বিচরণ করিতে পারে ও বকরী চড়াইতে পারে। 

হে রাসুল, তাহারা কি দেখে না যে আল্লার রাসুল নিজেও একজন মেষপালক? 

তথাপী কেন তাহারা আল্লার তৈয়ারী জমিনে মেষ চারণ ছাড়িয়া কাফেররদিগের তৈয়ারী (আন্তর্জালীয়) ক্ষেত্রে বিচরণ করে? 

তাহারা কি জানে না যে, কাফেরদিগের (আন্তর্জালীয়) ক্ষেত্র মিথ্যা ও অস্তিত্বহীন? 

তাহারা কি করিয়া আল্লার সৃষ্টি ব্যতীত কিছুকে সত্য বলিয়া মানিয়া লয়? 

(তাহাদিগকে) যখন আল্লাহ প্রশ্ন করিবেন যে আল্লাহর জমিন ছাড়িয়া তাহারা কোথায় বিচরণ করিত, তখন তাহারা কি জবাব প্রদান করিবে? 

তাহারা কি সেই মিথ্যা ক্ষেত্র অন্য অন্য মুমিনদিগকে দেখাইতে পারিবে? 

হে রাসুল, (আপনি তাহাদের) এই বলিয়া সাবধান করিয়া দিন, তাহারা যে কোন কিছুই বিনা প্রমাণে বিশ্বাস না করে ও নিরাকার ও অদৃশ্য আল্লার ওপর পূর্ণ ইমান বজায় রাখে। 

কারণ একমাত্র আলাহ এবং কোরানই সকল সত্যের আকর ও সমস্ত সৃষ্ট বস্তুর প্রমাণ। 
যদিও আমি তোমাদিগকে আল্লাহ ও তার মালাইকাতুন ও জ্বীন জাতীকে দেখিবার ক্ষমতা প্রদান করি নাই। 

(মুমিন বান্দাগন) নিশ্চই ইয়াহুদী ও নাসারাদিগের প্ররোচনায় মিথ্যা (আন্তর্জালীয়) ক্ষেত্রে প্রবেশ না করে, নিশ্চই জাহান্নামের আগুন দুনিয়া হইতে সহস্রগুণ ভয়ঙ্কর। 

এবং (প্রকৃত মুমিনগন) নিশ্চই আল্লার ওপর বিশ্বাস রাখে, এবং আল্লায় ব্যাতীত আর কে দুনিয়ার সত্য ও সকল (আন্তর্জালীয়) মিথ্যা ক্ষেত্র তৈয়ারীর ক্ষমতা রাখে? 

তথাপী (আন্তর্জালীয়) ক্ষেত্রে তোমাদিগের বিচরণ সীমিত করো, ও যাহারা অধিক বিচরণ করে তাহাদিগবে বাধা প্রদান করো ও আল্লার মহিমা ও হুরীদিগের সুন্দর দেহবল্লরীর প্রশংসা করো। 

যদিও আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের জ্ঞাতসারে কাফের ও মুশরিকদিগের সকল কর্মকাণ্ড ও (আন্তর্জালীয়) ক্ষেত্র তৈয়ারী হইয়াছে ও আমি তাহার সকলি অবগত তাহার পরেও (মুমিনদিগের জন্য) আমি আমি তাহা নিষিদ্ধ করিয়াছি। 

তোমরা নিশ্চই জানিবে কাফিরদিগের তৈয়ারী ক্ষেত্র তো তাহাদিগের মিথ্যা প্ররোচনার জন্যই ব্যবহৃত হইবে ও (তোমাদিগকে) বিভ্রান্ত করিবে। 

নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল বিষয়েই অবগত ও তাঁর অজ্ঞাতে কিছুই ঘটে না। 

অতঃপর আমি তোমাদের জন্য আন্তর্জালীয় ক্ষেত্র ও ব্লগিং নিষিদ্ধ করিয়াছি, নিষিদ্ধ করিয়াছি (ছাইয়া নিকের) ছদ্মবেশ। 

কারণ তাহারা তোমাদিগের ডান এবং বাম হস্তের অধিকারে। 

তাই তোমরা নিশ্চই তাহাদিগের ছলনায় ভুলিবে না ও ছদ্মবেশ ধারণ করিবে না। 

কারণ যে কেউ তোমাদের ওপর অধিকার স্থাপন করিতে উদ্ধত হইতে পারে। 

তথাপী তোমরা যদি (ছদ্মবেশী কাউকে) দেখিতে পাও (তাহাদের) বারণ করো ও তাহাদের ওপর উপগত হও যেমন আমি তোমাদিগের জন্য জান্নাতে হুরী ও গেলমান বরাদ্দ করিয়াছি। 

নিশ্চই জাকারবার্গ একজন ইয়াহুদী ও শুকরদের অন্তর্গত।

ফুটায় গেছে ফুটানি



নির্বোধের অজ্ঞতাপ্রসূত জেদ


ঈশ্বর ও ধর্ম বিষয়ক বিতর্কে বিশ্বাসীরা না পারে কিছু প্রমাণ করতে (পারার কথাও নয়, রূপকথা কি প্রমাণযোগ্য?), না পারে তাদের ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে (কারণ গড়পড়তা নাস্তিক গড়পড়তা আস্তিকের চেয়ে ঢের বেশি জানে ঐশী কিতাব সম্পর্কে); ফলে তাদের 'যুক্তি' হয় এরকম: কারণ আমি জানি / কারণ আমি বিশ্বাস করি / কারণ তা কিতাবে লেখা আছে... 

এমন বদ্ধমস্তিষ্কদের সঙ্গে বিতর্ক করা বড়োই দুরূহ কাজ, তবু সেই কাজটিউ পরম নিষ্ঠা ও ধৈর্যের সঙ্গে করে চলেছে The Atheist Experience. এক নির্বোধ আস্তিকের অজ্ঞতাপ্রসূত জেদের নমুনা দেখুন ছোট্ট ভিডিওতে। 

যৌনইঙ্গিতবাহী চার্চ সাইন - ০২


না, উদ্দেশ্যমূলকভাবে যৌনইঙ্গিত এসবে দেয়া হয়নি। তবে তা খুঁজে পাওয়া দুঃসাধ্য নয় একেবারেই।





যৌনইঙ্গিতবাহী চার্চ সাইন - ০১ (ঊনিশটি ছবি)

নবীজি - সকল 'ঋতুর' পুরুষ


নারীরা ঋতুকালে অশুদ্ধ ও দুষিত, তাই সেই সময়ে তাদের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখা উচিত এবং তারা পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত তাদের নিকটবর্তী হওয়া উচিত নয় - এ কথা বলা আছে খোদ কোরানের দ্বিতীয় সুরার ২২২ নম্বর আয়াতে। ঋতুকালে নামাজ না পড়ার পরামর্শও দেয়া হয়েছে নারীদের। 

নবীজি নিজে সকল 'ঋতুর' পুরুষ (a man for all seasons) ছিলো বলে মেয়েদের ঋতু-ফিতু সে মানতো না। বিশদ জানতে স্লাইড শো দেখুন অথবা পিডিএফ (৪.৩৭ মেগাবাইট) ডাউনলোড করে নিন।

অনাবৃতা



শনিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০১২

ঈশ্বরদর্শন

ঈশ্বরের অস্তিত্বের প্রমাণ দিলেন অস্ট্রেলীয় এক খ্যাপা নাস্তিক

অন্য এক বিবর্তন



লিংকিন পার্ক - ৩৬


১. 
না, এই খবরের সঙ্গে ধর্মের কোনও সংশ্লেষ সেই। তবে মুহম্মদ নামের কেউ ৭ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করেছে শুনলে অবধারিতভাবে নবীজির কথা মনে পড়ে যায় যে! 

২.
অনেক মমিনের ধারণা, বিজ্ঞান নাকি বিশ্বাসনির্ভর। আসলে তারা বিজ্ঞানকে ধর্মের স্তরে নামিয়ে আনতে পারলে স্বস্তি পেতো, কিন্তু তা কি হবার? সহজ ভাষায় লেখা একটি চমৎকার নিবন্ধ।

৩. 
জিনেটিক উজানযাত্রার কাহিনী। দু'ঘণ্টার ডকুমেন্টারি। এ বিষয়ে উৎসাহ বা কৌতূহল থাকলে সময় নিয়ে দেখতে বসুন, শেষ না করে উঠতে পারবেন না।

৪. 
ফাকিস্তানের মতো দেশেও নাস্তিকেরা অল্পস্বল্প করে উঁকি দিচ্ছে। ফেসবুকে তাদের যে পেইজটা আছে, সেটির প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে সাক্ষাৎকার।

৫. 
ধর্মবিশ্বাসী দম্পতিরা এখন সেক্সশপের সেবা গ্রহণ করছে। খ্রিষ্টধর্মী সেক্সশপও চালু হয়েছে। 

৬. 
Fundies Say the Darndest Things নামে একটি সাইট! Fundy শব্দটি Fundamentalist-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যার বাংলা প্রতিশব্দ নিশ্চিতভাবেই ছাগু। এই সাইটে ছাগুমুখনিঃসৃত ল্যাদানি সংগ্রহ করা হয়। বাংলায় এমন সাইট কেন যে নেই! 

৭.
ভারতের Jaipur Literature Festival-এ যোগ দিয়েছিলেন রিচার্ড ডকিন্স। দ্য টাইমস অভ ইন্ডিয়া পত্রিকায় প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে তিনি স্বভাবসুলভ স্পষ্টবাদিতা ও যুক্তিনিষ্ঠতা বজায় রেখেছেন।
(লিংকম্যান: কৌস্তুভ) 

৮. 
স্কুলে ঝোলানো প্রার্থনাবোর্ড স্কুলছাড়া করতে আদালতের আশ্রয় নিয়ে সফলকাম হওয়া আমেরিকার ১৬ বছর বয়সী নাস্তিক স্কুলবালিকা এখন ক্যাথলিক মমিন-আকীর্ণ শহরে তীব্র রোষের সম্মুখীন। নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট। 

নিত্য নবীরে স্মরি – ৪৯



নির্ধার্মিক মনীষীরা – ৫২


পিটার অ্যাটকিনস - ব্রিটিশ রসায়নবিদ, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। বড়োই আকর্ষণীয় ভঙ্গিতে জানাচ্ছেন ঈশ্বর ও ধর্ম বিষয়ে তাঁর অকপট মতামত।

সাড়ে তিন মিনিটের ভিডিও। পুরোটা না দেখলেও অন্তত প্রথম বাইশ সেকেন্ড দেখাটা ফরজে আইন

পোপের মুখনিঃসৃত বল্দার্গু


ভ্যাটিকানের ভণ্ড পোপ একখান বাণী দিসিলো ক্রিসমাসের আগে:


এই শালার লাজলজ্জা তো নাইই, নাই কমনতম সেন্সও। সে কোন মুখে বাহ্যিক চাকচিক্য বর্জনের কথা কইতারে? নিচের ছবি কয়টা দেইখা কন, আমি ভুল কিছু কইসি নাকি!


শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০১২

বিদ্যাদেবীর বিশ্লেষণ


লিখেছেন মহা ম্যাড


স্বরস্বতি মহাভাগে, বিদ্যা কমললোচনে, 
বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী, বিদ্যাং দেহি নমহস্তুতে। 

এর বাংলা হল:
স্বরস্বতি মহা ভাগে মানে বিদ্যা চাইলে ভাগে। বিদ্যা কমল লোচন মানে বিদ্যার সময় মাথায় কেমিকেল লোচা হইলে স্বরস্বতির নাম মনে আসে। বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী মানে বিশ্বের সব মানুষ তার কাল্পনিকরূপ বিশাল চোখে দেখে। বিদ্যাং দেহী নমহস্তুতে মানে স্বরস্বতি বলছেন, বিদ্যা দেখি আমার হাতে নেই। নম হল নেই, হস্তুতে মানে হাতে।

সৃষ্টিকথা


বানিয়েছেন শেষনবী আমিনী


ইসলামের জিহাদী জঙ্গিরা


কোরানের সমস্ত বাণী অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলে না (সম্ভব নয় বলে) একজন মুসলিমও। তাই সত্যিকারের মুসলিম বলে কিছু নেই। তবে একদল মুসলিম আছে, তার যথাসাধ্য কোরানানুগ জীবনযাপন করে থাকে। বর্তমান দুনিয়ায় তাদেরকেই খাস মুসলিম বলা উচিত, অথচ তাদেরকে গণ্য করা হয় জঙ্গি মুসলিম হিসেবে। তুলনামূলকভাবে এদের সংখ্যা খুব বেশি না হলেও প্রভাবের বিচারে তারা কিন্তু খুবই অগ্রগণ্য।

এই জিহাদী মুসলিমদের নিয়ে বানানো আধঘণ্টার একটি ডকুমেন্টারি দেখুন।

প্রভু ভ্রুক্ষেপ করেন না



শয়তানের সাথে সংলাপ


লিখেছেন নাসির আবদুল্লাহ

'নাসির ভাই, ও নাসির ভাইইইই' ডাক শুনে চমকে গেলাম। অপরিচিত কন্ঠস্বর, উপরন্তু কেমন যেন নাকি নাকি সুর।

(গভীর রাত্রে একটা চেয়ারে একা বসে আছি বন্ধুর বাড়ির বাগানে। বন্ধু আমার সবজান্তা, সে আস্তিকও না আবার নাস্তিকও না, সে তর্কবাগিশ। তার স্বভাব হচ্ছে তর্ক করা, নাস্তিকদের টেবিলে সে আস্তিকের পক্ষে কথা বলে আবার অস্তিকেদের টেবিলে সে বিশাল নাস্তিক। সর্ব বিষয়ে তার অফুরন্ত জ্ঞান, ছাগু-মার্কা জ্ঞান না, সত্যিকার পড়াশুনা করা জ্ঞান। সন্ধ্যার অধিবেশন একটু কড়া হয়ে যাওয়াতে সে ঘুমিয়ে পড়েছে, বউরা! কেউ বাসায় নেই। হ্যা, তার চার চারটি বউ! একটি সুইডিস (গির্জার সিস্টার), একটি মেক্সিকান (মাঝারি কাতারের গায়িকা), একটি পার্শ্ববর্তী দেশের (অসম্ভব সুন্দরী) আরেকটি বাংলাদেশী (ভূগোলবিদ), চার ব‌উয়ের ছয় সন্তান সবাই মিলে এই একই বাড়িতে থাকে। আমার জানা সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম আমার এই বন্ধু। যাহোক বন্ধুর গল্প আরেকদিন বলব।)

- কে?

- নাসির ভাই, আমি ইবলিশ।

এই আজিব রসিকতায় ভড়কে গেলেও মাথা ঠাণ্ডা রেখে জিজ্ঞাসা করলাম, 'কী চাও?'

- আপনের সাথে কিছু আলাপ আছিল, নাসির ভাই।

- বলে ফেল।

- আপনে আদাজল খাইয়া আমার পিছনে লাগছেন ক্যান?

- বাহ রে, বল কী তুমি! আস্তিকরা বলে, আমি নাকি ওদের পিছনে লাগছি। আবার তুমিও বলছ যে, আমি তোমার পিছনে লাগছি, আমার কি দুই কুলই গেল নাকি?

- নাহ! কথা সেইডা না, আপনেরে আমি খুব ডরাই।

- কেন?

- ওই যে আপনার মাথার মইদ্দে সব সময় সম্ভাবনা উকি দেয়, আপনি অংকে কাঁচা কিন্তু সম্ভাবনাগুলা বেশির ভাগই ঠিক।

- ঝেড়ে কাশ ত বাপু, বেশ ইন্টারেস্টিং মনে হচ্ছে।

- নাসির ভাই, আপনের সব পুকুরের মাছ আমি ডবল কইরা দিমু, ট্রিপল কইরা দিমু যদি আপনি আমার একটা অনুরোধ রাখেন।

- বলতে থাক।

- আপনি মুহম্মদের পিছু ছাইড়া দেন।

- কেন?

- মুহম্মদ যে আমার সাধনার ফসল, এইটা আপনি বুঝেন না?

- কীভাবে?

আমার বোরখা-ফেটিশ – ৩৪